‘আমরা যেটা পারিনি সেটা রাজ্য করে দেখালো…’- মেসি বিতর্কে বিস্ফোরক দেব! বাংলা জনগণের ক্ষোভের মুখে শুভশ্রী! এটাই অভিনেত্রীর প্রাপ্য! এমনটাই কি ইঙ্গিত করলেন অভিনেতা?

শনিবারের সেই সকালটা বাংলার ক্রীড়াপ্রেমীদের জীবনে ইতিহাস হয়ে থাকার কথা ছিল। বিশ্ব ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসিকে সামনে থেকে দেখার স্বপ্নে রাত জেগেছিলেন হাজার হাজার মানুষ। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে গেল অব্যবস্থাপনা আর বিশৃঙ্খলার চাপে। প্রত্যাশার বদলে উপহার মিলল হতাশা ও লজ্জা। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে আজও মেনে নিতে পারছেন না সাধারণ মানুষ।

কলকাতার মাঠে যেখানে ব্যর্থতা আর অস্বস্তি, সেখানে হায়দরাবাদ ও মুম্বইতে সম্পূর্ণ বিপরীত ছবি। সেখানে হাসিমুখে দর্শকদের সামনে ধরা দিয়েছেন মেসি। কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি, রাজনৈতিক ভিড় দেখা যায়নি, ছবি তোলার হুড়োহুড়িও ছিল না। দর্শকরা দূর থেকেও তাঁকে দেখতে পেয়েছেন, উপভোগ করেছেন ফুটবলের জাদু। এই তুলনাই বাংলার ব্যর্থতাকে আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে।

এই ঘটনার পর একাধিক তারকা মুখ খুলেছেন। এবার নিজের কষ্টের কথা জানালেন অভিনেতা ও সাংসদ দেব। তাঁর কথায় স্পষ্ট হতাশা। দেব বলেন, বাংলার মানুষের জন্য এটা একটা দাগ হয়ে রইল। তাঁরও ভীষণ কষ্ট হয়েছে, কারণ অন্য রাজ্য যা পারল, বাংলা তা করতে পারল না। শনিবারের ঘটনায় যে ইমেজ নষ্ট হয়েছে, সেটা অস্বীকার করার উপায় নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে দেব এখানেই থামেননি। দায়িত্বশীল কণ্ঠে তিনি বলেন, মেসি শুধু ভারতের নন, তিনি একজন আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব। এই ঘটনা গোটা দেশের কাছেই লজ্জার। যারা এই অনুষ্ঠানের দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের ভাবতে হবে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যায় এবং দেশের মান সম্মান রক্ষা করা যায়। মাথা উঁচু করে বাঁচতে গেলে এই আত্মসমালোচনা জরুরি বলেই মনে করেন তিনি।

আরও পড়ুনঃ আগে থেকেই বুঝেছিলেন তিনি আর বেশি দিন নেই! তাই শেষ শুটিং-এই বলেছিলেন মনের কথা! সেদিন কি বলেছিলেন ধর্মেন্দ্র?

ঘটনার দিন যুবভারতীতে প্রায় ত্রিশ মিনিট ছিলেন মেসি। সেই সময় তাঁকে ঘিরে ধরেছিলেন রাজনৈতিক নেতা ও তাঁদের ঘনিষ্ঠরা। দর্শকরা কিছুই দেখতে পাননি। সঞ্চালকের অনুরোধও কাজে আসেনি। ক্ষোভে গ্যালারি থেকে ছোড়া হয় জলের বোতল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে মাঠ ছাড়েন মেসি। এরপর ক্ষুব্ধ জনতা ভাঙচুর চালায়। ইতিমধ্যে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত এক উদ্যোক্তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

Back to top button