‘ভালো করে দোকান সামলাবি’- পর্ণার কথায় রাজি হয়ে সৃজনের দিকে সাহায্যের হাত বাড়ালো জেঠু

এই মুহূর্তে বেকারত্বের কষ্ট, লজ্জা একটু একটু করে শেষ করে দিচ্ছে জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়ক সৃজনকে। এই অবস্থা থেকে তাকে বের করার জন্য নানা রকম চেষ্টা করছে তার স্ত্রী অর্থাৎ ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণা। অবশেষে কোন উপায় না পেয়ে জেঠুর কাছেই হাত পাততে হয়েছে তাকে।

এই ধারাবাহিকটি শুরু থেকেই একেবারে সহজ সাদামাটা একটি পারিবারিক গল্পকে দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করছে। যেহেতু বাস্তবে খুব একটা একান্নবর্তী পরিবার দেখা যায় না তাই ধারাবাহিকের পর্দায় এমন বড় পরিবার এবং পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যের মিলেমিশে থাকাকে দেখতে বেশ পছন্দ করেন ভক্তরা। আর ঠিক তেমনটাই দেখা যাচ্ছে নিম ফুলের মধু ধারাবাহিকে। পরিবারে খারাপ মানুষের পাশাপাশি ভালো মানুষের অভাব নেই। একজনের বিপদে পাশে এসে দাড়াচ্ছে অন্যজন। আর এই বিষয়গুলি দর্শকদের মনে আনন্দ সৃষ্টি করছে।

ইশা শাড়ির কথার গোডাউনে আগুন লাগিয়ে সৃজন এবং তার গোটা পরিবারের অনেক বড় ক্ষতি করে দিয়েছে। কিন্তু এই বিপদেও ভেঙে পড়েনি পর্ণা। সে নানা রকম ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সৃজনকে এই বিপদ থেকে মুক্ত করার এবং আসল অপরাধীদের পাকড়াও করে শাস্তি দেওয়ার। কিন্তু যত সময় এগোচ্ছে সবটাই তার হাতের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে, কারণ একটু একটু করে হীনমন্যতায় ভুগতে ভুগতে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছে সৃজন। পর্ণা খুব ভালোভাবেই বুঝতে পারছিল, সৃজনের যেকোনো একটা কাজের খুব প্রয়োজন।

এই দিনের পর্বে দেখা যায়, পর্ণা অখিলেশ অর্থাৎ সৃজন এর জেঠুর কাছে এসে তাকে বলে, “যতদিন না কোন ব্যবস্থা হচ্ছে ততদিন অব্দি যদি সৃজনকে অন্তত দুপুর বেলাটা দোকানে বসানো যেত তাহলে ওর মনটা একটু অন্যদিকে ঘুরতো। চিন্তা করতে করতে হীনমন্যতায় ভুগতে ভুগতে ছেলেটা শেষ হয়ে যাচ্ছে।” পর্ণার কথা গুলো বিবেচনা করে জেঠু এই অনুরোধে রাজি হয়ে যায়। যদিও তাতে তার ছেলে অয়ন এবং ছেলের বউ মৌমিতার কোন মত ছিল না।

আরও পড়ুন: “আপনাদের দোকানে সৃজনকে একটু বসতে দেবেন জেঠু?” কোন উপায় না পেয়ে অখিলেশ এর কাছে হাত পাতলো পর্ণা!

ধারাবাহিকের আগামী পর্বে দেখা যাবে, অখিলেশ অর্থাৎ সৃজনের জেঠু সৃজন এর হাতে দোকানের চাবি তুলে দিয়ে বলছে, “ভালো করে দোকান সামলাবি।” অন্যদিকে পর্ণা পাড়ার বউ সেজে জিরে গুড়োর প্যাকেট আনার ছলে সৃজনের সঙ্গে রসিকতা করছে। এই কাজের বাহানায় চিন্তামুক্ত হয়েছে সৃজন। তবে এখানেও তাকে শান্তিতে থাকতে দেবে না ইশা। সে জেলে গিয়ে রনির সাথে দেখা করে আর বলে এইবার নেক্সট টার্গেট মসলার দোকান।

Back to top button