“মনে হচ্ছিল ওনার গলা টি’পে ধরি!”- রেগে গিয়ে কার গলা টি’পতে চান বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়?

সত্তরের দশকে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে (Film Industry) সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম একজন হলেন মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়ের (Moushumi Chatterjee)। তাঁর কর্মজীবনের মতন ব্যক্তিগত জীবনও খুবই আকর্ষণীয়। ১৯৪৮ সালের ২৬ এপ্রিল কলকাতায় জন্ম মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়ের। বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও তিনি অন্যতম একজন অভিনেত্রী যিনি বলিউডে (Bollywod) সাফল্য অর্জন করেছিলেন। ৫০ বছরেরও বেশি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়। ১৯৬৭ সালে তরুণ মজুমদারের (Tarun Majumdar) ‘বালিকা বধূ’র হাত ধরেই বাংলা সিনেমায় আত্মপ্রকাশ করেন অভিনেত্রী।
শেষ তাঁকে দেখা গিয়েছে ‘পিকু’ সিনেমায়। তারপর দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে দূরত্ব বজায় রেখেছেন। তবে খুব শীঘ্রই বড় পর্দায় আবার দেখা যেতে চলেছে অভিনেত্রীকে। বাংলা ছবিতে প্রায় কয়েক দশক পর ফিরছেন অভিনেত্রী। যশ নুসরাতের আগামী ছবি আড়িতে অভিনয় করতে দেখা যাবে মৌসুমী চ্যাটার্জীকে।

অভিনয় জগৎ থেকে দূরে থাকলে কি হবে বিভিন্ন রিয়ালিটি হতে এখনো বিচারকের আসনের প্রায় দেখা যায় অভিনেত্রীকে ইন্ডিয়ান আইডল সারেগামাপা এর মতো একাধিক জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো তে বিচারকের আসনে অতিথি হিসেবে কয়েকবার এসেছেন মৌসুমী চ্যাটার্জী। একবার সেরকমই এক রিয়েলিটি শোতে এসে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন মৌসুমী চ্যাটার্জী। যার জন্য তাকে ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল।
জনপ্রিয় গানের রিয়েলিটি শোতে বিচারকের আসনে উপস্থিত ছিলেন শ্রেয়া ঘোষাল, বিশাল ভরদ্বাজ এবং কুমার শানু। অতিথি হিসেবে এসেছিলেন মৌসুমী চ্যাটার্জী। সেখানে অভিনেত্রী জানান প্রথম কিভাবে তিনি অভিনয় জগতে এসেছিলেন তার গল্প। সেখানেই তিনি বলেছিলেন জনপ্রিয় মিউজিক ডিরেক্টর হেমন্ত কুমারকে তার গলা টিপে মেরে ফেলতে ইচ্ছে করেছিল সেই সময়। তার এমন এক আচরণের জন্য মৌসুমী চ্যাটার্জী ভীষণ রেগে গিয়েছিলেন।
আর অভিনেত্রীর মুখে এই কথা শোনার পর থেকে দর্শকদের মনে প্রশ্ন ঘোরাফেরা করছে যে এমন কি করেছিলেন জনপ্রিয় মিউজিক ডিরেক্টর হেমন্ত কুমার যার জন্য এমন কথা রিয়েলিটি শো এর মঞ্চে দাঁড়িয়ে বললেন মৌসুমী চ্যাটার্জী। তারপরেই অবশ্য অভিনেত্রী এমন মনে হওয়ার পেছনের আসল কারণ জানান।
আরও পড়ুনঃ সবার সামনে রুদ্রর মুখোশ খুললো জেঠু!অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এলো লুকোনো পাপ!
অভিনেত্রী বলেন “আমার প্রথম ছবি ছিল তরুণ মজুমদারের বালিকা বধূ। এই ছবিতে আমি প্রথমবার অভিনয় করেছিলাম। তরুণ মজুমদারের প্রথমে আমাকে দেখে বাছাই করেছিলেন এই ছবির জন্য। আর ওই ছবিতে মিউজিক ডিরেক্টর ছিলেন হেমন্ত কুমার। তরুণ মজুমদার হেমন্ত কুমারকে ডেকে বলেছিলেন আমি আমার চোখের বালিকা বধূ পেয়ে গেছি। হেমন্ত কুমার আমাকে দেখে মুখ বেঁকিয়েছিলেন। আমি তখন খুবই ছোট, যার জন্য তিনি বিশ্বাসই করতে পারেননি আমি ছবিতে অভিনয় করতে পারি। তখন আমার মনে হয়েছিল উনার গলাটা টিপে ধরি।” আসলে পুরোটাই মজার ছলে হয়েছে। অভিনেত্রী সেসময় এতটাই ছোট ছিলেন যে অভিনেত্রীর অভিনয় দক্ষতা নিয়ে সন্দেহ করেছিলেন হেমন্ত বাবু। তাই অভিনেত্রীর এমনটা মনে হয়েছিল।

