নিজের ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চাইলো চন্দ্রনাথ! দল ভারি হলো জগদ্ধাত্রীর! নতুন কেসে পা রাখতেই বিপদ মেনে এলো নায়িকার জীবনে

এই মুহূর্তে জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় যে সমস্ত ধারাবাহিক সম্প্রচারিত হচ্ছে তার মধ্যে নাম্বার ওয়ান গোয়েন্দা ধারাবাহিক হিসেবে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছেছে জগদ্ধাত্রী (Jagaddhatri)। ৮ থেকে ৮০ প্রত্যেকে এই ধারাবাহিকের নায়িকার অনেক বড় ভক্ত। টিআরপি তালিকায় এই ধারাবাহিকটি বেশ ভালো ফলাফল দিচ্ছে চ্যানেলকে। বর্তমানে নিজের বোনকে ফিরে পেয়েছে জগদ্ধাত্রী।
ধারাবাহিকের বর্তমান প্লট অনুযায়ী, বর্তমানে অনেকটাই বদলে গিয়েছে মেহেন্দি। এতদিন সে কেবল নিজের দিদিকে ভুল ভেবে এসেছে। যেদিন সে দেখে তার দিদি তার সিঁথির সিঁদুর রক্ষা করার জন্য গুন্ডাদের সঙ্গে মারপিট করে উৎসবের প্রাণ বাঁচাচ্ছে সেদিন থেকে জগদ্ধাত্রীকে দিদি বলে ডাকা শুরু করেছে মেহেন্দি। কিন্তু এই বিষয়টা কেউ মেনে নিতে পারছে না। সবাই চাইছে মেহেন্দি আগের মতন হয়ে যাক। অন্যদিকে কাঁকনের বুদ্ধিতে গো হারান হেরে গেছে দিব্যা সেন।
জগদ্ধাত্রী আজকের পর্ব ৪ জুন (Jagaddhatri Today Episode 4 June)
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, জগদ্ধাত্রীর নতুন কেসে একজন রাজনীতিবিদকে সব রকমের নিরাপত্তা প্রদান করার দায়িত্ব পড়েছে নায়িকার ওপর। তার সাথেই কথোপকথন করতে গিয়ে নতুন রহস্যের গন্ধ পেলো জগদ্ধাত্রী। কাকলি দেবীর দাদা ভাস্কর জগদ্ধাত্রী আর স্বয়ম্ভুর কথা লুকিয়ে লুকিয়ে শুনতে থাকে যেটা দেখে বেশি অবাক লাগে জগদ্ধাত্রীর। জগদ্ধাত্রী কি পারবে কাকলিকে তার পরিবারে লুকিয়ে থাকা গোপন শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করতে! সেটাই এখন দেখার বিষয়।
নিজের ভুল বুঝতে পারলো চন্দ্রনাথ
এদিকে অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছে চন্দ্রনাথ। কৌশিকী মুখার্জী হাসপাতালে আসে চন্দ্রনাথকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কৌশিকী এসে চন্দ্রনাথকে বলে, “আর কত নিচে নামবে তুমি? ওই দিব্যা সেনকে কন্যাদান করার দায়িত্ব নিয়েছিলে না? কাঁকন এই বিয়ে হতে দেয়নি। ও ওর বাবা আর মাকে আলাদা হতে দেয়নি।” সব শুনে চন্দ্রনাথ বলে, সে যখন সবই জানে তাহলে কেন হাসপাতালে এসেছে।
আরও পড়ুন: জোর করে শ্যামলীকে বিয়ে করছে মন্দার! টাকার লোভে নায়িকাকে বেচে দিলো তার ভাই! ব্যবসায় ঢোকার সুযোগ পেয়ে গেলো অরুণাভ
কৌশিকী বলে, চন্দ্রনাথ তার বাবার মতন। তাকে সে ভালবাসে শ্রদ্ধা করে। তাই জন্যই এখানে আসা। আর যাকে সে বাড়ি থেকে বার করে দিয়েছে অর্থাৎ জগদ্ধাত্রী আজ চন্দ্রনাথ সহ বাকিদের জীবন বাঁচিয়েছে। ওই উত্তীয় মুখার্জী, যাকে সে তাদের কোম্পানিতে নিয়ে এসেছিল, সেই ছেলেটাই সবটা একা ভোগ করবে বলে এক এক করে সমস্ত মাথাদের সরিয়ে দিতে চাইছিল আর সেই চন্দ্রনাথকে মারার চেষ্টা করে। সবটা শুনে চমকে যায় চন্দ্রনাথ। বুঝতে পারে অনেক বড় ক্ষতি করে ফেলেছে সে। এই অন্যায়ের প্রায়শ্চিত্ত করতে চন্দ্রনাথ কৌশিকীকে কথা দেয় সে তার কন্যা দান করবে।

