“মেয়েদের বাড়িতে থেকে সন্তান পালন করা উচিত!” মায়ের উপর ক্ষোভ উগরে দিলেন বলি অভিনেত্রী তানিশা!

পৃথিবীতে মা এবং সন্তানের সম্পর্ক সব থেকে সুন্দর সম্পর্ক। কারণ প্রত্যেক সন্তানের সঙ্গে মায়েদের নাড়ির টান থাকে। কিন্তু সেই নারীর টানকে উপেক্ষা করে এবারে মায়ের প্রতি নিজের সমস্ত রাগ ক্ষোভ উগরে দিলেন জনপ্রিয় বলি অভিনেত্রী (Bollywood Actress)ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির (Film industry) অন্দরমহলে এমন অনেক ঘটনাই থাকে যেগুলো আমরা সচরাচর জানতে পারি না। আমাদের চোখের আড়ালে সেই সমস্ত ঘটনা ঘটে যায়।

সেরকমই বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিশা নিজের মা তনুজা ওপর সমস্ত রাগ ক্ষোভ উপড়ে দিলেন। বলিউডের অন্যতম সুন্দরী জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল মুখার্জির ছোট বোন তানিশা হলেন অভিনেত্রী তনুজার ছোট কন্যা। কিন্তু কি এমন ঘটেছে অভিনেত্রীর জীবনে যার কারণে মায়ের উপর এত রাগ অভিনেত্রীর।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন ”আমি মনে করি, নারীদের তাঁদের সন্তানদের লালন করার জন্য বাড়িতেই থাকা উচিত”! কিন্তু হঠাৎ কেন এই কথা বললেন তিনি? তাহলে কি তার ছোটবেলাটায় মা তনুজাকে একেবারেই কাছে পাননি অভিনেত্রী? সেই ক্ষোভ থেকেই কি মায়ের উপর এত অভিযোগ তার?

আসলে ঘটনা হলো, সম্পর্কে বলি অভিনেত্রী কাজলের বোন তথা তনুজার দ্বিতীয় কন্যা তানিশা তাঁদের ছোটবেলার কিছু গোপন কথা ফাঁস করে দুঃখ প্রকাশ করেন। কী এমন হয়েছিল তনিশার সঙ্গে? জানা গিয়েছে, ছোটবেলায় মা তনুজার সঙ্গ তেমন পাননি তনিশা। আর তাঁর ফলেই অভিমানী অভিনেত্রী।

আরও পড়ুনঃ মুখের উপর ‘না’! মাত্র ১৭ বছর বয়সেই বিরাট সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শুভশ্রী!

পরিবারে আর্থিক সঙ্কটের কারণে কাজ করতে হত মা তনুজাকে। স্বামী শোমু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর সংসারের হাল ধরতে কাজ চালিয়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে। সেই সঙ্গে তার কাঁধে ছিল সংসার এবং দুই মেয়েকে দেখাভালের দায়িত্ব। এত কিছুর মধ্যে কোথাও যেন মায়ের আদর থেকে বঞ্চিত ছিলেন তনিশা। সেইজন্যই সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তনিশা জানিয়েছেন, তিনি চেয়েছিলেন তাঁর মা কর্মজীবী না হোন। তাঁর কথায়, ”যে কোনও মহিলার সন্তান হওয়ার পর কমপক্ষে পাঁচ বছর কাজ না করা উচিত। আমার মা একজন কর্মজীবী মহিলা ছিলেন। আমি যখন জন্মেছিলাম, তখন আমাদের পরিবারে আর্থিক অভাব থাকায় মাকে কাজ করতে হয়েছিল। মা প্রতিদিন অন্তত দু’টি থেকে তিনটি শিফটে কাজ করতেন। কখনওই আমার মায়ের সঙ্গে দেখা হত না, বরং আমি তাঁর ঘরে ঘুমোতাম, যাতে তাঁর গন্ধ পাই।”

Back to top button