শ্যামলী বাড়ি ছাড়তেই ঘোর অমঙ্গল ঘনিয়ে এলো অনিকেতের জীবনে! স্বামীকে বাঁচাতে ফিরছে শ্যামলী!

বেশ কিছুদিন আগে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe)। শুরু থেকেই ধারাবাহিকটি নজর কেড়েছে দর্শকমহলের। ধারাবাহিকের টিআরপিও বেশ ভালো জায়গায় অবস্থান করছে। এই ধারাবাহিকে নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্যকে এবং নায়ক হিসেবে দেখা যাচ্ছে জনপ্রিয় অভিনেতা রনজয় বিষ্নুকে। ধারাবাহিকের পর্দায় প্রথমবার জুটি হিসেবে অভিনয় করছেন এই অভিনেতা অভিনেত্রী।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলের জন্য ইতিমধ্যেই কিঞ্জলকে হারিয়েছে নায়কের মা। সে তার আরেক ছেলে অনিকেতকে কোনোভাবেই হারাতে চায় না তাই বারবার শ্যামলীর থেকে তাকে দূরে রাখার চেষ্টা করে। অপরাজিতার মানসিক অশান্তি কমাতে শ্যামলীকে চিরকালের জন্য বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে অনেকেতের বাবা। শ্যামলী ফেরাতে পারেনি তার বড় বাবুকে কারণ তারাই শ্যামলীকে অন্য দিয়েছে বাসস্থান দিয়েছে। শ্যামলী কথা দেয় সে এই বাড়ি ছেড়ে অনেক দূরে চলে যাবে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, শ্যামলী আবার চলে আসে সেই দোকানে আর সেই দোকানের নিচেই শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। সকাল বেলা দোকান খুলতে এসে তাকে দেখতে পায় দোকানের মালিক। তিনি শ্যামলীকে বলেন, এইরকম একটা সময়ে এখানে সে শুয়ে রয়েছে কেন? শ্যামলী তাকে জানায়, সে তার সমস্ত অধিকার ছেড়ে দিয়ে বাড়িঘর ছেড়ে দিয়ে চিরকালের মতো বেরিয়ে এসেছে। তাকে কি এই দোকানে একটু জায়গা দেওয়া যাবে? সে কাজ করবে আর কোথাও একটা শুয়ে পড়বে। তখন সেই ভদ্রলোক বলেন শ্যামলী এখানে নয় বরং তার সাথে তার বাড়িতেই থাকবে এই কথাটা শুনে খুশি হয়ে যায় সে।

আরও পড়ুন- হাইওয়ের সামনে দাঁড়িয়ে সৌমীতৃষা! হাতে ওটা কী! সাবধান করলেন অনুরাগীরা

অন্যদিকে শ্যামলী বিদায় হতেই বাড়িতে বড় করে পূজোর আয়োজন করে অপরাজিতা। বাড়িতে পুজো হচ্ছে দেখে অবাক হয়ে যায় ঠাম্মি। শেষ রোজা চলে যায় শ্যামলীর ঘরে। সেখানে গিয়ে সে দেখতে পায় না আছে শ্যামলী আর না আছে তার মহেশ্বর। ঠাম্মি বুঝে যায় শ্যামলী বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। এরপর এই নিয়ে সে অপরাজিতার কাছে কৈফিয়ত চাইলে, অপরাজিতা স্পষ্ট জানায় অলক্ষী বিদায় হয়েছে এবার এই বাড়িতে সব ভালো হবে।

শ্যামলী কে নিয়ে অনিকেত খুব চিন্তায় পড়ে যায়। অনিকেত বলে শ্যামলী এই নিয়ে বড় কোন ঝামেলা সৃষ্টি করতে পারে। তখন অপরাজিতা বলে ওকে আগের থেকেই লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে যে ও নিজের ইচ্ছায় বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছে আর সেখানে শ্যামলীর সই আছে তাই এই নিয়ে চিন্তা করার কোন দরকার নেই। এদিকে রান্না করছে শ্যামলী, সেই সময় এক সাধু বাবা এসে শ্যামলীর কাছে খাবার চায়। তার কাছে টাকা না থাকা সত্ত্বেও শ্যামলী যত্ন করে সাধু বাবাকে খাওয়ায়। সাধুবাবা শ্যামলীর মাথায় হাত রেখে শ্যামলীকে জানায় তার স্বামীরিক জীবনে ঘোর অমঙ্গল ঘনিয়ে এসেছে। কথাটা শুনে ভীষণ ভয় পেয়ে যায় শ্যামলী।

Back to top button