সুপায়নের পর্দা ফাঁ’স! আনন্দীর বুদ্ধিতে বন্ধ হলো মেডিনেসের কালোবাজারি! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটি বেশ জমে উঠেছে। টিআরপি তালিকায় বেশ ভালই ফলাফল করছে প্রতি সপ্তাহে। অবশেষে আদি আনন্দী সব বাধা পেরিয়ে নতুনভাবে সবকিছু শুরু করেছে।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছিল পরের দিন বাড়ির সমস্ত ছেলেরা কাজে বেরিয়ে গেলে বিজয়া, সুমনা, তনুশ্রী সবাই মিলে হাতে হাতে বাচ্চাদের খাবার বানানোর জন্য সাহায্য করতে থাকে। আনন্দীও হাতে হাতে হেল্প করে। ওদিকে চৈতির ঘরে সকাল সকাল এক কাপ চা নিয়ে যায় ঠাম্মি। এরপরে ছলে বলে চৈতিকে চা টা খাইয়ে দেয়। ওই চায়ের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশানো ছিল। বিজয়া সুন্দর ভাবে বাচ্চাদের টিফিন বক্স গুছিয়ে দেয়, এই আনন্দী সেগুলো নিয়ে নার্সিংহোমে যায়। আনন্দী কোনমতে আদি এবং নন্দিনীর নজর এই নিয়ে বাচ্চাদের কেবিনে টিফিন নিয়ে পৌঁছে যায়। বাচ্চারা তো সেই টিফিন পেয়ে খুব খুশি হয়ে যায়।

Anondi, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, আনন্দী, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anondi Today Episode 18 December, আনন্দী আজকের পর্ব ১৮ ডিসেম্বর, আনন্দী আজকের পর্ব

আনন্দী আজকের পর্ব ১৯ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 19 December)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আনন্দী যখন বাচ্চাদের টিফিন দিচ্ছিল তখন সুপায়ন এসে বাধা দেয়। সুপায়ন তাদের হাত থেকে টিফিনের বাক্স ফেলে দেয়। আনন্দী প্রতিবাদ করলে সুপায়ন বলে এখানে বাইরে থেকে কোন খাবার আসবে না। এর পরে আদি এসে তাকে আটকায় এবং খাবারের বাজে মান নিয়ে কথা শোনাতে থাকে। নন্দিনী এসে বলে আনন্দী মিথ্যে অভিযোগ করছে, এত বছর ধরে এখানে খাবার দেওয়া হচ্ছে তাদের কোন অসুবিধা হচ্ছে না হঠাৎ করে কি হলো। এর পরে আনন্দী নিজেই খাবারের কোয়ালিটি চেক করায় নন্দিনীকে। তখন নন্দিনীর মুখে আর কোনো কথা নেই। তারপর সবাই মিলে ঠিক করে টেস্টি টামি থেকে খাওয়ার আসবে প্রতিদিন।

লাহিড়ী বাড়িতে ব্যবসা শুরু আনন্দীর

এদিকে বাড়িতে এসে আনন্দী বলে বিজয়ার তৈরি করা খাওয়ায় সবাই খুশি হয়ে খেয়েছে। এটা শুনে তো সবাই খুব খুশি হয়ে যায়। তারপর ঠাম্মি এসে চৈতির কথা বলে। চৈতিকে যে তিনি ২ তো ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দিয়েছে সেটাও বলে। এরপর আনন্দীরা ছুটে যায়। চৈতির চোখে মুখে জল দিয়ে চৈতির জ্ঞান ফিরিয়ে আনে। তারপর কোনমতে ঠাম্মি পরিস্থিতি সামলায়। তারপর আনন্দীর ঘরে সবাই মিটিং করে।

আরও পড়ুনঃ মেলেনি মায়ের আদর! ছিল অভাবের সংসার! ভরসা ছিল বাবার পেনশন! আজ একা হাতে সংসার টানছেন স্রোত!

আনন্দী বলে এবার থেকে বাড়ির খাবারই বাচ্চাদের জন্য যাবে। তারজন্য বাজার করতে হবে। সেই কথা শুনে সবাই বলে সেটা অনেক টাকার ব্যাপার এত টাকা কোথা থেকে আসবে। এদিকে হিসেবে করে দেখা যায় ১০ হাজার টাকা হচ্ছে। তারপর ঠাম্মি এসে তাদের টাকা দিয়ে সাহায্য করে। এই দিয়েই শুরু হবে ব্যবসা। এরইমধ্যে ঘরে ঢোকে আদি। আদি তো বুঝতে পারে না কি হচ্ছে। আনন্দী এই বিষয়টা আড়াল করে যায় আদির থেকে। দেখা যাক আগামী পর্বে কি হতে চলেছে।

Back to top button