ম’রে গেলেও শিরদাঁড়া বাঁকতে দেবে না রাঙা! দিদিমণির ভুলটা অকপটে দেখিয়ে দিল সে!

যে সমস্ত ধারাবাহিকের নায়িকারা কেবলমাত্র কষ্ট সহ্য করে বেঁচে থাকার বদলে নিজের অধিকারটা বুঝে নিয়ে চোখের চোখ রেখে লড়াই করতে জানে সেই সমস্ত ধারাবাহিক গুলির মধ্যে অন্যতম হলো স্টার জলসার (Star jalsha) রাঙামতি তীরন্দাজ (Rangamoti Tirandaj)। যতদিন যাচ্ছে এই ধারাবাহিকের নায়িকা রাঙা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যাচ্ছে। আত্মসম্মানে বলিয়ান নায়িকা রাঙা কখনো কারো কাছে ঝুঁকতে শেখেনি।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, ধুমধাম করে বিয়ের আয়োজন করেও রাঙার বিয়েটা দিতে পারেনি টিচার দিদিমণি। কারণ যার সাথে তার বিয়ে ঠিক করা হয়েছিল সে একজন চিটিংবাজ। তাই রাঙা ঠিক করে সে আর ওই বাড়িতে থাকবে না, কিন্তু টিচার দিদিমণি জোর করে নিজের ছেলেকে দিব্যি দিয়ে তাকে বাধ্য করে রাঙাকে বিয়ে করতে। ছেলে অন্য কাউকে ভালোবাসে জেনেও এত বড় ভুলটা করে ফেলে সে। এটা দেখে অসুস্থ হয়ে পড়ে আহেরি।

রাঙামতি তীরন্দাজ আজকের পর্ব ১৮ নভেম্বর (Rangamoti Tirandaj Today Episode 18 November)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, রাঙা বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে এবং নিজেই নিজের পথ খুঁজে নেওয়ার চেষ্টা করছে। সকাল থেকে কিছু না খাওয়ার দরুন তার শরীরটাও বেশ খারাপ লাগছে। এদিক ওদিক খুঁজতে খুঁজতে এক দোকানদারকে অসহায় অবস্থায় দেখে তাকে অনেক সাহায্য করে রাঙা। এর বদলে রাঙাকে খেতে দেয় সেই মহিলা। এখান থেকে উঠে আবার নিজের রাস্তায় ফিরতে গেলেই তার সাথে দেখা হয় আক্কুর। সে তাকে ঘরে নিয়ে আসে।
টিচার দিদিমণির ভুলটা ধরিয়ে দিল রাঙা
সবাই মিলে রাঙাকে কথা শোনাতে থাকে। টিচার দিদিমণি কান্নাকাটি করতে থাকে। রাঙা তখন আর চুপ থাকতে পারে না। সে বলে, টিচার দিদিমণি যেটা করেছে সেটা একদম ঠিক কাজ করেনি। জোর করে কোন কিছু সম্ভব নয়। সে জানতো তার ছেলে অন্য কাউকে ভালোবাসে। তারপরেও জোর করে এই বিয়েটা দেওয়া তার একেবারেই ঠিক হয়নি। এই বিয়েটা দিয়ে সে অনেকটা জীবন এলোমেলো করে দিয়েছে। ভালো করতে গিয়ে আরো অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গিয়েছে তাদের।
আরও পড়ুনঃ আনন্দীকে ভুলে ফের বিয়ের পিঁড়িতে আদি! তবে কি পু’ড়তে চলেছে আনন্দীর কপাল!
তার জন্য একটা নিরপরাধ মেয়ে কষ্ট পাচ্ছে। সে কথা দিচ্ছে সে এই বাড়ি ছেড়ে কোথাও যাবে না, গেলে তার মৃ’তদেহ যাবে। কিন্তু সে উড়ান দাদাবাবুর সঙ্গেও কোন সম্পর্কে থাকবে না। সে আক্কু আর আহিরের মধ্যে কোনভাবেই ঢোকার চেষ্টা করবে না। আক্বুর মা বুঝতে পারে, সে সত্যিই অনেক বড় অন্যায় করে ফেলেছে। সে যেটা করেছে তাতে অনেকগুলো জীবন নষ্ট হয়েছে।

