“আমার শরীরের একটা টুকরো চোখের সামনে দেখছি!”- হঠাৎ কি হল জনপ্রিয় অভিনেত্রী রূপসা চক্রবর্তীর?

টেলিভিশন জগতের (Television Industry) একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেন রূপসা চক্রবর্তী (Rupsha Chakraborty)। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনেত্রীকে একাধিকবার দেখা গিয়েছে। দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধরে অভিনয় জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন অভিনেত্রী। জি বাংলা (Zee Bangla), স্টার জলসার (Star jalsha) একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন তিনি।
অভিনেত্রীর স্বামী স্নেহাশিস চক্রবর্তী একজন জনপ্রিয় পরিচালক। তার পরিচালনায় একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিক বছরের পর বছর ধরে দেখে আসছেন দর্শক। রুপসা স্নেহাশিসের ১৭ বছর বয়সী একজন পুত্র সন্তানে রয়েছে। ছেলেকে নিয়ে প্রায়শই মিডিয়াতে বিভিন্ন রিল বানাতে দেখা যায় অভিনেত্রীকে। ছেলেকে ভালোবেসে ম্যাংগো ডাকেন রূপসা। মা ছেলের মধ্যে দারুন বন্ডিং। খুব অল্প বয়সেই বিয়ে হয়ে সন্তান হয়েছিল রূপসার। তাই মা এবং ছেলের মধ্যে বয়সের বিশেষ পার্থক্য নেই। তাই একেবারে বন্ধুর মতোই ছেলের সঙ্গে মিশেছেন রূপসা।
![[15:38, 10/04/2024] N Ghosh Contact Writer: Rupsha Chakraborty, Bengali television, Bengali Serial, Jagaddhatri, Zee Bangla, বাংলা সিরিয়াল, জি বাংলা, জগদ্ধাত্রী, বাংলা টেলিভিশন, রুপসা চক্রবর্তী](/wp-content/uploads/2024/04/Rupsha-Chakraborty.webp)
সবকিছু ঠিকঠাক চললেও নিজের জীবনের একটি ঘটনার কথা জানিয়েছেন রুপসা। সম্প্রতি নিজের জীবনের একটি বিরাট বড় ঘটনার কথা সকলে সঙ্গে ভাগ করেছেন অভিনেত্রী। অভিনেত্রী জানিয়েছেন ‘সেই সময় যখন তাকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সেটা একেবারেই অন্যরকম একটা অনুভূতি ছিল। ধাতস্থ হতেও অনেকখানি সময় লেগেছিল। আমার শরীরের একটা টুকরো চোখের সামনে দেখছি, এটা তো সত্যিই বড় ব্যাপার।’
আসলে এই ঘটনাটা যখন সন্তান জন্ম দিচ্ছিলেন অভিনেত্রী সেই সময়ের। সন্তান জন্ম দেওয়ার অনুভূতি প্রত্যেকটি মায়ের কাছে এই ভীষণ আবেগপ্রবণ এবং বিশেষ হয়ে থাকে। রূপসার জীবনেও সেরকমটাই ঘটেছিল। সে ঘটনাই সকলের সঙ্গে ভাগ করছিলেন অভিনেত্রী।
আরও পড়ুনঃ একুল ওকুল দুকুল হারিয়ে বিপাকে ইশিতা! রুদ্রকে ভালোবেসে ঠকে গেল সে! টানটান উত্তেজনাময় আজকের পর্ব
অভিনেত্রীর কথায়, ‘ওই দিনটা আসলে কখনও ভোলা যাবে না। অপারেশন থিয়েটারে যখন ঢুকছি সেটা একেবারেই অন্যরকম একটা অনুভূতি। আমার সঙ্গে যাঁদের বাচ্চা হয়েছিল তাঁদের সবার জ্ঞান ফিরে এসেছিল, অথচ আমার জ্ঞান আর আসছিল না। তাই বাড়ির সকলেই দুশ্চিন্তায়। তারপর যখন ওর মুখটা প্রথম দেখলাম, সে যেন এক অদ্ভুত অনুভূতি। মানে বিশ্বাসই হচ্ছিল না এটা আমার ছেলে। ধাতস্থ হতেও অনেকখানি সময় লাগে সত্যি বলতে মায়েদের। আমার শরীরের একটা টুকরো চোখের সামনে দেখছি, এটা তো সত্যিই বড় ব্যাপার।’

