আলাদা করে ধর্মেন্দ্রের স্মরণসভা ঘিরে নতুন জল্পনা! পারিবারিক দূরত্ব নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য গল্প? মুখ খুললেন হেমা মালিনী!

প্রবীণ অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের প্রয়াণের পর থেকেই তাঁর পরিবারকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দুই ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওল এবং অভিনেতার দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী ও তাঁদের দুই কন্যার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা থামছেই না। এই আবহেই আলাদা আলাদা স্মরণসভার আয়োজন নতুন করে বিতর্কের জন্ম দেয়।
অনেকের মনেই প্রশ্ন ওঠে, কেন একসঙ্গে নয়, কেন পৃথক ভাবে স্মরণসভা। দীর্ঘদিন এই বিষয়ে নীরব ছিলেন হেমা মালিনী। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। অভিনেত্রী স্পষ্ট করে জানান, এটি তাঁদের একান্ত পারিবারিক বিষয় এবং এ নিয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করতে তিনি স্বচ্ছন্দ নন বলে আগেও জানিয়ে এসেছেন।
তবু বারবার একই প্রশ্নের মুখোমুখি হওয়ায় নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দেন হেমা। তিনি বলেন, দিল্লিতে স্মরণসভা আয়োজনের পেছনে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ভূমিকা রয়েছে। দিল্লিতে তাঁর রাজনৈতিক পরিসরের বহু পরিচিত মানুষ রয়েছেন, যাঁরা ধর্মেন্দ্রকে সম্মান জানাতে চেয়েছিলেন। সেই কারণেই সেখানে আলাদা করে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছিল।
অন্য দিকে মথুরার স্মরণসভার প্রসঙ্গ টেনে হেমা জানান, এই অঞ্চল তাঁর কর্মক্ষেত্র ও আবেগের সঙ্গে গভীর ভাবে যুক্ত। মথুরা এলাকায় অসংখ্য মানুষ রয়েছেন যাঁরা ধর্মেন্দ্রের ভক্ত। তাঁদের অনুভূতির কথা ভেবেই সেখানে আর একটি স্মরণসভার আয়োজন করা হয় বলে জানান তিনি।
আরও পড়ুনঃ রায়ানের জীবনের অজানা অধ্যায়! জানেন কে ছিল উদয় প্রতাপ সিংয়ের প্রথম প্রেম?
হেমার দাবি, তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের অনেকের সঙ্গেই সানি দেওল, ববি দেওল এবং তাঁদের মা প্রকাশ কৌরের ব্যক্তিগত পরিচয় নেই। সেই বাস্তবতাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সানি ও ববি কোনও মন্তব্য করেননি। ফলে পরিবারকে ঘিরে জল্পনা আপাতত চলছেই।

