শপথ গ্রহণ মঞ্চে জিৎ! শুরু রাজনৈতিক জল্পনা! ‘দিদির শপথ গ্রহণেও আমি ছিলাম…’ নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন টলিউডের বস!

বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। এর মধ্যেই সমাজমাধ্যমে বিজেপি সরকারকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছিলেন অভিনেতা জিৎ। এরপর রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেডে নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলতে থাকেন, তবে কি এবার রাজনীতির ময়দানে নামছেন টলিউডের এই জনপ্রিয় তারকা?
এই জল্পনার মধ্যেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন জিৎ। তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রের মাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় অভিনেতা জানিয়েছেন, নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই আমন্ত্রণের সম্মান রাখতেই তিনি শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি নতুন সরকারকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন তিনি।
এদিন অনুষ্ঠানে সাদা পাঞ্জাবি ও গেরুয়া উত্তরীয় পরে হাজির হয়েছিলেন জিৎ। মঞ্চে পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে বাড়ে দর্শকদের উৎসাহ। শুধু জিৎ নন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, মমতা শঙ্কর, যিশু সেনগুপ্ত, পায়েল সরকার, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী-সহ টলিপাড়ার একাধিক পরিচিত মুখ। ছোটপর্দার বহু অভিনেতাকেও দেখা যায় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে।
আরও পড়ুন: ‘আমি শুধু ওরই মাম্মাম’, ‘ছেলেকে ঘিরেই কৌশিকের সঙ্গে সম্পর্ক…’ ব্যক্তিগত জীবনের কিছু অজানা কথা ভাগ করে দিলেন লাবণী সরকার!
জিৎ আরও মনে করিয়ে দেন, এর আগেও ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, বিভিন্ন সময় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং তিনি সেই সৌজন্য বজায় রেখেই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। তাই শুধুমাত্র কোনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কারণে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ভুল ধারণা না করার আবেদনও জানান অভিনেতা।
নিজের বার্তায় স্পষ্টভাবেই জিৎ জানিয়েছেন, তিনি এখনও কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তিনি মূলত একজন অভিনেতা ও প্রযোজক হিসেবেই কাজ করতে চান। রাজনৈতিক মতাদর্শের বদলে সৌজন্য এবং সম্পর্কের জায়গা থেকেই তিনি এই অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন টলিউডের এই জনপ্রিয় তারকা।

