সবার সামনে মাথা নিচু করে ক্ষমা চাইলো ইশা, পর্ণার উপর বদলা নিতে সৃজনকে ফাঁসিয়ে দিলো সে! কারেন্টের ঝটকা দিয়ে উচিত শিক্ষা দিলো নায়িকা!

ক্ষমতার অপব্যবহার করলে শাস্তি পেতেই হয়। দেশের নিয়ম ভাঙলে কেউ পালাতে পারবে না, ধনী গরিব, ক্ষমতাহীন ক্ষমতাশালী নির্বিশেষে সবাইকে শাস্তি পেতেই হবে। এটাই আরো একবার প্রমাণ করে দিলো জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিক। বর্তমানে জমে উঠেছে নিম ফুলের মধু ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব।
বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা তার ইউনিভার্সিটির প্রথম দিনের ক্লাসে একটা রিপোর্টিং করার সুযোগ পায়। অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীদের মতন সেও বেরিয়ে পড়ে মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে। সেখানেই সে দেখতে পায় অকারণে ইশা একজন পুলিশের গায়ে হাত তুলছে। আর সেটাই হয়ে ওঠে তার প্রথম সংবাদ। সে এই ঘটনার একটা ভিডিও করে এবং সেই ভিডিওটা সোশ্যাল মিডিয়ার প্রত্যেকটা সাইটে আপলোড করে দেয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় ইশা।
নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ২ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 2 June)
সবার সামনে ক্ষমা চাইলো ইশা
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, ভিডিওটা ভাইরাল হতেই সেখানে পৌঁছে যায় মিডিয়া। গোটা বিষয়টা আগুনের মতন ছড়াতে থাকে। বাধ্য হয়ে সুকুমার হালদার ইশাকে ক্ষমা চেয়ে নিতে বলে। কিন্তু ইশা কোনোভাবেই ক্ষমা চাইবে না ঠিক করে। কারণ ক্ষমা চাইলে সে নায়িকার কাছে হেরে যাবে। সুকুমার হালদার তাকে বলে, ক্ষমা না চাইলে সে ভোটের টিকিট পাবে না। বাধ্য হয়ে ইশাকে সবার সামনে ক্ষমা চাইতে হয়। কিন্তু সে ঠিক করে আজই পর্ণাকে সবকিছু মনে করিয়ে দেবে সে। কিন্তু সেই কাজে বাধার সৃষ্টি করে সৃজন।
সৃজনের ক্ষতি করার চেষ্টা করলো ইশা
সৃজন ইশাকে স্পষ্ট করে জানায়, সে চাইলেও কখনো পর্ণার ক্ষতি করতে পারবে না। ঠিক তখনই ক্লাস শেষ করে সেখানে চলে আসে পর্ণা। সে ইশাকে বলে, “আপনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন আর তাই জন্য আপনাকে শাস্তি পেতে হয়েছে। আপনি কোনভাবেই এই ঘটনা অস্বীকার করতে পারেন না। আর যা হয়েছে আপনার সঙ্গে সেটা আপনার প্রাপ্য, তার জন্য আপনি সৃজন দাকে দোষারোপ করতে পারেন না। আপনার যা করার আছে আপনি করে নিন যান। আমরা তাকে ভয় পাই না।”
আরো পড়ুন: প্রকাশ পেলো শুভ বিবাহর টাইম স্লট, শেষ হচ্ছে জল থই থই ভালোবাসা! দুঃখের সুর দর্শক মহলে
ইশা তখন ইচ্ছে করে নিজের মাথায় ইট মেরে মাথা ফাটিয়ে, নিজের শাড়ি ছিড়ে এটা প্রমাণ করতে চায় সৃজন তার সাথে অ’স’ভ্য’তা’মি করার চেষ্টা করেছে। ইশার এই কুবুদ্ধি দেখে রীতিমতো অবাক হয়ে যায় পর্ণা। ইশার ভাড়া করা লোকেরা সৃজনকে মারতে এলে পর্ণা তাদের ইলেকট্রিক শক দিয়ে সেখান থেকে সৃজনকে নিয়ে চলে যায়। ইশা মনে মনে বলে, আজ সৃজনকে কেউ বাঁচাতে পারবে না।

