দিদিকে কষ্ট দিতে অনির্বাণের মন বিষিয়ে দিলো নিলু! রাইয়ের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল অনির্বাণ!

কিছু কিছু মানুষ নিজের জীবনে কিছু না পেলে অন্য কাউকেও কিছু পেতে দেয় না। তাদের মনের মধ্যে এত বেশি হিংসা থাকে যে নিজের অত্যন্ত আপন মানুষটাকেও জীবনে উন্নতি করতে দেখে সহ্য করতে পারে না। আর ঠিক সেইরকমই একজন মানুষ হলো জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (MithiJhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইয়ের বোন নিলু। নায়িকার জীবনে এখন পরম শত্রু হয়ে উঠেছে সে।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, শশুর বাড়িতে মিথ্যে নাটক করে নিজের মান সম্মান নিজের পরিবারের মান সম্মান মাটিতে মিশিয়ে দিয়ে আবার বাপের বাড়িতে ফিরে এসেছে নীলাঞ্জনা। এসে যখন সে দেখে তার দিদি চাকরি করছে সুখে আছে সে কিছুতেই সেটা মেনে নিতে পারে না। কারণ সে সুখে নেই। আর নিলু নিজে সুখী না থাকলে কারোর সুখ সহ্য করতে পারে না। অন্যদিকে অনির্বাণের মন বিষিয়ে দিয়েছে ডোরা তাই তাকেও এখন অনেক ভেবেচিন্তে চলতে হচ্ছে।
মিঠিঝোড়া আজকের পর্ব ৫ মে (MithiJhora Today Episode, MithiJhora Today Episode 5 may)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, স্রোত বারবার রাইকে জিজ্ঞাসা করে তার মনে কি অনির্বাণ স্যারের জন্য কোন অনুভূতি নেই? রাই বুঝতে পারে এই অনুভূতি তার মনে অনেক দিন আগেই তৈরি হয়েছে। কিন্তু সেটা সে কিছুতেই স্বীকার করতে চায় না। কারণ রাই তার সাথে শুধুমাত্র একজন কর্মচারীর সম্পর্ক রাখতে চায়। আর তার সব থেকে বরণ কারণ হলো অনির্বাণ সেন সৌর্যের দাদা।
রায়ের ক্ষতি করার পণ করলো নিলু
সকাল হতেই রাইয়ের সেজেগুজে অফিস বেরোনো নিয়ে একগাদা কথা শোনাতে থাকে নিলু। সে কিছুতেই রাইয়ের কোন কিছুই মেনে নিতে পারে না। প্রত্যেকটা ছোটখাটো বিষয় নিয়ে তার সঙ্গে চরম অশান্তি করতে থাকে। স্রোত রাইয়ের হয়ে নীলাঞ্জনাকে উপযুক্ত জবাব দেয়। এরপর ঘর থেকে সবাই চলে গেলে নিলু ঠিক করে, রাইকে কোনভাবেই সুখে থাকতে দেবে না। আর এর জন্য তাকে যতদূর যেতে হয় সে যাবে।
আরও পড়ুন: বিয়ের দিন আদৃতের লম্বা চুল দেখে রেগে গিয়েছিলেন কৌশাম্বী! নিজেই জানালেন উচ্ছেবাবু
রাইয়ের দিক থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিলো অনির্বাণ
এদিকে অনির্বাণ ডোরা এবং দাদার বলা কথাগুলো কিছুতেই ভুলতে পারে না। তার মনে হতে থাকে রাই তার সাথেও এমন কিছু করতে পারে। তাই সর্মির হাজারবার বোঝানো সত্ত্বেও সে রাই য়ের চোখের দিকে তাকাতে পারে না। অফিসে গিয়ে রাই বুঝতে পারে অনির্বাণের ব্যবহারের অনেক পরিবর্তন এসেছে। খারাপ লাগলেও রাই এটাকেই ভবিতব্য বলে মেনে নেয়। সে মনে মনে ভাবে যেটা হয়েছে সেটা ভালোই হয়েছে। বেশি আশা না রাখাই ভালো।

