হুবহু একরকম দেখতে দুটো মানুষ আদৌ কি হয়! ‘সিরিয়ালের সঙ্গে বিজ্ঞানকে মেলাতে যাবেন না তাহলে আপনি নিজেই বিজ্ঞান ভুলে যাবেন’, গল্পে অবাস্তবতা দেখানো নিয়ে হাসির খোরাক বাংলা ধারাবাহিক

বাংলা টেলিভিশনের গল্প নিয়ে এর আগেও বহুবার নানা রকম কটাক্ষ বা সমালোচনা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। ধারাবাহিক মানেই তাতে কিছুটা অবাস্তব গল্প থাকবে এখন এমনটাই ধারণা হয়ে গেছে দর্শকদের। কিন্তু একটা সময় ধারাবাহিকের বাস্তব জীবনের সঙ্গেই মিল পেত দর্শকরা তাই জন্যই এত প্রিয় হয়ে উঠেছিল টেলিভিশন তাদের কাছে। কিন্তু যতদিন এগোচ্ছে এবং মানুষ উন্নত হচ্ছে ততই অবাস্তবতা আমাদেরকে ঘিরে ধরছে এমনটাই মত দর্শকদের।

এর আগে বহুবার ধারাবাহিকে অদ্ভুতভাবে বিয়ে দেখানো বা অদ্ভুতভাবে ম’রে গিয়ে আবার ফিরে আসা অথবা অদ্ভুত সাজসজ্জা সবকিছু নিয়েই কম ট্রোলিং হতে দেখা যায়নি সোশ্যাল মিডিয়াতে। এখন ধারাবাহিকের গল্প মানেই সেটা অবাস্তব হবে এমনটাই মনে করে অনেকে। তবে তাদেরকে দোষ দেওয়া যায় না, যেভাবে দিন দিন টিআরপির চক্করে ধারাবাহিকের গল্প গুলোকে অতিরঞ্জিত করে দেখানো হচ্ছে তা নিয়ে বেজায় চটেছে দর্শক।

Bengali television

সম্প্রতি সময়ে ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা মা’রা গেলে তাদের মতোই দেখতে আরো একটি চরিত্র আসা ট্রেন্ড হয়ে উঠেছে। তবে সবসময় যে নায়ক নায়িকারাই ফিরে আসে এমনটা নয়, গল্পে দেখানো হয় তার মত হুবহু দেখতে আরো একজন চরিত্র রয়েছে আর সেই দর্শকদের চমকে দেয়। আবার অনেক সময় দেখা যায় নায়ক নায়িকার স্মৃতিশক্তি হারিয়ে একেবারে অন্য মানুষ হয়ে উঠেছে কিন্তু আদতে সে পুরনো মানুষটাই।

তবে এই সব কিছু কতটা বাস্তব? আদেও কি কোনো মানুষের মতো হুবহু দেখতে কোনো মানুষ থাকে এই পৃথিবীতে? চোখ, নাক, মুখ সবকিছু একেবারে এক এমনটা সত্যি কি হয়! প্রশ্ন দর্শকদের মধ্যে থেকে। কথায় আছে পৃথিবীতে একই রকম দেখতে ৭ জন মানুষ আছে। তবে তারা কি পুরোপুরি এক রকম দেখতে হয়, এই প্রশ্নের উত্তর হয়তো কারোর জানা নেই। কিন্তু বিজ্ঞান বলে একেবারে হুবহু দেখতে হয়তো কেউ হতে পারে না।

Bengali television

কিন্তু ধারাবাহিকের গল্পের সঙ্গে বিজ্ঞানকে মেলানো এ বড়ই হাস্যকর বস্তু। তবুও এক নেটিজেন সোশ্যাল মিডিয়াতে বিজ্ঞানের মতে একরকম দেখতে মানুষ কতজন হতে পারে সেটাই তিনি বুঝিয়েছেন। তার মতে,”আচ্ছা বাংলা সিরিয়ালে যে একটা ট্রেন্ড নায়িকার মতোই হুবহু দেখতে আরেকটা মেয়ে। এটা কি বাস্তবে কখনো সম্ভব‌? মানে সামান্য চেহারার একটু মিল থাকতে পারে তাই বলে সবকিছু একইরকম।

মানে দর্শকদের কতটা বোকা বানানো হয়। বিজ্ঞানের ভাষায় ডিএনএর জিন ম্যাচিংয়ের কারণে কিছুটা বাবা মায়ের মতো দেখতে হয় সন্তানরা আর এক জোড়া ক্রোমোজোমের ভিন্নতার কারণেই হুবহু বাবা মায়ের আচার – ব্যবহার, গঠন পায়না সন্তানেরা। এখানে তো বাবা – মা কিন্তু একটা মেয়ের সাথে আরেকটা মেয়ের কীভাবে এরকম মিল থাকতে পারে।”

Back to top button