‘আমি পাবলিক ফিগার হতে চাই, পাবলিক প্রপার্টি হতে চাই না!’ অভিনয় জীবন নিয়ে কেন এমন বক্তব্য রাখলেন অলিভিয়া

চেনা ফ্লোর, চেনা পরিবেশ, সকাল থেকে সন্ধে-রাতের সেই চেনা সমীকরণে ফেরা। মাঝে শুধু কেটে গিয়েছে চার-চারটে বছর। তবে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে তাঁর মনে কোনও সংশয় নেই। কার কথা বলছি বলুন তো? অলিভিয়া সরকার। আপনারা তো তাঁকে দেখছেনই, ধারাবাহিক রাঙাবৌ-তে। সিরিয়ালের দুনিয়া থেকে দূরে এই চারটে বছর কেমন কাটালেন তিনি?

অভিনেত্রী অলিভিয়া সরকারের অভিনয়ের শুরু

একদম শুরুটা কেমন ছিল কতটা সাপোর্ট পেয়েছিলেন তিনি বাড়ি থেকে? অভিনেত্রী জানান, ছোটবেলা থেকে নাচ করতে খুব পছন্দ করতাম আর সেই সূত্রেই কলকাতায় আসা, বাড়িতে বাবা কখনো এই প্রফেশনটাকে মেনে নেননি। একবার লুকিয়ে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম আর সেটা বাবা জানতে পেরে ভীষণ বকেছিল। কিন্তু মা সবসময় খুব সাপোর্ট করেছে। তারপর নিজের গণ্ডি থেকে বেরিয়ে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করা। শুরুটা অতটাও মসৃণ ছিল না এখনো যে সব মসৃণ তেমনটাও নয়, তবে হ্যাঁ এখন মানুষ আমাকে চেনে আর ভালোবাসে।

কত বছর ধরে কাজ করছেন ইন্ডাস্ট্রিতে?

প্রায় ১৫ বছর হয়ে গেল ইন্ডাস্ট্রিতে, কখনো কোন খারাপ এক্সপেরিয়েন্স হয়েছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ অবশ্যই হয়েছে। আমার মনে আছে তখন আমি প্রথম প্রথম অভিনয় শুরু করেছি। তখন আমায় ওই ইন্ডাস্ট্রিরই একজন বলেছিলেন তুই দুর্গাপুরে বসে কি করে জানলি শহরে এমন একটা ইন্ডাস্ট্রি আছে সেখানে অভিনয় করা যায় খেতেও পাওয়া যায়। আমার ভীষণ খারাপ লেগেছিল, তারপর থেকে আমি ইন্ডাস্ট্রিতে খাই না। আমি নিজের কাজ করি আর কাজ মিটিয়ে ফিরে আসি। সেদিনের কথাটা আমার আজও মনে আছে আর আগামী ১০ বছর পরেও মনে থাকবে।

জীবনে কখনো রিজেকশন পেতে হয়েছে অভিনেত্রীকে? অলিভিয়া জানান, আমি সব সময় রিজেকশন পেয়েছি সব জায়গায় রিজেক্ট হয়েছি। এমনও হয়েছে লুক সেট হওয়ার পর আমাকে বলা হয়েছে অলিভিয়া তোমায় আর আসতে হবে না আমি অন্য কাউকে কাস্ট করবো। আবার এমনও দেখতে পেয়েছি আমার পাওয়া চরিত্র অন্য কেউ নিয়ে নিয়েছে। রিজেকশন প্রথম থেকেই পেয়ে এসেছি তবে কখনো গিভ আপ করিনি। আর সেটা আমি করবোও না। যত বড়ই রিজেকশান আসুক না কেন আমি ঠিক ওভারকাম করবো।

অলিভিয়া সামাজিকভাবে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় কতটা অ্যাকটিভ? তার মতে, আমি মনে করি মানুষ যাকে চাইলেই দেখতে পায় তাকে মানুষ কেন দেখবে? আজ সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই যদি তাকে বিভিন্ন রূপে মানুষ দেখতে পেয়ে যায় তাহলে তার জন্য সাবস্ক্রিপশন নিয়ে আলাদা করে তো কিছু দেখার মানে হয় না। কিন্তু মানুষ যাকে দেখতে পায় না তার ওপর মানুষের আগ্রহ অনেক বেশি থাকে। আর আমি সবসময়ই একজন পাবলিক ফিগার হতে চেয়েছি। কখনোই পাবলিক প্রপার্টি হতে চাইনি। মানে আমার জীবন নিয়ে কাটাছেঁড়া করবে এটা আমি পছন্দ করি না। আমি ভীষণ একা থাকতে পছন্দ করি আর নিজের জীবনটাকে নিজের গণ্ডির মধ্যে রাখতে পছন্দ করি।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Jit Satya (@jitsatyaofficial)

Back to top button