শ্যামলীর দিকে ডিভোর্স পেপার এগিয়ে দিল অনিকেত, ভালবাসার পরীক্ষা পাশ করবে শ্যামলী?

যারা সব সময় মানুষের ভালো চায়, তাদের ভালো চাওয়ার মতন কেউ থাকেনা। তাদের ভালোবাসার মানুষের অভাব সব থেকে বেশি হয়। সেটাই প্রমাণ করলো জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় নবাগত ধারাবাহিক কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) এর নায়িকা শ্যামলী। বর্তমানে টিআরপি তালিকায় ধারাবাহিকটি তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে। একটু একটু করে দর্শকদের মনে নিজের জায়গা পরিপক্ক করছে এই মেগা।
সে এই ধারাবাহিকে দুটি ভিন্ন ভূমিকা পালন করছে। একাধারে সে ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলী আবার অন্যদিকে সেই হল তিস্তা। ধারাবাহিকের নায়ক অনিকেত শ্যামলীকে পছন্দ না করলেও সে তিস্তাকে খুবই ভালোবাসে। অন্যদিকে অনিকেতের মা অপরাজিতা শ্যামলীকে একটুও সহ্য করতে পারে না কিন্তু তিস্তাকে নিজের বাড়ির বউ করার জন্য ব্যস্ত।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, ধারাবাহিকের নায়িকা শ্যামলী এই মুহূর্তে জোড়া পরিবারের প্রায় প্রতিটি সদস্যের নয়নের মণি হয়ে উঠেছে। সে গোটা জোড়া পরিবার এবং তাদের এতদিনকার তিলে তিলে গড়ে তোলা কোম্পানি দ্য গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারারের জন্য যা করেছে সেটা হয়তো তাদের নিজেদের পরিবারের ছেলেরাও কখনো করবে না। নিজেদের কোম্পানি থেকে টাকা চুরি করে সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে প্রমাণ করে দিয়েছে অরুণাভ। কিন্তু এত কিছু পরেও শ্যামলীর কপালে সুখ লেখা নেই।
সম্প্রতি এই ধারাবাহিকের একটি নতুন প্রোমো ভিডিও সম্প্রচারিত হয়েছে। এখানে দেখা যাচ্ছে, শ্যামলীকে নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে গিয়েছে অনিকেত। শ্যামলী তাই ভীষণ খুশি। সে মনে মনে নিজের স্যারকে নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক স্বপ্ন সাজিয়ে ফেলেছে। কিন্তু শ্যামলীকে নিয়ে বা তার প্রতি একটু আগ্রহী নয় অনিকেত। সে শুধুমাত্র তিস্তাকেই ভালবাসে। কারণ সে জানেনা শ্যামলীই আসলে তিস্তা।
আরও পড়ুন: জ্যাসের কাছে ধরা পড়ে গেলো উৎসব! উত্তীয়র অফারে লোভ সামলাতে পারল না চন্দ্রনাথ!
শুরু হলো শ্যামলীর ভালোবাসার পরীক্ষা
অনিকেত শ্যামলীকে বলে, সে তাদের পরিবারের জন্য এবং তাদের দ্য গ্রেট বেঙ্গল ক্যাটারার এর জন্য অনেক কিছু করেছে। শ্যামলী না থাকলে হয়তো তারা সেইসব বিপদ থেকে কখনোই মুক্ত হতে পারত না। সে ছিল বলেই এত ভালো এত বড় একটা ডিল তারা পেয়েছে। কিন্তু এইবার শ্যামলীকে তার নিজের রাস্তাটা দেখে নিতে হবে। এই বলে ডিভোর্স পেপার এগিয়ে দেয় তার দিকে। বাড়ির প্রত্যেকে শ্যামলীকে জিজ্ঞাসা করে সে ডিভোর্স দিতে বারণ করে দিয়েছে তো? শ্যামলী বলে সে জোর করে কাউকে আটকে রাখতে চায় না। এবার সেও দেখতে চায় তার স্যার কাকে বেছে নেয়, শ্যামলী নাকি তিস্তা কে।

