বিরাট দুঃসংবাদ! অভিনয় জগতে ফের নক্ষত্র পতন! প্রিয় বন্ধুকে হারিয়ে ভেঙে পড়লেন বর্ষিয়ান অভিনেতা!

নতুন বছরের প্রথম মাসেই আবারও বিরাট বড় দুঃসংবাদ। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে (Film Industry) নেমে এলো শোকের ছায়া। বুধবার রাতেই এল এই দুঃসংবাদ। প্রয়াত হয়েছেন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব (Famous Personality)। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃ’ত্যু হয়েছে তাঁর। মুম্বইয়ে নিজের বাসভবনেই প্রয়াত হয়েছেন তিনি। লেখক, চিত্রকর, রাজনীতিবিদ, চলচ্চিত্র নির্মাতা-সমস্ত ভূমিকাতেই তাঁকে দেখা গিয়েছে। পশু অধিকার রক্ষা করতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাও গড়ে তোলেন তিনি।
তার বিশেষ গুণগুলোর মধ্যে একটি গুন হল, তিনি অত্যন্ত ভালো কবিতা লিখতেন। ইংরাজি কবিতার অন্তত ৪০টি বই প্রকাশ করেছেন তিনি। বাংলা, উর্দু, পাঞ্জাবি কবিতা অনুবাদ করেছেন ইংরেজিতে। আর এরকম একজন গুণী মানুষকে হারিয়ে শোকোস্তব্ধ হয়ে পড়েছে গোটা ইন্ডাস্ট্রি। কেউই তার এই মৃ’ত্যু মেনে নিতে পারছে না এখনো।
প্রিয় বন্ধুর মৃ’ত্যুসংবাদ প্রকাশ করেন অনুপম খের। সমাজমাধ্যমে শোকপ্রকাশ করেছেন অনুপম। জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের বন্ধুকে হারিয়ে শোকস্তব্ধ বিখ্যাত এই বর্ষীয়ান অভিনেতা। লিখলেন, “আমার সবচেয়ে প্রিয় এবং নিকটতম বন্ধুর মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত এবং মর্মাহত! আশ্চর্য এক কবি, লেখক, চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং একজন সাহসী এবং অনন্য সাংবাদিক! মুম্বইয়ে আমার কেরিয়ারের প্রথম দিনগুলোয় তিনি আমার পাশে থেকেছেন এবং শক্তি দিয়েছিলেন।”

অভিনেতা আরও লেখেন “আমাদের মধ্যে অনেক বিষয়ে মিল ছিল। আমার দেখা সবচেয়ে নির্ভীক মানুষদের মধ্যে তিনিও ছিলেন অন্যতম। সবসময় লার্জার দ্যান লাইফ। তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছি। আজকাল আমাদের তেমন দেখা হত না। কিন্তু একটা সময় ছিল যখন আমরা অবিচ্ছেদ্য ছিলাম…. আমি তোমাকে এবং আমাদের একসঙ্গে কাটানো সময়গুলো বড্ড মিস করব, বন্ধু। ভাল থেকো।”
আরও পড়ুনঃ সুপায়নের বিরুদ্ধে প্রমাণ হাজির! আদি-আনন্দীর ছদ্মবেশে বাজিমাত! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!
৭৩ বছর বয়সে প্রয়াত প্রীতিশ নন্দী। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। পেশায় সাংবাদিক প্রীতিশ একজন নামকরা লেখক ছিলেন। ১৯৯৩ সালে তিনি নিজের মিডিয়া সংস্থা ‘প্রীতিশ নন্দী কমিউনিকেশনস’-এর প্রতিষ্ঠা করেন ৷ তাঁর এই কোম্পানি বহু চলচ্চিত্র, টিভি শো-সহ নানাবিধ কনটেন্টের প্রযোজনা করেছে। রাজ্যসভার সাংসদ হয়েছিলেন প্রীতিশ। সাহিত্যের অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৭৭ সালে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছিলেন।


