সমস্ত জল্পনার অবসান! কোথায় কিভাবে মা’রা গেছিলেন ধর্মেন্দ্র? মৃ’ত্যুর সময় সামনে ছিলেন কারা? অবশেষে জানালেন দেওল পরিবার!

দীর্ঘদিন অসুস্থতার সঙ্গে লড়াইয়ের শেষে প্রয়াত হলেন বলিউডের মহাতারকা ধর্মেন্দ্র। সোমবার ২৪ নভেম্বর মুম্বইয়ের নিজের বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। কিংবদন্তির প্রয়াণে শোক ছড়িয়েছে সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয়ে। ক্ষোভও ছিল অনুরাগীদের মনে, কারণ অনেকেই শেষবার তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাননি। পরিবারের তরফ থেকেও প্রথমে কিছু না জানানোয় শুরু হয় নানা জল্পনা।
ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা ঘিরে দিন কয়েক ধরে চলছিল অনুমান। প্রথমে শোনা গিয়েছিল, পরের সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে এই অনুষ্ঠান। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকালে দেওল পরিবারের পক্ষ থেকে একটি পোস্টে সব প্রশ্নের উত্তর মিলল। ধর্মেন্দ্রর তরুণ বয়সের একটি ছবি শেয়ার করে জানানো হয়, সেদিনই তাঁর আনুষ্ঠানিক স্মরণ অনুষ্ঠান হবে। পোস্টে ‘সেলিব্রেশন অফ লাইফ’ শিরোনামের সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৭ নভেম্বর বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে সাড়ে সাতটা পর্যন্ত মুম্বইয়ের একটি পাঁচতারা হোটেলে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের উপস্থিতিতে আয়োজিত হবে প্রেয়ার মিট।
পরিবারের জন্য সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না, কারণ আগামী ৮ ডিসেম্বরই ছিল ধর্মেন্দ্রর ৯০তম জন্মদিন। বহুদিন ধরেই এই বিশেষ দিনটিকে বড় করে উদযাপনের পরিকল্পনা চলছিল। হঠাৎ তাঁর মৃত্যু সেই আনন্দের ছবিটা মুছে দেয় এক মুহূর্তে। সোমবার পরিবারের বাসভবনে এবং ভিলে পার্লে শ্মশানে সম্পন্ন হয় তাঁর শেষকৃত্য, যেখানে বলিউডের বহু পরিচিত মুখ উপস্থিত হয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
ধর্মেন্দ্রর অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসতেই চিন্তিত হয়ে পড়েছিল গোটা ইন্ডাস্ট্রি। কয়েকদিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিকবার তাঁর মৃত্যু নিয়ে ভুয়ো খবরও ছড়িয়েছিল, যা পরিবারকে অত্যন্ত বিরক্ত ও ব্যথিত করেছিল। অনুরাগীরাও তাতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অবশেষে পরিবারের তরফে সরকারি ঘোষণা আসায় সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটল।
আরও পড়ুনঃ ‘লিপস্টিক বা জামা নারীদের হে’নস্থার জন্য দায়ী নয়’- স্পষ্ট জানালেন ঐশ্বর্য রাই বচ্চন! মমতা শঙ্করের নিচু মানসিকতার মোক্ষম জবাব দিলেন তিনি! দাবি দর্শকদের!
ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে ধর্মেন্দ্র এমন এক নাম, যা সময়ের স্রোতেও অমলিন থাকবে। শোলে, সীতা অউর গীতা, অনুপমা, চুপকে চুপকে, ধর্ম ভীরের মতো ছবি তাঁকে এনে দিয়েছে অগণিত দর্শকের ভালোবাসা। বলিউডের সোনালি যুগের অন্যতম স্তম্ভ হয়ে তাঁর শিল্পকর্ম ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছেও সমানভাবে মূল্যবান হয়ে থাকবে।

