দুর্গা সাজতে গিয়েই বিপত্তি! ভারী পোশাক, চড়া মেকাপে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন অপরাজিতা আঢ্য! এত বছরের অভিনয় জীবন, প্রথম এমন অভিজ্ঞতার শিকার অভিনেত্রী!

বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির (Film Industry) জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন অপরাজিতা আঢ্য (Aparajita Auddy) দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিনেত্রী। টেলিভিশনের ছোট পর্দায় হোক বা বড় পর্দা সব জায়গাতে নিজের অভিনয়ের দক্ষতায় দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন অপরাজিতা। অভিনেত্রী বরাবরই একজন হাসিখুশি, খোলা মনের মানুষ। নিজেও ভালো থাকতে এবং পাশের মানুষগুলোকে ভালো রাখতে তিনি বরাবর ভালোবাসেন। তাই অসংখ্য মানুষের প্রিয় একজন অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য।

এতগুলো বছর ধরে নিজের অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিক, সিনেমা ওয়েব সিরিজে কাজ করেছেন। বিভিন্ন সময় তাকে বিভিন্ন চরিত্রে দেখে এসেছি আমরা। একই ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে কখনোই তাকে দেখা যায়নি। যার কারণে তিনি দর্শকদের কাছে আরো বেশি করে জনপ্রিয়। কখনো নিজের চরিত্র দিয়ে দর্শকের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন আবার কখনো গুরুগম্ভীর চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাকে। বাস্তবেও ভীষণই মজার মানুষ তিনি।

তবে এবারে অভিনেত্রী জীবনে নেমে এলো বিপর্যয়। দুর্গা হতে গিয়ে বিপত্তি নেমে এলো অভিনেত্রীর জীবনে। এমন একটা অন্ধকার দিন আসবে সেটা কেউই ভাবতে পারেনি। দুর্গা চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন। গুরুতর হয়ে পড়ে অভিনেত্রীর শারীরিক অবস্থা। কেমন আছেন বর্তমানে অভিনেত্রী সেই নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন ভক্তরা। একজন নারী কতটা অত্যাচার সহ্য করার পর এ রকম মরিয়া হয়ে ওঠে সেটাই বুঝতে পারছেন অপরাজিতা।

এ বছরের অভিনয় জীবনে অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হল অপরাজিতার। এত বছরের অভিনয় জীবনে শুটিং করতে গিয়ে প্রথম অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। মাথা ঘুরছিল মুখে জল দিয়ে বেশ কিছু ক্ষণ চুপ করে বসেছিলেন তারপর শুরু করেন শুটিং। সন্দীপ সাথীর আগামী ছবি ‘দুর্গা’তে তিনিই কেন্দ্রীয় চরিত্র। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘এক নারীর দশভূজা হয়ে ওঠার পিছনে যে কত ব্যথা লুকিয়ে থাকে, অভিনয় করতে গিয়ে টের পেয়েছি। সেই অনুভূতি এতটাই আচ্ছন্ন করে রেখেছিল যে অসুস্থ হয়ে পড়ি। বুকের মধ্যে ভীষণ আলোড়ন উঠেছিল।’

আরও পড়ুনঃ ‘মা তো এখানে নেই, তাই বাবার পাঞ্জাবি ঠিক করে দেওয়ার দায়িত্ব আমার…’- পুজোর মাঝেই বাবা মেয়ের অদ্ভুত মেলবন্ধন! বাবাকে নিজের সন্তানের মতন যত্ন করেন মিমি!

 

অভিনেত্রীকে সাক্ষাৎকারে জিজ্ঞাসা করা হয় আপনারও কি কোনও দিন সহ্যের বাঁধ ভেঙেছিল? অপরাজিতা বলেন, ‘অভিনয় করতে করতে ঠিক এই কথা আমিও ভেবেছি। ঘরের সমস্ত খুঁটিনাটিতে একজন মেয়েকেই প্রয়োজন। আবার প্রতিটি কাজে তাঁরই খুঁত ধরতে ব্যস্ত সকলে। সন্তান ভাল হলে সে পরিবারের। খারাপ হলে মায়ের দোষ! মেয়েদের প্রতি দিন অন্দরে, নিজের লোকের সঙ্গে লড়তে হয়। যাঁরা ভীরু, স্বার্থপর, তাঁরাই আত্মহত্যা করেন। না হলে মুখ বুজে সহ্য করেন। আমার পরিবার, আমার প্রিয়জনদের নিয়ে কেউ কিছু বললে আমি তখন ভীষণ খারাপ। পরিবারকে বাঁচাতে সব করতে পারি।’

Back to top button