বাজুরিয়ার কাছে বাড়ি বেচতে উদ্যাত অখিলেশ, লোনের সাড়ে সাত লক্ষ টাকা কোথা থেকে দেবে পর্ণা?

চোখের সামনে একটু একটু করে ছারখার হয়ে যাচ্ছে বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা এবং তার শ্বশুরবাড়ি। ইশার চক্রান্তে এক এক করে সমস্ত অর্থসংস্থানের পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তাদের জীবনে। তবুও তারা চেষ্টা করে চলেছে ঘুরে দাঁড়ানোর। দ্বিতীয় ঝড় এখনো সামলে উঠতে পারেনি তারা এর মাঝেই নতুন ঝড় নেমে এলো পর্ণার জীবনে।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, সৃজনের বোকামিকে কাজে লাগিয়ে শাড়ির কথার গোডাউনে আগুন লাগিয়ে দেয় ইশা। তারপর সৃজনকে ঠাই দেয় অখিলেশ। সেই দোকানের মশলায় কেমিক্যাল মিশিয়ে আবারো তাদের বিপদের মুখে ফেলে ইশা। এই মুহূর্তে দত্তবাড়ি একেবারে ভেঙে পড়েছে। আর এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে আবার একটা চাল চললো সে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, পর্ণার কথায় খটকা লাগে মৌমিতা আর অয়নের। তাই তারা সবাই নষ্ট না করে সকাল হতে না হতেই চলে যায় ইশার বাড়ি। তাকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করে, এই দোকানে কেমিক্যাল মেশানোর কাজে কি কোনভাবে ইশার হাত ছিল? ইশা তখন ভালো মানুষ সেজে মৌমিতাকে বলে, তাদের সমস্ত বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছে সে নিজে। আর আজ তাকে এত বড় অপবাদ দেওয়া হচ্ছে! মৌমিতা এতোটুকুতেই গলে যায় ইশার প্রতি। তারা চলে যেতেই ইশা মনে মনে বলে, “স্বার্থে ঘা লাগলে এই আমি কোন বন্ধুকেই চিনি না। তোমরা তো কোন ছাড়। তোমাদের সবাইকে রাস্তায় না বসানো অব্দি আমার শান্তি নেই।”

এরপর দেখা যায় জেঠি একটা ফর্দ এনে জেঠুকে সেটা বাজার থেকে আনতে বললে, জেঠু সেই ফর্দটা ছিড়ে ফেলে বলে, রোজ এতো ভালো-মন্দ খাওয়া বন্ধ করা হোক। আজ খাবার জুটছে কাল নাও জুটতে পারে। জেঠুর চিৎকার চেঁচামেচিতে জড়ো হয়ে যায় বাড়ির লোকজন। রুচিরা তার শ্বশুর মশাইকে এতো উত্তেজিত হতে বারণ করে। যখন তাদের পরিবারে এত ঝামেলা চলছে ঠিক সেই সময় একগাদা মুদির জিনিসপত্র এবং শাক সবজি মাছ নিয়ে ঢুকে পরে বাজুরিয়া। তাকে দত্তবাড়ির এই পরিস্থিতির খবর দিয়েছে ইশা। ইশার সাথে তার একটি ডিল হয়, এই দত্তবাড়ি বিক্রি হলে তার টোয়েন্টি পার্সেন্ট শেয়ার পাবে সে।

বাজুড়িয়া সবাইকে বলে, তিনি জানতে পেরেছেন দত্ত বাড়ির অবস্থা ভালো না, তাই তিনি সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন। তার কাছে একটা অফার আছে। এই বাড়িটা বিক্রি করে দিলে তারা অনেক টাকা পাবে, একটি করে ফ্ল্যাট পাবে। অখিলেশ এই প্রস্তাবে রাজি হয়ে গেলেও ঠাম্মি কিছুতেই মানতে চায় না। বাড়ির প্রত্যেকে এর বিরোধিতা করে। তখন বাজুড়িয়া তার টাকা ফেরত চায়। সে এখনো সাড়ে সাত লক্ষ টাকা পাবে আর সেটা তার একদিনের মধ্যেই দরকার। পর্ণা কীভাবে জোগাড় করবে এত টাকা?

Back to top button