এই টালমাটাল অবস্থার প্রেমিক হয়ে উঠেছেন একমাত্র ভরসা! চেনেন কি দিতিপ্রিয়া রায়ের ফুটবলার প্রেমিককে?

জিতু কামালের সঙ্গে চলতে থাকা বিতর্কে এখন বেশ আলোচনায় দিতিপ্রিয়া রায়। শান্ত স্বভাবের, কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকা এই অভিনেত্রীকে ঘিরে এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখা যায়নি। অভিযোগ, পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়েছে যে অভিনেত্রী নাকি আর্টিস্ট ফোরামের দ্বারস্থ হয়েছেন। এমনকি মহিলা কমিশনেও যেতে পারেন বলে শোনা যাচ্ছে টলিপাড়ায়। পুরো বিষয়েই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত দিতিপ্রিয়া এখন সোশ্যাল মিডিয়া ট্রোলিংয়েরও মুখোমুখি। পরিবারের পাশাপাশি এই কঠিন সময়ে তাঁর শক্ত ভরসা—তাঁর প্রেমিক।
দিতিপ্রিয়া প্রেমে রয়েছেন প্রায় দেড় বছর। যদিও তিনি কখনও প্রকাশ্যে প্রেমিকের নাম বলেননি, জানিয়েছিলেন—তিনি বিনোদন দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত নন এবং আপাতত কাজের সূত্রে চেন্নাইয়ে থাকেন। কিন্তু গোপন কথা কতক্ষণই বা গোপন থাকে? জানা গিয়েছে, চেন্নাইয়িন এফসির বাঙালি গোলকিপার শমীক মিত্রই দিতিপ্রিয়ার হৃদয়ের মানুষ। শিলিগুড়ির ছেলে ২৩ বছরের শমীক ২০২০ সালে ইন্ডিয়ান অ্যারোজ থেকে উঠে আসেন এবং এখন ২০২৭ পর্যন্ত দক্ষিণের জনপ্রিয় ফুটবল ক্লাবটির সঙ্গে যুক্ত।
কমন ফ্রেন্ডের মাধ্যমে আলাপ, তারপরই ধীরে ধীরে তৈরি হয় সম্পর্কের সেতু। দিতিপ্রিয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, তাঁর প্রেমিক তাঁকে ভালোবেসেছেন তাঁর ব্যক্তিত্বের জন্য, বাহ্যিক সৌন্দর্যের জন্য নয়। তাঁর কথায়, “ছেলেরা সব কথা সহজে বলে না। কিন্তু ও আমাকে ওর জীবনের সব কথা বলে। আমার কাছে ও নিজেকে নিরাপদ মনে করে—এটাই আমার সেরা পাওয়া।” শোনা যায়, দিতিপ্রিয়ার ভেঙে পড়া সময়ে কথায়, উপস্থিতিতে, নীরবতায় সঙ্গ দিচ্ছেন শমীক।
আরও পড়ুনঃ কলকাতার অন্ধকার গলি এবার বড় পর্দায়! যৌ’নপল্লীর অব্যক্ত গল্প নিয়ে আসছেন সুদীপ্ত সেন!
এই সম্পর্ক দিতিপ্রিয়ার জীবনে প্রথম নয়। আগেও প্রেম এসেছিল তাঁর জীবনে—শিল্পী মহলের কারও সঙ্গে। তবে সেই সম্পর্ক টিকেছিল না। দিতিপ্রিয়া জানিয়েছেন, সেটা ছিল সিরিয়াস সম্পর্ক, তবুও যখন বুঝেছেন যে বিপরীত পক্ষ আর আবেগের জায়গায় নেই, তখনই সরে আসেন। তাঁর কথায়, “সবসময় কেউ বলে না বেরিয়ে যেতে—আচরণেই বুঝে নিতে হয়।”
এবার মনে হচ্ছে, জীবনের নতুন অধ্যায়ে তাঁর পাশে রয়েছেন এমন কেউ, যিনি তাঁকে শুধু ভালোবাসেনই না, বোঝেনও। এবং এই ঝড়ের দিনে, হয়তো সেটাই দিতিপ্রিয়ার সবচেয়ে শক্ত ভরসা।

