ইরানি বার ডান্সারের প্রেমে পড়েছিলেন ধর্মেন্দ্র! জানা মাত্রই ঘর ছাড়েন হেমা? পুরনো ছবি ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক! ধর্মেন্দ্রকে ঘিরে সরগরম নেটদুনিয়া!

বলিউডের চিরসবুজ অভিনেতা ধর্মেন্দ্র-কে ঘিরে আবারও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সম্প্রতি তাঁর একটি পুরনো ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের একাংশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক ইরানি নৃত্যশিল্পীর সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ অবস্থায় পোজ দিয়েছেন তিনি। সেই দৃশ্য ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা এবং সমালোচনা, যা মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে।

ভাইরাল হওয়া ছবিতে ধর্মেন্দ্রকে ওই মহিলাকে পিছন থেকে জড়িয়ে থাকতে দেখা যায়, আর সেই মহিলা অভিনেতার গলা জড়িয়ে ধরেছেন। এই ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত অনেকের কাছেই অস্বস্তিকর বলে মনে হয়েছে। ফলে ছবিটিকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। কেউ কেউ এই ছবিকে অনভিপ্রেত বলেও মন্তব্য করেছেন, আবার অনেকেই বিষয়টিকে ব্যক্তিগত পরিসরের মধ্যে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন।

অভিনয় জীবনের শুরু থেকেই ধর্মেন্দ্রর নাম নানা বিতর্কে জড়িয়েছে। তাঁর সুদর্শন চেহারা এবং জনপ্রিয়তার কারণে মহিলা অনুরাগীদের মধ্যে তাঁর প্রতি আকর্ষণ ছিল চোখে পড়ার মতো। ফলে ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও সবসময়ই কৌতূহল ছিল দর্শকদের। এই ভাইরাল ছবি সামনে আসার পর সেই পুরনো সব আলোচনা আবার নতুন করে সামনে এসেছে এবং অভিনেতার ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে।

বিশেষ করে হেমা মালিনী-র সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বরাবরই বলিউডের অন্যতম আলোচিত অধ্যায়। ‘শোলে’ ছবির সময় থেকেই তাঁদের প্রেমের শুরু, যদিও সেই সম্পর্কের পথে ছিল নানা বাধা। ধর্মেন্দ্র তখন বিবাহিত ছিলেন, তবুও হেমার প্রতি তাঁর টান ছিল প্রবল। পরে ধর্ম পরিবর্তন করে ১৯৮০ সালে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানা গল্প এবং গুঞ্জন আজও বলিউডে ঘুরে বেড়ায়।

আরও পড়ুনঃ ছেলের স্কুলের সামনে সবজি বিক্রি! অনিশ্চয়তায় ডুবে গিয়েছিল সংসার! অভিনয় ছেড়ে জীবনের কঠিন লড়াইয়ে জনপ্রিয় অভিনেতা!

বর্তমানে এই পুরনো ছবি ভাইরাল হওয়ায় নতুন প্রজন্মের একাংশ ধর্মেন্দ্রকে নিয়ে ট্রোল শুরু করলেও, তাঁর অনুরাগীদের মতে অতীতের কোনও ব্যক্তিগত মুহূর্তকে এখনকার দৃষ্টিতে বিচার করা ঠিক নয়। একজন শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবন এবং তাঁর পেশাগত অবদানকে আলাদা করে দেখা উচিত বলেই মনে করছেন অনেকেই। তাই এই বিতর্কের মাঝেও তাঁর জনপ্রিয়তায় যে কোনও ভাটা পড়েনি, সেটাও স্পষ্ট।

Back to top button