পুলিশের কথা শুনে শিউরে উঠলো চয়ন! ইশার সাহায্যে পুলিশের হাত পা বেঁধে দিলো অর্ণব!

শত্রুর শত্রু বন্ধু। এবার জি বাংলার (Zee Bangla) নিম ফুলের মধু (Neem Phuler Modhu) ধারাবাহিকের নায়িকা পর্ণার পরম শত্রু ইশার সাহায্য নিয়ে এই কথাটাকে প্রমাণ করলো বর্ষার স্বামী অর্ণব। বর্তমানে বেশ জমে উঠেছে এই ধারাবাহিকের প্রত্যেকটি পর্ব। টিআরপি তালিকাতেও দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছে এই মেগা।

বর্তমান গল্প অনুযায়ী, পর্ণা আর সৃজন অর্ণবের বাড়ি থেকে বেরিয়ে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে, চয়নকে নিয়ে চলে যায় পুলিশের কাছে। তারা বর্ষার প্রতি হওয়া অন্যায়ের ন্যায্য জবাব চায়। পুলিশ স্টেশনে গিয়ে অর্ণবের সমস্ত কুকীর্তি তারা পুলিশকে জানায়। সব শোনার পর পুলিশের প্রতিক্রিয়া দেখে অবাক হয়ে যায় ধারাবাহিকের নায়ক নায়িকা। কারণ তারা এমনটা আশা করেনি। তারা ভাবতেও পারিনি অর্ণবের হাত এত লম্বা।

নিম ফুলের মধু আজকের পর্ব ২০ জুন (Neem Phuler Modhu Today Episode 20 June)

ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখা যায়, বর্ষ রোজীকে জানিয়ে দেয়, এমন একটা জায়গায় সে এক মুহূর্ত থাকতে পারবে না। সে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এখান থেকে বেরোবেই। সে কখনোই এই জায়গাটাকে তার পৃথিবী বানাতে পারবে না। এটা শুনে প্রচন্ড রেগে যায় রোজী। রেগে গিয়ে সে বর্ষার খাওয়া-দাওয়া সমস্ত কিছু বন্ধ করে দেয়। তারপর বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে চলে যায়। বর্ষা কাঁদে আর জোরে জোরে দরজা ধাক্কা দিতে থাকে।

ইশার সাহায্য নিচ্ছে অর্ণব

এদিকে পর্ণা সৃজন চয়ন আর রুচিরা সবাই মিলে থানায় গিয়ে সব খুলে বলতেই থানার অফিসার অর্থাৎ অঙ্কিতা ম্যাডাম তাদেরকে জানায়, উপরমহল থেকে আদেশ করা হয়েছে তদন্ত বন্ধ করার। তাই এই কেসটা নিয়ে তারা আর নাড়াঘাটা করতে পারবে না। কারণ অর্ণব বুদ্ধি করে ইশার কাছে গিয়ে তাকে অনেকগুলো টাকা দিয়ে তাদের সাহায্যে পুলিশের উপর চাপ সৃষ্টি করেছে। যার ফলে পুলিশ আরে এই তদন্তে এগোতে পারছে না। তবে অঙ্কিতা ম্যাডাম তাদের জানায়, ব্যক্তিগতভাবে সে চেষ্টা করবে বর্ষাকে খুঁজে বের করার।

আরও পড়ুন: সিঁদুর দানের আগেই থেমে গেলো বিয়ে! নিজেকে শেষ করে দিলো নিলু! দ্বিতীয়বার বিয়ে ভাঙল রাইয়ের!

এরপর সবাই মিলে বাড়ি ফিরে আসে। তারা বাড়ি ফিরতে কৃষ্ণা বর্ষার খোঁজ করতে করতে নিচে নেমে আসে আর কান্নাকাটি শুরু করে। সৃজন তখন রেগে গিয়ে বলে, তার জন্যই আজ বর্ষার এরকম অবস্থা তাই তার এসব করা মানায় না। এরপর অজ্ঞান হয়ে যায় কৃষ্ণা। তাকে সবাই মিলে ধরে ঘরে নিয়ে যায়। বর্ষার খোঁজ পাওয়া যায়নি দেখে ভেঙে পড়ে পিকলু। এরপর অঙ্কিতা ম্যাডাম ফোন করে চয়নকে। তার কথা শুনে ভয়ে শিউরে ওঠে চয়ন।

 

Back to top button