রোজকার উপার্জন হবে চার থেকে পাঁচ হাজার! পর্ণার বুদ্ধিতে আনন্দে লাফিয়ে উঠলো জেঠু, রক্ষা পেল দত্ত বাড়ি!

জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের প্রতি দর্শকদের যে ভালোলাগার সৃষ্টি হয়েছে তার অন্যতম কারণ হলো ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণার বুদ্ধিমত্তা। প্রত্যেকবার প্রতিটা বিপদ থেকে সে নিজের মাথা খাটিয়ে যেভাবে প্রত্যেককে উদ্ধার করে এবং ভেঙে যাওয়া থেকে ফের জোড়া লাগায়, সেই সমগ্র বিষয়টা দর্শকদের ভীষণ আনন্দ দেয়। শুরু থেকেই ধারাবাহিকটির টিআরপি বেশ ঊর্ধ্বমুখী। এই ধারাবাহিকে নায়িকার চরিত্র রয়েছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী পল্লবী শর্মা এবং নায়কের চরিত্রে রয়েছে অভিনেতা রুবেল দাস।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, বাড়ির দুটি অর্থসংস্থান বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সৃজনের শাড়ির কথা এবং জেঠুর ব্যবসা দুটোই এখন ইশার দৌলাতে লাটে উঠেছে। তাই এবার অখিলেশ অর্থাৎ জেঠুর চোখ পড়েছে এই বাড়ির দিকে। অয়ন নিজের বাবাকে বুঝিয়েছে, এই বাড়িটা বিক্রি করলে অনেক টাকা পাওয়া যাবে আর একটা ফ্ল্যাটও পাওয়া যাবে। কিন্তু ঠাম্মি সেটা চায় না। এই নিয়েই বাড়িতে ভাইয়ে ভাইয়ে হাতাহাতি লেগে গেলে শেষমেশ তিনিও এতে সম্মতি দিয়ে দেন। তবে পর্ণা এমন একটা উপায় বাতলায় যাতে জেঠুও অবাক হয়ে যায়।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, উকিল চলে এসেছে বাড়িতে। তাকে দেখে কৃষ্ণা সৃজনের বাবাকে বলে, “এইবার তুমি আর কোনো বাধা দেবে না, ওরা যদি ওদের ভাগ বুঝে নিতে পারে আমরাও আমাদের ভাগ বুঝে নেব।” কিন্তু সৃজনের বাবা এই দত্ত বাড়ির স্মৃতি কিছুতেই মন থেকে মুছে ফেলতে পারছে না, সে ভাবতেই পারছে না এতদিনকার এই ঐতিহ্য বিক্রি হয়ে যেতে চলেছে। এরপর বুকে পাথর রেখে ঠাম্মি বাড়ি ভাগ করার পেপারে সই করতে গেলে পর্ণা এসে পেনটা নিয়ে নেয় আর বলে এই বাড়ি ভাগ হবে না। ব্যাঘাত দেওয়ায় তাকে আবার দু চার কথা শুনিয়ে দেয় জেঠু কিন্তু পর্ণা তাদেরকে বুঝিয়ে বলে তার কাছে এমন একটা প্ল্যান আছে যেটায় এত লাভ হবে যা বাড়ি বিক্রি করেও হবে না।

এরপর সে বলে, “এই বাড়িটা অনেকদিন পুরনো এবং অনেক ঐতিহ্যপূর্ণ। আর এই বাড়িতে অনেক জায়গাও রয়েছে যেটাকে আমরা কাজে লাগাতে পারি। আমরা এই বাড়ি থেকেই উপার্জন করব। দত্ত বাড়ির একদিকে হবে শাড়ির কথার একটা স্টল যেখানে আমাদের কাছে থেকে যাওয়া কিছু শাড়ির এক্সিবিশন হবে। আরেক দিকে হবে জেঠুর মশলার দোকান। অন্য দিকটায় ঠাম্মির তিলের নাড়ু এসবের একটা ছোট স্টল। এছাড়াও এই বাড়ির অনেক ঘর ফাঁকা পড়ে রয়েছে, সেখানে আমরা গেস্টদের আনব। কারণ অনেকেই বাড়িতে থাকতে পছন্দ করে হোটেলের তুলনায়।” শুনে প্রথমে না না করলেও যখন চয়ন বলে এতে প্রতিদিন চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা অর্থাৎ মাসে প্রায় ৯০ হাজার টাকা ইনকাম হবে তখনই এক নিমেষে রাজি হয়ে যায় জেঠু।

পর্ণার বুদ্ধিতে আরো একবার রক্ষা পায় দত্ত বাড়ি। জেঠু নিজেই উকিলকে চলে যেতে বলেন। পর্ণার কথা যে সবাই মেনে নিয়েছে এটা আবারও সহ্য করতে পারে না কৃষ্ণা আর মৌমিতা। মৌমিতা তাড়াতাড়ি গিয়ে সবটা ইশাকে জানায়। আরো একবার হেরে যাওয়ায় ভীষণ রেগে যায় ইশা। এরপর সে মৌমিতাকে বলে, এতগুলো টাকা পর্ণা কার থেকে ধার করে এনেছে এটা জানাটা তার খুব জরুরী, তাই এটা যেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব জানায় মৌমিতা।

Back to top button