নিজের ভুল বুঝতে পেরে কান্নায় ভেঙে পড়লো অনিকেত, নিজেকে যোগ্য প্রমাণ করার অঙ্গীকার নিলো শ্যামলী!

প্রথম থেকেই নায়ক নায়িকার সম্পর্কটাকে একেবারেই মেনে নিতে পারেনি জি বাংলার (Zee Bangla) কোন গোপনে মন ভেসেছে (Kon Gopone Mon Bhesechhe) ধারাবাহিকটির অন্যতম প্রধান চরিত্র নায়কের মা অপরাজিতা। তাই বর্তমানে নায়িকা শ্যামলীর জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিষহ। ধারাবাহিকটি এতটাই জমে উঠেছে যে টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে একেবারে জাকিয়ে বসেছে শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই।
ধারাবাহিকের বর্তমান গল্প অনুযায়ী, অপরাজিতা কিছুতেই শ্যামলীকে মেনে নিতে পারছিল না। তাই সে অনিকেতকে তার এবং শ্যামলীর মধ্যে একজনকে বেছে নিতে বলে। অনিকেত এই কথার পর আর কিছুই বলতে পারে না কারণ যেটাই হয়ে যাক না কেন তাকে তার মাকেই বেছে নিতে হবে। অবশেষে শ্যামলীকে ডিভোর্স পেপার ধরিয়ে দেয় অনিকেত।
অনিকেতকে ডিভোর্স দিয়ে দেয় শ্যামলী
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, অনিকেত ডিভোর্স পেপারটা শ্যামলীর হাতে দিতেই শ্যামলী বলে, “আপনি আমার কাছে ভগবান। আপনি না থাকলে আমি এত আলোর মধ্যে বাঁচতে পারতাম না। তাই আজ যখন আপনি আমার থেকে মুক্তি চাইছেন, এটুকু তো আমি দিতেই পারি। আমি আপনাকে মুক্তি দিলাম স্যার।” এই বলে সই করে অনিকেতকে পেপারটা ধরিয়ে দেয় শ্যামলী। আর তারপর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। ঠিক তখনই ঘরে চলে আসে অপরাজিতা এবং অপলা। দুজনে ভাবে হয়তো শ্যামলী ডিভোর্সটা দেয়নি। কিন্তু অনিকেত তাদের ভুল ভেঙে দেয়। তার পাশাপাশি এটাও বলে, শ্যামলীর মতন একটা ভালো মেয়েকে সে হারিয়ে ফেলল।
নিজেকে তিস্তার থেকেও যোগ্য প্রমাণ করবে শ্যামলী!
শ্যামলী ঘরে এসে তার মহেশ্বরকে বলে, “তাহলে এটাই চেয়েছিলে তুমি তাইতো? এমনটা কেন করলে মহেশ্বর?” ঠাম্মি তাড়াতাড়ি এসে শ্যামলীকে জিজ্ঞাসা করে অনিকেত কি তার সাথে আবার রেজিস্ট্রি করতে চায়? শ্যামলী বলে, স্যার তার থেকে ডিভোর্স চেয়েছে আর সে সেই পেপারে সই করে দিয়েছে। ঠাম্মি বলে এটা সে একেবারেই ঠিক কাজ করেনি। শ্যামলী তখন ঠাম্মিকে বলে, “কাউকে জোর করে আটকে রাখা যায় না। আর আজ তিস্তার জন্য স্যার আমাকে ছেড়ে দিয়েছে তো? আমি ওর থেকেও যোগ্য হয়ে উঠবো।” শ্যামলীর মনের জোর মুগ্ধ করে ঠাম্মিকে।
আরও পড়ুন: ইশার বুদ্ধিতে পর্ণাকে মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নিল অয়ন! অপারেশনের পর ডাক্তারের কথা শুনে ভয় পেয়ে গেল সৃজন!
অনিকেতের উপর প্রচন্ড রেগে যায় দাদু
এই কথাটা যখন বাড়ির প্রত্যেকে জানতে পারে বিশেষ করে ফনী দাদু আর মনি দাদু জানতে পারে, তখন মারাত্মক রেগে যায় অনিকেতের ওপর। তারা বলে, “অনিকেত তুমি এটা একদম ঠিক কাজ করোনি। আমরা কি মরে গেছি? এখন বড় বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাদেরকে জানানোর প্রয়োজন বোধ করা হয় না। ডিভোর্সটা দেওয়ার আগে তোমার উচিত ছিল আমাদের সঙ্গে আলোচনা করা।” শ্যামলী তখন বলে, স্যার তার থেকে মুক্তি চেয়েছে আর এতেই স্যার ভালো থাকবে তাই কেউ যেন স্যারকে বকাবকি না করে। এটা শুনে আরো কষ্ট পায় অনিকেত।

