আ’ত্মহত্যা নাকি খু’ন? অবশেষে খুলে গেল সমস্ত জট! সামনে এলো সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃ’ত্যুর আসল কারণ!

সালটা ছিল ২০২০, সেই সময় করোনার আক্রমণে সকলেই লকডাউনে জেরে বাড়িতে বন্দী। সেরকম সময় ১৪ই জুন দুপুর বেলায় হঠাৎ করে একটা খবর গোটা দেশের মানুষকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Singh Rajput) এর মৃত্যুর খবর। কেউ বিশ্বাসই করতে পারেনি অভিনেতার আত্মহত্যা করার খবর। চারিদিকে জাস্টিস ফর সুশান্ত রব উঠেছিল। টানা কয়েক মাস এই ঘটনা নিয়ে অনেক টানাটানি করা হয়েছিল। যার জন্য জল অনেক দূর গড়িয়েছিল।
৩৪ বছর বয়সী সুশান্ত সিংরাজপুতকে ২০২০ সালের ১৪ জুন মুম্বইয়ের অ্যাপার্টমেন্টে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মুম্বই পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যার কথা উঠে আসে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টেও ফাঁসের কারণে শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করা হয়েছে। খুন না আত্মহত্যা তা জানতেই শুরু হয়েছিল তদন্ত। সুশান্তের বাবা কেকে সিং বিহারের পাটনায় রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে তাঁর ছেলেকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করেন।
দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় সেই মামলার তদন্ত করে সিবিআই। অবশেষে সুশান্তের মৃত্য়ু রহস্যে ক্লোজার রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। আগামী ৮ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে বান্দ্রা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে। সিবিআইয়ের কাছে রিয়া কৃতজ্ঞ এই মামলার প্রতিটি দিক তদন্ত করার জন্য। তাঁকে ঘিরে যে মিথ্যা প্রচার চালানো হয়েছিল, তা মানসিক যন্ত্রণাদায়ক ছিল। বিনা দোষে রিয়াকে ২৭ দিন জেলে থাকতে হয়েছিল। প্রতিনিয়ত তাঁকে হেনস্থা করা হত।
সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, প্রয়াত অভিনেতার মৃত্যু সংক্রান্ত দু’টি মামলারই রিপোর্ট মুম্বই আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। আর সেই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, আত্মহত্যাই করেছিলেন অভিনেতা। এমন কোনও প্রমাণ মেলেনি, যার ভিত্তিতে খুনের অভিযোগ করা যায়।
আরও পড়ুনঃ রুদ্রর হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে চুরির দায়ে আটক হৈমন্তী! ষড়’যন্ত্রের জাল ছিঁড়ে কিভাবে বেরোবে ফুলকি? ফাঁ’স ধারাবাহিকের আজকের পর্ব!
এই পরিস্থিতিতে রিয়া চক্রবর্তীর আইনজীবী সতীশ মানেশিণ্ডে বলছেন, ”আমরা সিবিআইয়ের কাছে কৃতজ্ঞ মামলার প্রতিটি দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে এতে ইতি টানার জন্য। সোশাল মিডিয়া ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় যে পরিমাণ মিথ্যা প্রচার করা হয়েছিল তার কোনও প্রয়োজন ছিল না। অতিমারীর সময় বলে সকলেই টিভি এবং সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতিই মন দিয়েছিল। নিরীহ লোকদের ধরে ধরে মিডিয়া এবং তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের সামনে হাজির করানো হয়েছিল।”

