‘রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এতদিন…’ ‘স্বস্তিকাকে সবাই ভালোভাবেই গ্রহণ করছে, তাই…’ ‘দিদি নং ১’-এর নতুন সিজন নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক! প্রাক্তন সঞ্চালিকাকে নিয়ে কি বললেন অভিজিৎ সেন? দিদি হিসেবে স্বস্তিকাকে কত নম্বর দিলেন তিনি?

জি বাংলার জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘দিদি নং ১’-এর দশম সিজন শুরু হয়েছে গত ২৯ জুন। এ বার নতুন সঞ্চালক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। এক মাসের মধ্যেই শো ঘিরে দর্শকদের নানা প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে। কেউ নতুন পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার কেউ পুরনো দিনের সঙ্গে তুলনাও টেনেছেন। এই পরিস্থিতিতে শোয়ের পরিচালক অভিজিৎ সেন জানিয়েছেন, দর্শকদের ভালোবাসা ও সমর্থনেই তাঁরা এগিয়ে চলেছেন।
নতুন সিজনে একাধিক পরিবর্তন আনা হয়েছে বলেও জানান পরিচালক। তাঁর কথায়, এই শোকে সফল করে তুলেছেন দর্শকরাই। তাই তাঁদের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে তিনি স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের প্রশংসা করে বলেন, প্রতিযোগীদের সঙ্গে খুব সহজেই মিশে যেতে পারছেন তিনি। বড়দের সম্মান করা থেকে শুরু করে ছোটদের সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত ব্যবহার, সব মিলিয়ে সঞ্চালক হিসেবে স্বস্তিকার কাজ তাঁকে মুগ্ধ করেছে। এমনকি তিনি স্বস্তিকাকে দশে দশ নম্বরও দিয়েছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বস্তিকাকে নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গ উঠলেও, অভিজিৎ সেন মনে করেন প্রশংসার পাশাপাশি সমালোচনাও কাজেরই অংশ। তাঁর মতে, দর্শক যখন কোনও অনুষ্ঠান নিয়ে আলোচনা করেন, তখন বোঝা যায় তাঁরা সেই শোয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে স্বস্তিকার তুলনা নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য, রচনা দীর্ঘ ১৫ বছর এই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেছেন, আর স্বস্তিকা এখনও নতুন। তাই দু’জনের কাজের ধরন আলাদা হওয়ায় তুলনা করা ঠিক নয়।
পরিচালক আরও জানান, ভবিষ্যতে স্বস্তিকা কতগুলো সিজন সঞ্চালনা করবেন, তা এখনই বলা সম্ভব নয়। কারণ সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ চ্যানেলের। পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দেন, অতীতেও পুষ্পিতা মুখোপাধ্যায়, দেবশ্রী রায় এবং জুন মালিয়ার মতো শিল্পীরা এই শো সঞ্চালনা করেছেন এবং দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছেন। নতুন ফরম্যাটে এবার ৪ জনের বদলে ১০ জন প্রতিযোগী অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, যা আরও বেশি মহিলাকে মঞ্চে আসার সুযোগ করে দিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ হেরে যাওয়া মানেই শেষ নয়! কঠিন লড়াই, অটুট বিশ্বাস আর মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে ‘সতীপীঠ কালীঘাট’-এর মূল চরিত্রে শ্রীরামপুরের মহনীয়া পাল!
অনুষ্ঠানের সম্প্রচারের সময় পরিবর্তন নিয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছেন অভিজিৎ সেন। তাঁর কথায়, রাত ১০টা ১৫ মিনিটের স্লটে অনুষ্ঠান দেখানোর সিদ্ধান্ত পুরোপুরি চ্যানেলের। আগে সন্ধ্যার সময় অনেকেই বাড়ি ফিরতে পারতেন না, আবার পড়ুয়ারাও ব্যস্ত থাকত। এখন রাতের খাবারের সময় পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করতে পারছেন বলেই মনে করছেন তিনি।

