‘আমাকে সাতবার মেরে ফেলা হয়েছে’, কেন এমন বিস্ফোরক মন্তব্য রঞ্জিত মল্লিকের!

চল্লিশ বছর আগের ‘শত্রু’ ছবির শুভঙ্কর সান্যালকে আজও ভুলতে পারেননি দর্শক। টেলিভিশনে আজও ছবিটির সম্প্রচার হলে তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করে বাঙালি। নিষ্ঠাবান, সৎ, সত্যবাদী শুভঙ্কর সান্যাল আরও একবার ফিরছেন পর্দায়৷ যদিও এবার আর তিনি পুলিশ অফিসার নন৷ নাম না-বদলালেও বদলাবে পেশা৷ এই খবর সামনে এসেছিল আগেই৷ পরিচালক নেহাল দত্তর হাত ধরে এবার তিনি ফিরলেন আইনজীবীর ভূমিকায়। ছবির নাম ‘অপরাজেয়’৷

এখানে শুভঙ্কর সান্যাল একজন সৎ উকিল। সে অন্যায়ের সঙ্গে আপস করে না। তার এই অতি সততা মেনে নিতে পারেন না সকলে। একসময় একটি ঘটনার জন্য তাকে চাকরি থেকে পদত্যাগ কর‍তে হয়। কিন্তু নিজের কাজ থেকে দূরে সরে গিয়ে মনমরা হয়ে পড়ে শুভঙ্কর। এই সময়ে তার প্রতিবেশীর একটি ঘটনা তাকে আবার উঠে দাঁড়ানোর উৎসাহ দেয়। এরপর কী হয় সেটাই জানতে হলে দেখতে হবে ছবিটি। 9 জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘অপরাজেয়’।

ranjit mallick

এই ছবিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রঞ্জিত মল্লিক (Ranjit Mallick), লাবনী সরকার, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, সুমিত গঙ্গোপাধ্যায়, মৃণাল মুখোপাধ্যায়, ফাল্গুনী চট্টোপাধ্যায়, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, অরিন, গোপাল তালুকদার প্রমুখ। ছবির পোস্টার শেয়ার করে ছবির মুক্তির দিন ঘোষণা করেছিলেন ছবির প্রযোজক সুমনা কাঞ্জিলাল।

ছবি প্রকাশ পাওয়ার পর এক সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে একটি ছোট সাক্ষাৎকার নেওয়া হয় জনপ্রিয় তারকা রঞ্জিত মল্লিকের। সেখানে তিনি তার চরিত্রটি নিয়ে অনেক ভালোলাগা এবং উত্তেজনা প্রকাশ করেন। তার থেকে নেওয়া এই সব এই সাক্ষাৎকারে কিছু হাস্যকর এবং দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা দর্শকদের কাছে তুলে ধরলেন তারকা। তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, প্রতিবাদের কথা যখন উঠছেই তখন আজকের দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় যে প্রতিবাদ দেখা যায় তার কিছু ভালো দিক রয়েছে কিছু খারাপ দিক রয়েছে।

আরও পড়ুন: রোহিতকে বশ করতে শাড়ি গয়নায় ভোল পাল্টে ফুলকির জীবনে ঝড় তুললো শালিনী!

এই নিয়ে তার কী মতামত? অভিনেতা খুব সহজভাবে উত্তর দিলেন “সোশ্যাল মিডিয়া অনেক ভুল তথ্য রটায়। অনেক মিথ্যা খবর প্রকাশ করে। এই জায়গাটা তো খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় আর এভাবে ভুল তথ্য দেওয়া উচিত নয়। আমি নিজের দিক থেকে মজা করেই বলছি, আমাকে সোশ্যাল মিডিয়া কম করে সাতবার মেরে ফেলেছে। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলাতে আমি এখনো অবধি সাতবার মারা গিয়েছি। এটা দেখে আমি হয়তো হেসেছি কিন্তু অনেক মানুষ আছেন যারা চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন, মানুষকে তো এমন অহেতুক সমস্যার মধ্যে ফেলা উচিত নয়।” সত্যিই আজকাল সোশ্যাল মিডিয়া এত বেশি মিথ্যায় ভরে গেছে যে কোনটাকে বিশ্বাস করা উচিত আর কোনটাকে নয় তা বোঝা মুশকিল। তবে শুভঙ্কর সান্যালকে বোঝা মুশকিল নয়, তিনি আগেও যেমন সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন এই চলচ্চিত্রেও তার ভূমিকা অনস্বীকার্য।

Back to top button