ফের কাজে ফিরল আনন্দী! নায়িকাকে তাড়াতে ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে মগ্ন নন্দিনী! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিকগুলির মধ্যে একটি হলো আনন্দী। প্রতি সপ্তাহে টিআরপি তালিকায় ভালোই ফলাফল করছে ধারাবাহিকটি। বর্তমানে তো ধারাবাহিকটিতে টানটান উত্তেজনা পর্ব চলছে। আনন্দীকে খুঁজে চলেছে আদি। আদির এই বিপদের দিনে তাকে সাহায্য করছে তার পুলিশ বন্ধু।আরেকদিকে আদি এবং তিতিরের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। কিন্তু এই বিয়ে করতে একদমই চায় না আদি।

ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে আদির ঘরে দুজনের ফুলশয্যার ব্যবস্থা করে সবাই মিলে। কিন্তু আদি আনন্দীকে বোঝাতে থাকে এই বিয়েটা সে করেছে আনন্দীকে একটা সুন্দর জীবন দেওয়ার জন্য। আদি চেয়েছে আনন্দী যাতে তার আগের জীবন থেকে মুক্তি পায়। আদি বলে সে চায় আনন্দী আবার তার নার্সিং এর কাজ নতুনভাবে শুরু করুক আগের মতন। আদি চায় না লাহিড়ী বাড়ির বাকি বউদের মতন আনন্দীর জীবনটা হোক। আদিকে আনন্দী যেকোনো পরিস্থিতে নিজের পাশে পাবে। কিন্তু আদি সংসার করতে পারবে না।

Anondi, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, আনন্দী, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Anondi Today Episode 9 December, আনন্দী আজকের পর্ব 9 ডিসেম্বর, আনন্দী আজকের পর্ব

আনন্দী আজকের পর্ব ১০ ডিসেম্বর (Anondi Today Episode 10 December)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে আদি আনন্দীর ঘরে পরে দিন সকালেই চলে আসে ঠাম্মিরা সবাই। আনন্দীর থেকে সমস্ত কিছু জানতে চায়। তখন আনন্দী বলে আদি তাকে বলেছে আগে তার ভালো বন্ধু হতে চায়। এরপরে ঠাম্মিকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে আনন্দী। তাকে ওষুধ খাওয়ানো, তার সবকিছু দেখাশোনা করে, আদিও নিজের কাজ করতে থাকে। অন্যদিকে নার্সিংহোমে একটি ছোট্ট বাচ্চা পেশেন্টকে নিয়ে বেশ চিন্তিত আদির কাকা। বাচ্চাটির হার্টের সমস্যা থাকায় আদিও তার চিকিৎসা করছে। আর বাকিটা আদির কাকা দেখছে।

মেডিনেসে এলো আনন্দী

কিন্তু সমস্যা হল বাচ্চাটি কোন চিকিৎসাতেই সাড়া দিচ্ছে না। কেবল নিজের মনে মনে খাতায় রং পেন্সিল নিয়ে কিসব এঁকে যাচ্ছে। কোন সাড়াশব্দ দিচ্ছে না, হাসছে না খেলছে না কিচ্ছু করছে না। এই সমস্যায় নিয়ে তিনি আদির সাথে আলোচনা করতে আসে। তখনই আদির কাকা লক্ষ্য করে আনন্দী কিভাবে ঠাম্মিকে নানান ছলে বলে ওষুধ খাওয়ায়, তার মন ভালো রাখে। তার মিষ্টি কথার পাচন দিয়ে ভুলিয়ে রাখে। কাকা আদিকে বলে আনন্দী পারবে ওই বাচ্চাটার মুখে হাসি ফোটাতে। বাচ্চাটা কে আবার জীবন দিতে। এজন্য আদি যায় আনন্দীর কাছে সাহায্য চাইতে, আনন্দী রাজিও হয়ে যায়।

আরও পড়ুনঃ বাড়ি ছাড়লো রায়ান! নায়ককে বাড়ি ফেরাতে একি করল পারুল! দুর্ধর্ষ ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো

এরপর আনন্দী জোকার সেজে নার্সিংহোমে গিয়ে বাচ্চাটির মুখে হাসি ফোটানোর চেষ্টা করে। কিন্তু বাচ্চাটি তাতেও কোনরকম সারা শব্দ দেয় না। আর উল্টে নন্দিনী আনন্দীকে অপমান করে নার্সিংহোম থেকে বের করে দেয়। বাচ্চাটি কি সব আঁকাআঁকি করছে এবং ছুড়ে ফেলে দিচ্ছে ডাস্টবিনে। ডাস্টবিন থেকে সমস্ত আকার পাতাগুলো তুলে এনে আনন্দী আদিকে বলে এই আঁকাগুলোর মধ্যে থেকেই তাদের আসল সমস্যাটা খুঁজে বের করতে হবে। এরপর বাড়িতে বসে তারা প্রত্যেকেই বাচ্চাটির আঁকা গুলোর দিকে দেখতে থাকে, বাচ্চাটা তার দাদু ঠাকুমার ছবি এঁকেছে, দাদু ঠাকুমার চশমা লাঠি ইত্যাদি ছবি এঁকেছে। আনন্দী বুঝতে পারে সমস্যাটা সেখানেই। বাচ্চাটা দাদু ঠাকুমাকে ভীষণভাবে মিস করে। তার দাদু মারা গিয়েছে। কিন্তু ঠাম্মার সাথে কোন যোগাযোগ নেই। আর আনন্দী ঠাকুমা সেজে সেটাই দেখতে চাইছে। এবার দেখা যাক আগামী পর্বে কি হয়।

Back to top button