এতকিছুর পরও শিক্ষা পেল না অনির্বাণ! সোহিনীর কথার মার প্যাঁচে রাইকে ভুল বুঝল সে!

কিছু কিছু মানুষের স্বভাবই হলো তার কাছের মানুষদের ভুল বোঝা। আর ঠিক সেই রকমই একজন মানুষ হল জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকের বর্তমান নায়ক অনির্বাণ। সে ধারাবাহিকের নায়িকা রাইকে ভুল বুঝে তার প্রতি অনেক অন্যায় অবিচার করেছে। সবটা তার সামনে দিনের আলোর মতন স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরেও সেই একই কাদা আবারো নিজের গায়ে মাখল অনির্বাণ।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, রাই নিজের বাড়িতে এসে সবাইকে বোঝায়, আর যাই হয়ে যাক না কেন নিজেকে শেষ করে দেওয়ার মতন বোকামি সে কখনো করবে না। সে খুব ভালো করেই জানে তার মাথার উপর তার পরিবারের দায়িত্ব রয়েছে। এই দায়িত্ব কখনোই ঝেড়ে ফেলতে পারবে না সে। যেটা শুনে অনেকটা আশ্বস্ত হয় মিষ্টি স্রোত এবং প্রত্যেকে।

Bengali serial

মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ২ আগষ্ট (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 2 August)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, নন্দিতা অনেক করে রাইকে বোঝানোর চেষ্টা করে। সে বলে রাই যেন এই বাড়ি থেকে না যায়। কিন্তু রাই সবাইকে বোঝায়, অনেক সময় কাছে থেকে অনেককে চেনা যায় না। ঝাপসা মনে হয়। দূরে গেলে অনেক কিছু সহজে বোঝা যায়। অনেককে সহজে চিনে ফেলা যায়। অনেকটা বেশি করে দেখা যায়। অনেক বোঝানোর পরেও রাই এই বাড়িতে থাকতে রাজি হয় না।

নিলুকে কোন শাস্তি দিল না রাই

সে বাড়ি ছেড়ে বেরোতে যাবে এমন সময় সেখানে এসে হাজির হয় তার বোন এবং বোনের স্বামী অর্থাৎ নীলাঞ্জনা আর শৌর্য। তাদের দুজনকে দেখে বেশ অবাক হয়ে রাই। শৌর্যর কাছ থেকে রাই ক্ষমা চেয়ে নেয়। শৌর্য বলে রাই যেন নীলুকে তার উপযুক্ত শাস্তি দেয়। রাই নীলুকে শুধু কিছু কথা বলে এবং এটা বোঝানোর চেষ্টা করে যে তার বোন যেন তাকে নিজের জীবন থেকে মুছে ফেলে। এটা বাদ দিয়ে আর কোন রকম কোন শাস্তি সে দেয় না। এরপর হোস্টেলের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ে রাই।

আরও পড়ুন: মিল হয়ে গেল অনির্বাণ-রাই, স্রোত-সার্থকের! ধন্যবাদ জানিয়ে শেষের পথে মিঠিঝোরা?

সোহিনীর জালে জড়িয়ে পড়ল অনির্বাণ

অনির্বাণ রেডি হয়ে নেয় নিজের রাইয়ের বাড়ি যাওয়ার জন্য। ঠিক সেই সময় তার কাছে চলে আসে সোহিনী। ছেলে হাতের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে দেখে সোহিনী বলে, “গোটা দিন ধরে রাইয়ের নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়া তারপর ওই দুর্ঘটনাটা ঘটা আর তার গোটা একদিন পর ফিরে এসে তোমাকে নির্দোষ প্রমাণ করা এই সবটাই ওর সাজানো নাটক। একটা সস্তা গল্প। ওকে কে নির্দোষ প্রমাণ করলো? একবার ভেবে দেখেছো? ওর প্রাক্তন প্রেমিক।” অনির্বাণ উচিত ছিল কথাগুলো না শুনে তাড়াতাড়ি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়া, কিন্তু অনির্বাণ সেটা না করে চুপচাপ নিজের মায়ের কথাগুলো শুনতে থাকে। যেটা প্রমাণ করে দেয় যে সহস্র কোটি প্রমান দেখালেও অনির্বাণ বদলাবে না।

Back to top button