বিরাট দুঃসংবাদ! বিনোদন জগতকে শূন্য করে না ফেরার দেশে জনপ্রিয় অভিনেতা! ৭৩-এই ইহলোক ছাড়লেন তিনি! শেষযাত্রায় জনসমুদ্র, চোখের জলে বিদায় জানালেন ভক্তরা!

শনিবার হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে দক্ষিণের চলচ্চিত্র জগতের এক প্রবীণ ব্যক্তিত্বের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। রবিবার চেন্নাইয়ে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে অসংখ্য অনুরাগী, সহকর্মী এবং চলচ্চিত্র জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর বিদায়ে গোটা বিনোদন জগতে নেমে এসেছে গভীর শোক।

চেন্নাইয়ের রাস্তাজুড়ে তাঁর শেষযাত্রায় দেখা যায় উপচে পড়া ভিড়। প্রিয় মানুষটিকে শেষবার দেখার জন্য সকাল থেকেই অপেক্ষা করেন বহু ভক্ত। সহকর্মী থেকে শিল্পী, পরিচালক থেকে সাধারণ দর্শক, সকলেই আবেগঘন পরিবেশে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। অনেকের চোখেই ধরা পড়ে অশ্রু, কারণ দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তিনি দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিলেন।

কর্মজীবনের শুরুতে তিনি এক বিখ্যাত পরিচালকের সহকারী হিসেবে কাজ করেন এবং ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমেও পর্দায় দেখা দেন। পরবর্তীকালে তিনি চিত্রনাট্যকার হিসেবে সাফল্য অর্জন করেন এবং একাধিক জনপ্রিয় ছবির গল্প ও সংলাপ লেখেন। ১৯৭৯ সালে পরিচালকের আসনে বসে নিজের যাত্রা শুরু করেন এবং ধীরে ধীরে দক্ষিণী সিনেমায় আলাদা পরিচিতি তৈরি করেন।

মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং সমাজের বাস্তব ছবি তুলে ধরার জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর লেখা ও পরিচালনায় তৈরি বহু ছবি দর্শকদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। মৃত্যুর কিছুদিন আগেও তিনি বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান এবং চলচ্চিত্র জগতের অনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন, যার ফলে তাঁর আকস্মিক প্রয়াণ অনেককেই বিস্মিত করেছে।

আরও পড়ুনঃ ‘সেদিন ইন্দ্র না থাকলে হয়তো আজ বাঁচতামই না…’ ‘মুখের একদিকটা বেঁকে গিয়েছিল!’ মৃ*ত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা! জীবনের সবচেয়ে বড় ঝড় নিয়ে অকপটে অভিনেত্রী সায়ন্তনী মল্লিক!

K Bhagyaraj

তামিলনাড়ুর ইরোড জেলায় জন্ম নেওয়া এই কিংবদন্তি শিল্পী ছিলেন তামিল সিনেমার জনপ্রিয় নির্মাতা, অভিনেতা ও চিত্রনাট্যকার কে ভাগ্যরাজ। তিনি স্ত্রী অভিনেত্রী পূর্ণিমা ভাগ্যরাজ, পুত্র অভিনেতা শান্তনু ভাগ্যরাজ এবং কন্যা সারনিয়া ভাগ্যরাজকে রেখে গেছেন। পরিচালক ভারতীরাজার সহকারী হিসেবে যাত্রা শুরু করে তিনি তামিল চলচ্চিত্রের এক গুরুত্বপূর্ণ নাম হয়ে ওঠেন। তাঁর মৃত্যুতে তামিল সিনেমার একটি যুগের অবসান ঘটল।

Back to top button