অনেক বছর এগিয়ে গেল গল্প, বড় হয়ে গেল সৃপর্ণা! মেয়ে আসতেই দত্তবাড়িতে সৌভাগ্যের হাতছানি!

একটি নতুন শিশু একটা গোটা পরিবারে ঠিক কি কি প্রভাব ফেলতে পারে আর সেই শিশুটির জন্য পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যের মধ্যে ঠিক কি কি পরিবর্তন আসতে পারে সে সবটাই সুন্দরভাবে তুলে ধরেছে জি বাংলার (Zee Bangla) নাম্বার ওয়ান ধারাবাহিক নিম ফুলের মধু (Neem Fuler Modhu)। শুরু থেকেই একটি সুন্দর একান্নবর্তী পরিবারের সহজ সরল ঘরোয়া কাহিনী তুলে ধরছে এই ধারাবাহিক। বর্তমানে টিআরপি তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে এই ধারাবাহিক।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন নিজের ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে চলে এসেছে দত্ত বাড়িতে। সবাই এই বাচ্চাটাকে দেখে ভীষণ খুশি। এই শিশু পরিবারের প্রত্যেকটা মানুষের মনে এক অদ্ভুত আনন্দের সৃষ্টি করেছে। কিন্তু কৃষ্ণা অর্থাৎ সৃজন এর মায়ের মনকে এতোটুকুনিও গলাতে পারিনি এই বাচ্চাটা। কৃষ্ণার জেদ অহংকার দম্ভ সব আনন্দ থেকে তাকে দূরে করে রেখেছে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, কৃষ্ণাকে পর্ণা যখন একবার তার নাতনির মুখটা দেখতে বলে তখন কৃষ্ণা জানায়, “আমি ওই মেয়ের মুখ কোনদিনও দেখবো না। আমি ওকে আমার নাতনি বলে মানি না। সবকিছু হয়েছে পর্ণার জেদের জন্য। ও যদি আজ ভালো ভালো জল পোড়া নিত তাহলে ছেলে হত। ওই মেয়েকে আমি কোনদিনও মেনে নেব না।” এই বলে সেখান থেকে চলে যায় কৃষ্ণা। এই গোটা ঘটনায় ভীষণ কষ্ট পায় পর্ণা।

কিন্তু তার কষ্ট ঘুচিয়ে দেয় বাড়ির প্রত্যেকে। জেঠু তার নাতনির নাম রাখে পুটি। বাড়ির প্রত্যেকে ভীষণ খুশি হয় এই পুটিকে পেয়ে। এরপরের গল্পটা বলতে থাকে সৃজন। কারণ এরপর অনেক দ্রুত এগিয়ে গিয়েছে গল্প। দেখতে দেখতে কেটে গিয়েছে অনেকগুলো মাস। পিকলুর হাতেই হয়েছে পুটির অন্নপ্রাশন। অন্নপ্রাশনের কিছু মাস পরে পর্ণা নিজেই নিজের মেয়ের হাতে খড়ি দিয়েছে। এরপর কেটে গিয়েছে বেশ কিছু বছর প্রায় সাত বছর।

বড় হয়ে গেছে বুবাই। কিন্তু অংকে তার মাথা নেই। মাধ্যমিকে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার বোসতে চলেছে সে। অংক করতে গিয়ে ছেলের বয়স বাবার থেকে ১৩ বছর বেশি বের করায় নিজের দাদুর হাতে লাঠিপেটা খাচ্ছে বুবাই। সদ্য স্কুলে যাওয়া শুরু করেছে সৃপর্ণা। এদিকে প্রমোশন হয়েছে পর্ণা, রুচিরা এবং চয়নের। সৃজনও এতদিনে শাড়ির কথা আর দুটো আউটলেট খুলে ফেলেছে। একটা নতুন গাড়িও কিনে ফেলেছে সে।

Back to top button