‘ঘুঁটে পোড়ে গোবর হাসে’, শিমুলকে শাশুড়ির কাছে খারাপ করতে নিজেই নিজের ক্ষতি করছে প্রতীক্ষা! বিয়ের পর তারও এই অবস্থা হবে বলছে দর্শক

কৃষ্ণা দত্তের পর টলিপাড়ার দজ্জাল শাশুড়ির তকমা যিনি পেয়েছেন তিনি হলেন শিমুলের শাশুড়ি। জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে একটি নতুন ধারাবাহিক ‘কার কাছে কই মনের কথা’ (Kar Kache Koi Moner Kotha)। ধারাবাহিকের নামেই রয়েছে একটা আবেগ। নামেই বোঝা যাচ্ছে বাড়ির বৌদের মনের কথা বোঝার মতো কেউ নেই, মনের কথা কাউকেই বলতে পারেনা।
দর্শকদের কথায় একেবারে বাস্তবতা তুলে ধরা হচ্ছে কার কাছে কই মনের কথা ধারাবাহিকে
একদিকে স্বামী বোঝেনা, অন্যদিকে শাশুড়ি অত্যাচার করে বৌমার উপর। বৌমাকে মেয়ে নয় দাসী ভাবে। আর এই বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে এই ধারাবাহিকের কাহিনীতে। দেখানো হয়েছে শাশুড়ির নির্মম অত্যাচার। কিছুতেই এক হতে দেয়না ছেলে-বৌমাকে। আর তাই ফুলশয্যার দিন বেহায়ার মতন বৌয়ের জায়গায় শুয়ে পড়েন মা। সেই ফুলশয্যা থেকে শুরু করে আজ অব্দি এক মুহূর্তের জন্য শিমুলের সাথে ভালো ব্যবহার করেননি তার শাশুড়ি।
শুরু থেকেই দেওর থেকে শাশুড়ি সকলের কাছেই অপমানিত শিমুল
বাড়ির প্রত্যেকের কাছে নানান ভাবে অপমানিত হচ্ছে শিমুল। এইবার তাকে অপমান অসম্মান করার দলে যোগ দিলো পলাশের হবু বউ প্রতীক্ষা। এদিন হারমোনিয়াম বাজিয়ে গান গাওয়ার জন্য পলাশ এবং পলাশের মা যাতা শোনাচ্ছিল শিমুলকে। তাদের তালে তাল মিলিয়ে প্রতীক্ষাও দু চার কথা শুনিয়ে দিল তাকে।
প্রতীক্ষা শিমুলকে বলে তার বাড়ির সংস্কৃতি এমন নয় যে ঘুঙুর পড়ে নাচনেওয়ালি সাজবে। তাদের ক্লাস শিমুলের থেকে অনেকটাই বেশি। তার এমন কুরুচি কাজ করার ইচ্ছাও কখনো নাকি হয়নি। কথাগুলি বলে যে সে শিমুলকে সবার সামনে আরো ছোট করতে চাইছে সেটা বুঝতে বাকি থাকে না কারোরই। তবে শিমুলও এদিন একটি খাঁটি কথা বলে।
এদিনের পর্বে দেখা গেছে প্রতীক্ষা শিমুলের গান গাওয়া বন্ধ করতে তাকে ছোট করলো
আজ প্রতীক্ষার পলাশের সাথে এখনো অবধি বিয়ে হয়নি কিন্তু দুদিন পরে তো হবে। তখন তো শিমুলের মতন তাকেও শুধু বাড়ির দাসী গিরি আর শাশুড়ি মার মুখ ঝামটাই খেতে হবে। আজ প্রতিক্ষার কাছে একটা চাকরি রয়েছে এবং পলাশ তাকে ভালবাসে, তাই জন্য এখনো অব্দি, এই বাড়িতে শাশুড়ি মায়ের সু নজরে রয়েছে সে। যেদিন সে চাকরিটা ছেড়ে পাকাপাকিভাবে বাড়ির বউ হয়ে যাবে সেদিন কি শিমুলের সঙ্গে আর কোন পার্থক্য থাকবে তার? এই পর্বটি দেখার পর দর্শকদের দাবি প্রতীক্ষাও খুব তাড়াতাড়ি যেন শিমুলের মতন অবস্থায় পড়ে। একমাত্র তখনই সে বুঝবে শিমুলের কষ্টগুলো।

