সৌর্যর কাছে সব দো’ষ স্বীকার করে নিল নিলু! স্রোতকে আটকাতে সবার সামনে ক্ষমা চাইলো সার্থক

মানুষ দেখায় এক আর তাদের মনে থাকে আর এক। জি বাংলার (Zee Bangla) মিঠিঝোড়া (Mithi Jhora) ধারাবাহিকের অন্যতম প্রধান চরিত্র সার্থকের মনেও যে এমনই কিছু ছিল, সেটার যথাযথ প্রমান মিলল এই দিনের পর্বে। বর্তমানে এই মেগা বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে দর্শক মহলের কাছে। ধারাবাহিকের তিন বোনের জীবন কাহিনী আকর্ষণীয় করে তুলছে দর্শকদের।

ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, নিলু নিজের মিথ্যে গল্প দিয়ে নিজের সমস্ত দায় দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে সে যেই মিথ্যেটা বলেছে সেটা জানা জানি হলে তার সংসার বাঁচানো মুস্কিল হয়ে দাঁড়াবে। অন্যদিকে নায়িকার আরেক বোন স্রোত আর কলেজে নিজের স্যারের করা অপমান সহ্য করতে পারছে না। তার সব মনোবল ভেঙে দিচ্ছে সার্থক। তাই সে ঠিক করেছে কলেজ ছেড়ে অন্য কলেজে ভর্তি হতে হবে তাকে।

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, নিলু সৌর্যর কাছে এসে বলে, আজকে রাতে বাবার দেখাশোনা নাকি তার শাশুড়ি মা করবেন বলেছেন তাই নিলু ঘুমোনোর জন্য ঘরে চলে এলো। সৌর্য খুব যত্ন করে নিলুকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করে। সৌর্য নিলুকে জিজ্ঞাসা করে এই যে এত তাড়াতাড়ি সবকিছু হয়ে গেল এতে কি কোন ভাবে নিলুর সমস্যা হচ্ছে কারণ তারও তো নিজস্ব কিছু চাওয়া পাওয়া থাকতে পারে। নিলু বলে যা হচ্ছে সব তার সম্মতিতেই হচ্ছে। এছাড়াও সে সৌর্যকে বলে একদিন যদি একটা গোপন সত্যি সে জানতে পারে তাহলে কি সৌর্য খুব রাগ করবে? সৌর্য এই কথার যথাযথ অর্থ বুঝতে পারে না।

এদিকে সার্থক স্যারের কথা মত স্রোতের দুই সহপাঠী যারা স্রোতকে একেবারেই সহ্য করতে পারে না তারা চলে এসেছে স্রোতের বাড়িতে। সেখানে এসে স্রোতের থেকে সেই বইটা তারা চায় যেটা সার্থক স্যার তাদেরকে আনতে বলেছে। কিন্তু স্রোত জানিয়ে দেয়, এই বইটা ফেরত দেওয়ার সময় এখনো চলে যায়নি। সে সময় মতো এই বইটা ফেরত দিয়ে দেবে। এর জন্য তার বাড়িতে আসার কোন দরকার ছিল না। আর এইভাবে যে কারোর হাতে সে বইটা দিতে পারবে না। কারণ এই বইটার যদি কিছু হয়ে যায় তাহলে সমস্ত দায় এসে বর্তাবে স্রোতের ওপর। কথাগুলো শুনে রাগে জ্বলে পুড়ে যায় স্রোতের দুই সহপাঠী কিন্তু কিছু বলতে পারেনা। তারা চুপচাপ সেখান থেকে চলে যায়। স্রোত বুঝতে পারে এদের নিশ্চয়ই সার্থক স্যার পাঠিয়েছেন।

এরপর সার্থক স্যার আবার কলেজের লাইব্রেরীতে গিয়ে খোঁজ নেয় বইটা এসেছে কিনা। তখনো যখন সে দেখে আসেনি বেশ রেগে যায় সার্থক। আবারো স্রোতের নামে একগাদা ভালো মন্দ কথা বলতে থাকে। ঠিক তখনই সেখানে চলে আসে স্রোত। সে বলে আজকেই সে বইটা ফেরত দিয়ে যাবে আর তার পাশাপাশি লাইব্রেরি ক্লিয়ারেন্স করিয়ে নেবে। সার্থক বলে এটা তখনই করানো হয় যখন টিসি নেওয়া হয়। স্রোত বলে সে টিসি নিয়ে অন্য কলেজে চলে যাচ্ছে। এটা শুনেই স্রোতের উপর চিৎকার করে ওঠে সার্থক আর বলে, সে এইভাবে কলেজ ছেড়ে চলে যেতে পারে না। এবার এই নিয়ে তাদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া শুরু হয়।

Back to top button