পর্ণার স্মৃতি ফেরানোর দায়িত্ব নিলো অখিলেশ! নতুন করে গল্প সাজালো সে, পর্ণাকে মারতে নতুন ফন্দি আঁটলো সুইটি

অনেক কষ্ট করে ডাক্তারদের প্রচেষ্টায় এবং সবার প্রার্থনায় সুস্থ হয়ে উঠছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। তবে এই সপ্তাহে ধারাবাহিকের টিআরপি অনেকটাই পড়েছে। বেশ কয়েক সপ্তাহ পর প্রথম স্থান ছেড়ে অনেকটাই নিচে নেমে গিয়েছে এই মেগা। তবে দর্শকদের ধারণা, ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক প্লট ফেল নিম ফুলের মধুকে আগের জায়গা ফিরিয়ে দেবে।।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়াই করতে করতে অবশেষে জয়লাভ করেছে। তবে তার সাথে ঘটে গেছে এক চরম দুর্ঘটনা। সে বিগত ১০ বছরের সমস্ত স্মৃতিশক্তি একেবারে হারিয়ে ফেলেছে। তার আর নিজের স্বামী সন্তান শ্বশুরবাড়ি চাকরি ইউনিভার্সিটি কোন কিছুর কথাই মনে নেই। তার স্মৃতি থমকে গেছে নিজের কলেজ জীবনে। তবে সৃজন প্রতিজ্ঞা করেছে সে পর্ণার স্মৃতিশক্তি ঠিক ফিরিয়ে আনবে।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ১৬ মে (Neem Phuler Modhu Today Episode 16 may)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, সৃজন পিকলুকে বলে, পর্ণার ঠিক কত দূর অব্দি মনে আছে সেটা আগে তাদেরকে জানতে হবে। তারপর সেইখান থেকে গল্প লেখা শুরু করতে হবে। আর এটা একমাত্র করতে পারবে পিকলু। কারণ এই মুহূর্তে পিকলু ছাড়া পর্ণা আর কাউকেই চিনতে পারবে না। পিকলু অনেক কষ্ট করে নিজের কান্না চেপে নিজের দিদির কাছে যায়। কথাবার্তা বলেছে জানতে পারে, কলেজের রেজাল্ট নিয়ে বেরোনো অবধি সবই মনে রয়েছে তার।

অখিলেশের বুদ্ধিতে ফের দত্তবাড়িতে পর্ণা

বাড়ি গিয়ে অখিলেশ এবং পরিবারের প্রত্যেকে মিলে একটা পরিকল্পনা করে। সে ঠিক করে, পর্ণাকে প্রথমে এই বাড়িতে আনতে হবে। কিন্তু ও এমনি এমনি এখানে আসতে চাইবে না। তাই ওকে বলতে হবে ওর বাড়িতে কাজ হচ্ছে। যদিও তার পরেও ও নিজের বাড়িতে যাবে, সেখানে গিয়ে যেন ও সত্যিই দেখে বাড়িতে কাজ চলছে। সৃজনের বাবাকে পর্ণার বাবা সাজাতে হবে। জেঠুর পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত দত্ত বাড়িতে আসতে রাজি হয়ে যায় ধারাবাহিকের নায়িকা। সৃজন নিজেকে তার বাবার বন্ধুর ছেলে হিসেবে পরিচয় দেয়।

আরও পড়ুন: রোহিনীর মাথায় সিঁদুর! দেখে অবাক হয়ে গেল শ্যামলী, প্রতীকের থেকে সব শুনে দিশাহারা অনিকেত

পর্ণাকে মারার নতুন প্ল্যান ফাঁদলো সুইট

অয়ন আর মৌমিতা দুজন মিলে এটা ওটা নানা রকম কথাবার্তা বলে অনেক চেষ্টা করে বিষয়টাকে থামানোর। কিন্তু এখানে এসে যেন দত্ত পরিবার আবার মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। দত্ত পরিবারের মাঝে যে বেড়া তারা দিয়েছিল সেটা যেন ক্রমশ ফিকে হতে থাকে। কিন্তু সুইটি ঠিক করে সে এত তাড়াতাড়ি সবটা ছেড়ে দেবে না। পর্ণা বাড়িতে এলেই তার মাথার উপর চাপ সৃষ্টি করবে সে, যার ফলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে পর্ণার।

Back to top button