শিউরে ওঠা ঘটনার সম্মুখীন বিনোদন জগৎ! পাওয়া গেল জনপ্রিয় অভিনেত্রীর ক্ষ’তবিক্ষত দেহ! পুলিশের নিশানায় অভিনেত্রীর প্রেমিক!

হলিউডে ফের এক মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ বিনোদন জগৎ। নিউ জার্সির একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে দ্য লায়ন কিং খ্যাত এক তরুণ অভিনেত্রীর ক্ষতবিক্ষত দেহ। মাত্র পঁচিশ বছর বয়সে এমন ভয়াবহ পরিণতি স্বাভাবিকভাবেই সবাইকে নাড়িয়ে দিয়েছে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য এবং প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের দিকটি।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিনেত্রীর শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। এই ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর প্রেমিককে। খুনের অভিযোগে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে। প্রেমের সম্পর্ক কীভাবে এমন নৃশংস পরিণতিতে পৌঁছল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এই মৃত্যু নিছক দুর্ঘটনা নয় বলেই প্রাথমিকভাবে মনে করছে পুলিশ।

ব্যক্তিগত জীবনে ওই অভিনেত্রী পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। বাবা মা ভাইবোন ছাড়াও তাঁর ছিল মাত্র তিন বছরের এক সন্তান। মায়ের অকালপ্রয়াণে শিশুটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন আত্মীয়স্বজনেরা। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এবং শেষকৃত্যের খরচ চালানোর জন্য একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তহবিল সংগ্রহ শুরু করা হয়েছে। পাশাপাশি পরিবারের পোষ্য সারমেয়র দেখাশোনার ব্যবস্থার কথাও জানানো হয়েছে।

ওই তহবিল সংগ্রহের পাতায় অভিনেত্রীর এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয়া আবেগঘন বার্তায় জানান, এই মৃত্যু তাঁদের জীবনে গভীর শূন্যতা তৈরি করেছে। তিনি লেখেন, তাঁর ভাইঝি ছিলেন অসম্ভব প্রতিভাবান ও প্রাণোচ্ছল। ছোট বয়সেই তিনি অভিনয়ের জগতে নিজের জায়গা তৈরি করেছিলেন এবং আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিতি পেয়েছিলেন। পরিবারের পাশাপাশি বন্ধুবান্ধবের কাছেও তিনি ছিলেন ভীষণ প্রিয়।

আরও পড়ুনঃ মাদাম তুসো স্টাইলে দেবের মোমের মূর্তি! কোথায় গেলে দেখতে পারবেন এই মূর্তি? জন্মদিনে কি পরিকল্পনা অভিনেতার?

পঞ্চম অনুচ্ছেদে এসে জানা যায়, প্রয়াত অভিনেত্রীর নাম ইমানি দিয়া স্মিথ। ডিজনির দ্য লায়ন কিং ছবিতে ইয়াং নালার চরিত্রে অভিনয় করে তিনি বিশ্বজুড়ে পরিচিত হয়েছিলেন। ইমানির আকস্মিক ও নৃশংস মৃত্যুতে অনুরাগীরা সোশ্যাল মাধ্যমে শোকপ্রকাশ করছেন। অনেকে তাঁর কাজ ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা স্মরণ করে বলছেন, এত অল্প বয়সে এমন প্রতিভার চলে যাওয়া হলিউডের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

Back to top button