স্রোতের নাচে মুগ্ধ সার্থক! একটা শেষ সুযোগ পেতেই অনির্বাণের কাছে সত্যিটা প্রমাণ করে দিলো রাই!

কিছু না করেই জীবনে প্রথম বার এত বড় একটা অপবাদের শিকার হলো জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকের নায়িকা রাইপূর্ণা। সব সময় সৎ থাকার এবং সৎ পথে চলার চেষ্টা করেও আজ এই চরম পরিস্থিতি তার সামনে উপস্থিত হয়েছে। এই নিয়েই বেশ জমে উঠেছে ধারাবাহিকের বর্তমান পর্বগুলি। টিআরপি তালিকাতেও একটু একটু করে নিজের জায়গা তৈরি করার চেষ্টা করছে এই ধারাবাহিক।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, স্রোতের কলেজে একটা সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাদের সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যে মেয়েটির নাচ করার কথা ছিল সে হঠাৎ করেই অসুস্থতার কারণে আসতে পারছে না এমনটা জানিয়েছে। তাই খুব বিপদে পড়ে গিয়েছে সার্থক কারন সব কিছুর দেখভালের দায়িত্বে ছিল সে। এখন এই মুহূর্তে নাচের একজন মেয়ে কোথা থেকে জোগাড় করবে সে, কিছুতেই বুঝে উঠতে পারেনা। কিন্তু যদি নাচের মেয়ে জোগাড় করা না যায় তাহলে গোটা অনুষ্ঠানটাই বাতিল হয়ে যাবে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, প্রিন্সিপাল স্যার প্রচণ্ড চিন্তাভাবনা করতে থাকে এই নিয়ে। কারণ এই অনুষ্ঠানটা ঠিকঠাক ভাবে না হলে তারা ফান্ড পাবে না। আর ফান্ড না পেলে ল্যাবের কাজগুলো আটকে যাবে। ঠিক তখনই স্রোতের বন্ধুরা বলে স্রোত খুব ভালো নাচ করে। কিন্তু সার্থক স্রোতকে দিয়ে নাচ করাতে কিছুতেই রাজি হতে চায় না। এরপর সেখানে স্রোতকে ডাকা হয়। প্রিন্সিপাল স্যার স্রোতকে বলে, “এই কলেজের মান সম্মান সবকিছু এই অনুষ্ঠানের সাথে জড়িত। তাই একটা নাচের মেয়ের জন্য এই অনুষ্ঠান বাতিল হতে পারে না। তোমাকে আমাদের একটু সাহায্য করতে হবে এই বিষয়। তোমায় সুদেষ্ণার জায়গায় করতে হবে।”

নাচ করতে রাজি স্রোত

সার্থক বলে, “আমি স্রোতের ওপর কোনোভাবেই ভরসা রাখতে পারছি না। আমার মনে হয় ভুলভাল কিছু হওয়ার থেকে না হওয়া ভালো। এতে আরো হিতে বিপরীত হতে পারে। আর স্রোত যদি নাচে তাহলে আমি গান করবো না।” এটা শুনে প্রিন্সিপাল স্যার বলে, তাদের কারোরই এই কলেজের মান সম্মান নিয়ে কোন মাথাব্যথা নেই এটা সে আজকে বুঝে গিয়েছে। স্রোত তখন বলে অবশ্যই তার মাথাব্যথা আছে কারণ সে তার কলেজকে ভালোবাসে। তাই সে নাচবে। সার্থক বলে সেও গান করবে। এটা দেখে খুব খুশি হয়ে যায় প্রিন্সিপাল স্যার।

আরও পড়ুন: মা’কে অভিনয়ে টেক্কা দিচ্ছে পর্ণার অনস্ক্রিন মেয়ে ‘পুঁটি’! ‘ওর মত মেয়ে হয় না’, প্রশংসা ঝরে পড়ল অভিনেত্রী পল্লবী শর্মার মুখে

শেষ সুযোগ চাইলো রাই

অন্যদিকে রাইকে সম্পূর্ণভাবে দোষী প্রমাণ করে দিয়েছে সুদীপ্ত। পুলিশ বারবার রাইকে বলে, যদি সে ভালোয় ভালোয় সব সত্যিটা না বলে দেয় তাহলে তার কপালে অশেষ দুঃখ রয়েছে। তাকে পুলিশ স্টেশনে তুলে নিয়ে যাওয়া হবে এবং দুইঘা দেওয়া হবে। অন্যদিকে অনির্বাণ ভাবতে থাকে রাই হয়তো এতটা খারাপ কিছু করতে পারে না। রাইয়ের সাথে আলাদা করে কথা বলতে চায় অনির্বাণ। রাইকে অনির্বাণ বলে, যদি টাকাটা সে নিয়ে থাকে তাহলে যেন তাড়াতাড়ি দিয়ে দেয়। কারণ ওই টাকাটা না দিতে পারলে তাদের কোম্পানি উঠে যাবে। রাই অনির্বাণ এর কাছে একটা দিন সময় চায়। সে বলে ওই একদিনের মধ্যে সে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবে। কিন্তু অনির্বাণ বুঝে উঠতে পারে না তাকে একদিন দেওয়া উচিত নাকি উচিত নয়।

Back to top button