“আপনাদের নতুন করে শিক্ষা দিতে হবে না,পারলে মায়ের কাছে ফিরে যেতাম”,প্রেমিক নাকি মা এই সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝে বিস্ফোরক অহনা

বর্তমানে দর্শকদের মাঝে বেশ সমালোচিত হচ্ছেন অনুরাগের ছোঁয়ার ভিলেন মিশকা ওরফে অহনা দত্ত। নিজের অভিনয় দক্ষতার জোরে ডেবিউ সিরিয়াল দিয়েই দর্শকদের মনে জায়গা করেছেন তিনি। তবে এই মুহূর্তে নেটিজেনরা রিয়েল লাইফেও ভিলেন বানিয়ে ফেলেছেন অহনাকে। যার পিছনে আছে অভিনেত্রী মায়ের করা জন্মদিনের একটি পোস্ট। যেখানে চাঁদনী লেখেন, ‘২০০৩-এ এই দিনটাই বেঁচে থাকার একটা মানে খুঁজে পেয়েছিলাম। সেটাও দীপঙ্কর রায় আমার থেকে কেড়ে নিল। আজ আমার চেয়ে খারাপ কেউ না। তাও বলবো বেঁচে থাকার অধিকারটাও যে কেড়ে নিল তার ভালো হোক, শুভ জন্মদিন।’
অহনার মা-বাবার মধ্যে ডিভোর্স হয়ে যায়। বাবার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর মেয়েকে একা হাতেই বড় করেছেন চাঁদনী। একসঙ্গে মা-মেয়েকে দেখা গিয়েছেন একটি ডান্স রিয়েলিটি শো-তেও। এত কষ্ট করে যে মা তিলে তিলে বড় করে তুলেছেন, তাঁর মনে কষ্ট দেওয়া ও তাঁকে একা ছাড়ার জন্য আপাতত নেটপাড়া কাঠগড়ায় তুলেছে অহনাকে। শুধু তাই নয়, চাঁদনীর করা একটি পোস্টের ভিত্তিতে অহনার নামের সাথে জুড়ে গিয়েছে ঘর ভাঙানি ট্যাগও। অহনার জন্যই নাকি দীপঙ্করের বিবাহিত জীবনকে নষ্ট করেছে। যদিও অভিনেত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর আগেই ডিভোর্স হয় দীপঙ্করের। তাই ঘর ভাঙার প্রশ্নই আসে না।

দীপঙ্করের চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অহনার মা। যদিও টিভির মিশকা সেসব মানতে নারাজ। তাঁর সঙ্গে যথেষ্ট ভালো সম্পর্ক বারুইপুরে দীপঙ্করের পরিবারের। সেই বাড়িতেও তাঁর যাতায়াত আছে। অহনা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ‘মায়ের পোস্টের পর দীপঙ্করকে সকলে মিলে খলনায়ক বানিয়ে দিয়েছে। এখনও অবধি ওর কোনও দোষ আমার চোখে পড়েনি। যদি ৬০ বছরে গিয়ে চোখে পড়ে তখন না হয় সবাইকে জানাব। যদিও মনে হয় না অতদিন বাঁচব।’

এছাড়াও নিজের মায়ের সম্পর্কে বলতে গিয়ে অহনা বলেন, ‘দীপঙ্কর যে ডিভোর্সি তা মা-কে জানিয়েছিলাম। মা কোনওদিনই এই সম্পর্কটা মেনে নিতে পারেনি। এমন চেষ্টাও করেছিল যাতে অনুরাগের ছোঁয়া থেকে আমার বা দীপঙ্করের চাকরিটা চলে যায়। বাধ্য হই ওই বাড়ি ছেড়ে চলে আসতে।’

গোটা দর্শক মহলের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, ‘আমি চাই লোক আমার কাজ দিয়ে আমাকে মনে রাখুক। এসব বিতর্ক দিয়ে নয়। আর গত ১৯ বছরে আমার মা আমাকে যথেষ্ট শিক্ষা দিয়েছে। আপনাদের নতুন করে আমাকে শিক্ষা দিতে হবে না। পারলে মায়ের কাছে চলেই যেতাম। কার ভালো লাগে মায়ের থেকে দূরে থাকতে বা উঠতে বসতে নেটিজেনদের ট্রোল সহ্য করতে?’

