পাশে নেই কেউ! হাতে মাত্র কয়েক ঘণ্টা! একাই লড়ে চলেছে আনন্দী!

এক ঝাঁক নতুন ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম একটি হলো জি বাংলার (Zee Bangla) আনন্দী (Anondi)। ধারাবাহিকটি শুরু হয়েছে মাত্র কয়েকমাস ঠিকই তবে ইতিমধ্যে ধারাবাহিকের গল্প দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছে। ধারাবাহিকটি প্রতি সপ্তাহতেই টিআরপি তালিকায় ভালো স্লট পাচ্ছে এবং প্রতি সপ্তাহে ভালো ফলাফল করেছে। ধারাবাহিক যত এগোচ্ছে তত নতুন নতুন টুইস্ট দেখা যাচ্ছে গল্পে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আদি বাড়ি এসে আনন্দীদের মাতাল অবস্থায় দেখে ভীষণভাবে রেগে যায়। ঠাম্মি, মা আদি বৌদিরা সবাই শরবত খেয়ে একেবারে নেশায় ভুলভাল বকছে। বাড়িতে এসে অনিরুদ্ধরাও বেজায় রেগে যায়। আনন্দীর এইসব কাজবাজ দেখে আদি তো ক্ষেপে ওঠে। কেউই বুঝতে পারে না কি হচ্ছে বাড়িতে এসব। এদিকে আনন্দীও নেশার ঘোরে ভুলভাল বকতে থাকে। আদি এসব একেবারেই সহ্য করতে পারে না। তাই ভীষণভাবে রেগে যায় সবকিছু দেখে।

আনন্দী আজকের পর্ব ১০ নভেম্বর (Anondi Today Episode 10 November)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আদি আনন্দীকে নেশার ঘোরে কোলে করে ঘরে নিয়ে যায়। আনন্দী তখনও ভুলভাল বকতে থাকে। আদি মনে মনে ঠিক করে নেয় আনন্দীকে আর সময় দেওয়া যাবে না। পরেরদিন সকালেই আনন্দীর থেকে সমস্ত হিসেব মিটিয়ে নেবে আদি। সকালে আদি সবাইকে লেবু জল করে দেয়। আর আনন্দীর থেকে জবাব চায় কেন সে এই কাজ করল। আনন্দী বুঝতেই পারে না কিভাবে তাদের সাধারণ সরবতের মধ্যে অ্যালকোহল চলে এলো। আনন্দী বারবার আদিকে বোঝাতে থাকে, কিন্তু আদি এবারও কিছু বুঝতে চায় না।
আদি আনন্দীকে সন্ধে সাড়ে ছটা পর্যন্ত সময় দেয় নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য। এর মধ্যে যদি আনন্দী নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে না পারে তাহলে আনন্দী যেন লাহিড়ী বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। আদি আর আনন্দীকে সময় দিতে চায় না। ঠাম্মি, বিজয়া সবাই মিলে বোঝাতে থাকে কিন্তু আদি কারোর কথা শোনে না। আনন্দী বারবার আদিকে বোঝায় সে জানে না কিভাবে তাদের শরবতের মধ্যে অ্যালকোহল এলো। সে কোনভাবেই মা এবং ঠাম্মিকে নিয়ে এই ধরনের কাজ করতে পারে না। কিন্তু আদি তো আনন্দীকে সন্দেহ করে চলেছে।
আরও পড়ুনঃ সব্যসাচী চক্রবর্তীর জীবনে বিরাট দুঃসংবাদ! সবাইকে বিদায় জানালেন ফেলুদা!
নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে মাঠে নামলো আনন্দী
আসলে এইসবের পিছনে মূল মাথা হলো চৈতি। চৈতি একমাত্র যে পার্টিতে আসতে চাইছিল না। কিন্তু একসময় নিচে নেমে এসেছিল পার্টির মাঝখানে। তখনই আনন্দীর সন্দেহ হয়েছিল, কিন্তু কিছু বুঝতে পারেনি তখন। এদিকে আনন্দীর সন্দেহ দূর করতে সবাই মিলে প্ল্যান করে সত্যিটা খুঁজে বের করার। সেই মতোই তনুশ্রীকে পাঠায় তার শাশুড়ির মুখ থেকে আসল সত্যিটা বের করার জন্য। এদিকে চৈতি ঘরে বসে বেশ মজা পাচ্ছে আনন্দী বাড়ি থেকে চলে যাবে বলে। এবারে দেখার অপেক্ষা কিভাবে আনন্দী নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে।

