‘শেষ হওয়ার আগেই যেন আমার মৃ’ত্যু…’- কোন ঘটনায় আবেগে ভাসলেন অভিনেতা? হঠাৎ কেন নিজের মৃ’ত্যু কামনা করলেন প্রতীক সেন?

টেলিভিশনের জনপ্রিয় মুখ প্রতীক সেন আবারও খবরে। খোকাবাবু মোহর বা এক্কা দোক্কাতে অভিনয় করে তিনি বহু দর্শকের প্রিয় হয়েছেন। তবুও প্রতীক কখনও অতিরিক্ত আলোচনায় থাকতে চান না। সরল জীবন আর নিঃশব্দে কাজ করাই তাঁর লক্ষ্য। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় খুব বেশি দেখা যায় না তাঁকে। তবে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে তিনি নিয়মিত যুক্ত থাকেন অনুরাগীদের সঙ্গে। এই নীরব মানুষটিই হঠাৎ একটি ভিডিও শেয়ার করে এমন কথা বললেন যাতে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন ফ্যানেরা।
ভিডিওটিতে দেখা যায় এক বৃদ্ধ বাবা ট্রেন স্টেশনে মেয়েকে বিদায় জানাচ্ছেন। মেয়েটি ট্রেনে উঠেই বাবাকে কোরিয়ান হার্ট দেখায়। আধুনিক ইশারা বোঝার মতো অভ্যেস না থাকায় বাবা ভাবেন মেয়ের কাছে হয়তো টাকা কম। তাই মানিব্যাগ খুলে তাড়াতাড়ি মেয়ের হাতে কিছু টাকা তুলে দেন তিনি। সরল সেই মুহূর্তটি দেখে আবেগেই ভেসেছে ইন্টারনেট। প্রতীকও আবেগ চেপে রাখতে পারেননি এবং ভিডিওটি শেয়ার করে লেখেন এই প্রজন্মটি শেষ হওয়ার আগেই যেন তাঁর নিধন ঘটে। সেই মন্তব্যে ক্ষোভ নয় বরং গভীর দুঃখ অনুভব করেছেন অনেকে।
অভিনেতার মুখে এমন কথা শুনে অনুরাগীরা বেশ অস্থির। কেউ লিখেছেন এমন কথা বলা ঠিক নয় তুমি অনেক বিচক্ষণ তাই নিশ্চয় বুঝবে কেন বলছি দীর্ঘায়ু হও। আরেকজনের মন্তব্য ভাল মানুষ এই সময়ে আরও প্রয়োজন তোমার নিধনের প্রশ্ন উঠতেই পারে না। ভক্তদের ভালোবাসায় ভরা এই মন্তব্যগুলি প্রতীকের প্রতি মানুষের মায়া কতটা গভীর তা আরও একবার বুঝিয়ে দেয়।
এই মুহূর্তে প্রতীককে দেখা যাচ্ছে জি বাংলার আমাদের দাদামণি সিরিয়ালে। দীর্ঘদিন পরে আবার একটি সম্পূর্ণ পুরুষকেন্দ্রিক গল্পে তিনি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন। মোহর এবং এক্কা দোক্কা ছিল নারীকেন্দ্রিক মেগা তাই নতুন দায়িত্ব তাঁকে অন্যরকম উদ্দীপনা দিয়েছে। অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের দর্শকদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতেও তিনি যতটা সম্ভব সংবেদনশীল থাকেন।
আরও পড়ুনঃ চলচ্চিত্র জগতে বিরাট নক্ষত্রপতন! প্রয়াত বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা কল্যাণ চট্টোপাধ্যায়! শোকস্তব্ধ টলিপাড়া!
শুধু পর্দার কাজ নয় ব্যক্তিগত জীবনেও প্রতীককে নিয়ে চলে নানা আলোচনা। মোহর সিরিয়ালের নায়িকা সোনামণি সাহার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন বহুদিনের। তাঁদের বিয়ে নিয়েও নানা জল্পনা উস্কে উঠেছিল। যদিও প্রতীক হেসেই জানিয়ে দিয়েছেন তাঁর বিয়ের বয়স নাকি পেরিয়ে গেছে। কাজ আর দায়িত্বই এখন তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার। তবুও ভক্তরা আশা করেন দাদামণি প্রতীক সবসময় সুস্থ থাকুন এবং এমন আবেগী কথায় আর কাউকে চিন্তায় না ফেলেন।

