স্বামীর চেয়ে সাত বছরের বয়সে বড়! শাশুড়ির বান্ধবী থেকে দাশগুপ্ত বাড়ির বৌমা!

টলিউডের (Tollywood) পরিচিত মুখ অভিনেত্রী বিদিপ্তা দাশগুপ্ত (Bidipta Dasgupta)। একাধিক ধারাবাহিক ও সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক মন জয় করেছেন তিনি। নিজের দক্ষতায় প্রতিষ্ঠা করেছেন নিজের পরিচয়। এহেন অভিনেত্রী বিদিপ্তা তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সর্বদাই চর্চায় এগিয়ে থাকেন। তার কারণ অভিনেত্রীর বিবাহিত জীবন। নিজের চেয়ে সাত বছরের ছোট বিরসা দাশগুপ্ত (Birsa Dasgupta) -কে বিয়ে করেছেন তিনি। আগে তিনি ছিলেন শাশুড়ির বান্ধবী!
টলিউডের চর্চিত কাপল বিদিপ্তা-বিরসা। একদিকে পরিচালক বিরসা যেমন পরিচালক হিসেবে দক্ষ, পাশাপাশি তাঁর অর্ধাঙ্গিনী বিদিপ্তা নিজ অভিনয় দক্ষতায় পারদর্শিনী। মাঝেমধ্যেই নিজেদের ঘনিষ্ঠ ছবি সোশ্যাল মাধ্যমে শেয়ার করেন তারা। তাদের বয়সের পার্থক্যের দিকে আঙুল তুলে নেটিজেনেরা কটাক্ষ তোলেন জুটির উদ্দেশ্যে। কিভাবে সম্পর্ক হয়েছিল বিরসা ও বিদিপ্তার? অনেকেই জানেন না সে কথা।

অভিনেত্রী বিদিপ্তা দাশগুপ্ত ছিলেন বিরসার মা চৈতালি দাশগুপ্তর কাছের বান্ধবী
আসলে অভিনেত্রী ছিলেন বিরসার মা চৈতালি দাশগুপ্তর কাছের বান্ধবী। তাই বহুদিন ধরেই বিরসাদের বাড়িতে যাতায়াত ছিল বিদিপ্তার। নিজের চেয়ে সাত বছরের ছোট পার্টনারের গালও টিপে দিয়েছেন একসময়। পরবর্তীতে তার হাত ধরে জীবন কাটানোর প্রতিশ্রুতি নিয়েছেন বিদিপ্তা। তবে এটা বিদিপ্তার প্রথম বিয়ে নয়। আগে একটি বিয়ের পর সম্পর্ক ভাঙে বিদিপ্তার। প্রথম সম্পর্কে কোলে এসেছিল ছোট্ট মেয়ে মেঘলা।
বিরসা তখন বছর পঁচিশ বয়স। সে সময় তিনি সম্পর্ক ভাঙার যন্ত্রণায় ভুগছেন। আর বিদিপ্তার তখন সদ্য বিয়ে ভেঙেছে। এমন পরিস্থিতিতে একে অপরের কাছাকাছি আসেন দুজনে। বিয়ে ভাঙার পর মেয়েকে নিয়ে একাই থাকতে অভিনেত্রী। এমন সময় বিরসার সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং দুজনের সম্পর্ক গাঢ় হতে থাকে। ধীরে ধীরে একে অপরের প্রেমে পড়েন তারা। ঠিক করেন বিয়ে করবেন।

আরও পড়ুন: নীলুর কাণ্ড দেখে গা পিত্তি জ্বলে গেল দর্শকদের! মোটা টাকা খোরপোষ পেতে এবার উকিলের দ্বারস্থ নীলু!
বিরসার পরিবার আধুনিক মনোভাব সম্পন্ন। এই বিয়েতে আপত্তি ছিল না কারোর। ২০১০ সালে সাত পাকে বাঁধা পড়েন বিরসা ও বিদিপ্তা। সবার মত নিয়েই বিদিপ্তার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেন বিরসা। তারপর শুরু হয় তাদের পথ চলা। বিরসার মা চৈতালি দাশগুপ্ত টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী।একবার মজা করে তিনি বলেছিলেন, বান্ধবী যে কখন বৌমা হয়ে গেল তা বুঝতেই পারলাম না। তিনি আরো বলেন আগে তাদের বাড়িতে কোন মেয়ে ছিল না। বিদিপ্তা আসার পর তার হাত ধরে বাড়িতে পা রেখেছে ছোট্ট ফুটফুটে মেয়ে মেঘলা। বিদিপ্তা ও মেঘলা দাশগুপ্ত বাড়ির লক্ষ্মী বলে মনে করেন শাশুড়ি চৈতালি। একটা সুন্দর জীবন যাপন করছেন তাঁরা। অতীতের সমস্ত স্মৃতি ভুলে নতুন করে বাঁচার প্রয়াস বিরসা ও বিদিপ্তা দুজনেরই।


