‘প্রথমে এই বিয়ে মেনে নিতে পারিনি, কিন্তু তারপর…’ কাঞ্চনকে জামাই হিসেবে না মানার কথা প্রকাশ্যেই স্বীকার করলেন শ্রীময়ীর মা!

গত বছর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক (Kanchan Mallick) এবং অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজ (Sreemoyi Chattaraj)। অনেক বাধা-বিপত্তি কটাক্ষের সম্মুখীন হওয়ার পর সুখের সংসার গড়ে নিয়েছেন দুজনে। বিয়ের পর থেকে নানানরকম সমালোচনা, ট্রোলের শিকার হতে হয়েছে দুজনকে। বিভিন্ন কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে তাদের। সেই সমস্ত খারাপ দিকগুলো পেছনে সরিয়ে রেখে এগিয়ে চলেছে নিজেদের সুন্দর জীবনের দিকে। তাঁদের বয়সের ফারাক নিয়েও চলেছে নানা চর্চা। এসব তর্ক বিতর্কের মাঝেই কাঞ্চন শ্রীময়ী সুখের সংসার করছে।
এরই মধ্যে তাদের কন্যা সন্তান এসেছে ঘরে, হয়েছে তার মুখেভাত। যা নিয়ে বর্তমানে গোটা পরিবারে হই হই চলছে। সেভাবে দেখতে গেলে গোটা বছর তাই কাঞ্চন শ্রীময়ীর জীবনে অনেক বাধা, সমালোচনা, ট্রোলের মুখে পড়তে হয়েছে। তবে সেই সমস্ত কাটিয়ে সুখেই সংসার করছেন দুজনে।
অভিনয় জগতের মাধ্যমেই দুজনের আলাপ হয়। সেই আলাপ ধীরে ধীরে বন্ধুত্বতে পরিণত হয়। তারপর তাদের ঘনিষ্ঠতা দেখে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে কিন্তু বরাবর নিজেদের ভালো বন্ধু হিসেবেই পরিচয় দিয়ে এসেছেন দুজনে। বিয়ের পর থেকেই একাধিকবার ট্রোল সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে দুজনকে। যদিও সেইসব নিয়ে খুব একটা বেশি পাত্তা দেন না দুজনের একজনও। ২০২৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আইনত বিয়ে এবং ২ মার্চ সামাজিক বিয়ের মাধ্যমে কাঞ্চন-শ্রীময়ী নতুন জীবনের সূচনা করেন। বিয়ের মাত্র আট মাসের মধ্যেই, ২ নভেম্বর, তাদের কন্যাসন্তান কৃষভির জন্ম হয়।
তবে এবারে প্রকাশ্যেই জামাইকে মেনে না নেওয়ার কথা জানালেন শ্রীময়ীর মা। শ্রীময়ী কাঞ্চনের বিয়েটা যেভাবে হয়েছে তাতে ট্রোল তো কম হয়নি দুজনে। আর পাশাপাশি এটা কাঞ্চনের তৃতীয় বিয়ে ছিল। তাই শ্রীময়ীর মা বাবার আপত্তি থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। প্রথম প্রথম অভিনেত্রীর মা একেবারেই এই বিয়ে মানতে পারেনি।
আরও পড়ুনঃ ‘বরের কাছে মা’র খেয়েছে, আমার দলে নাম লিখিয়েছে…’ – সাক্ষাৎকারে একি বললেন ফুলকি ধারাবাহিকের ‘লাবু’?
সম্প্রতি দিদি নাম্বার ওয়ান এর মঞ্চে জামাইষষ্ঠী স্পেশাল এপিসোডে কাঞ্চন এবং কাঞ্চনের শাশুড়ি এসেছিলেন। সেখানে এসেই রচনার প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় তাকে। তখনই অভিনেত্রীর মা জানান প্রথমে জামাইকে তিনি মেনে নিতে পারেনি একেবারেই। তবে সময়ের সাথে সাথে যখন দেখেছেন মেয়ে জামাই একসাথে ভালো আছে তখন জামাইকে মেনে নিয়েছেন।

