অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে পরিকল্পিত হেনস্থা! ইমন চক্রবর্তীর বিস্ফোরক অভিযোগে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে! গায়িকার পোস্ট ঘিরে তোলপাড় সমাজ মাধ্যম!

বর্তমান সময়ে বাংলা সংগীত জগতের অন্যতম জনপ্রিয় একজন গায়িকা হলেন ইমন চক্রবর্তী (Iman Chakraborty)। দীর্ঘ বেশ কয়েক বছর ধরেই বাংলা সিনেমা, চলচ্চিত্রে নিজের কন্ঠে অসাধারণ সমস্ত গান শ্রোতাদের উপহার দিচ্ছেন ইমন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান থেকে শুরু করে লোকসংগীত, আধুনিক গান সব ধরনের গানেই পারদর্শী ইমন। ৮ থেকে ৮০ সকলেই ইমনের ভক্ত। ২০১৭ সালে ‘প্রাক্তন’ ছবির বাংলা গান ‘তুমি যাকে ভালবাসো’-র হাত ধরেই দর্শক মহলে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি।
তবে এবারের জনপ্রিয় সেই গায়িকাকে পড়তে হলো হেনস্থার মুখে। ইমনকে কখনো এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে তিনি নিজেও ভাবতে পারেননি। জনপ্রিয় গায়ক গায়িকা এবং অভিনেতা অভিনেত্রীরাও বর্তমানে বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠান করতে যায়। বিশেষ করে গায়ক গায়কদের তো দিল্লি, মুম্বাই সহ বিভিন্ন শহরে প্রতিদিনই অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।
সম্প্রতি সেরকমই ইমন চক্রবর্তী ইন্দোরে গিয়েছিলেন অনুষ্ঠান করতে। সেখান থেকে ফেরার পথেই হল যত বিপত্তি। ইন্ডিয়াকে অতিরিক্ত টাকা দিয়েও, নিজেদের পছন্দের সিট পাননি তিনি। শনিবার ইন্দোরে শো করেন তিনি। আর সেখান থেকেই বিমানে দিল্লি আসার পথে ঘটল এই ঘটনা।
ইমন ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘এয়ার ইন্ডিয়ার টিকিট নিয়েছিলাম আমরা। এমনকী পছন্দের সিটের জন্য অতিরিক্ত মূল্যও দেই। আর আপনাদের এমপ্লয়িরা সেই সিট দিয়ে দিল অন্য যাত্রীকে। এটা একদমই অনৈতিক আর গ্রহণযোগ্য নয়। ইন্দোর থেকে দিল্লি আসছি। বিরক্তিকর যাত্রা।’
কমেন্টে আরও অনেকেই এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে হওয়া বরূপ অভিজ্ঞতা আনলেন সামনে। একজন লেখেন, ‘যা খুশি তাই হচ্ছে’। অন্যজন লিখলেন, ‘গত মাসে আমাদের সঙ্গেও এরকম হয়েছে। আমরা দিল্লি থেকে কলকাতা আসছিলাম। আমরাও সিট পছন্দ করে অতিরিক্ত অর্থ দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের সিটও অন্য যাত্রীকে দিয়ে দেওয়া হয় এভাবেই।’ তৃতীয়জন লিখলেন, ‘এয়ার ইন্ডিয়ার সার্ভিস দিনদিন যেন জঘন্য হচ্ছে।’ চতুর্থজনের মন্তব্য, ‘এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে এই সমস্যা যেন খুব সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে আজকাল।’ একজন আবার ইমনকে উলটো কটাক্ষ করে লেখেন, ‘এই সমস্যাগুলো দেখেছি বেশি উচ্চশিক্ষিত এবং হাইপ্রোফাইল মানুষদের সঙ্গেই হয়। আমাদের মতো সাধারণ মানুষদের সঙ্গে আর হয় না। সফটওয়্যারও বুঝে গিয়েছে কোথায় সমস্যা তৈরি করলে সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া যাবে | ফ্লাইট ক্যানসেলড বা ফ্লাইট চেঞ্জ হলে সাধারণত এই সমস্যাগুলো হয়। সেটা জেনেও যদি কেউ এমন পোস্ট করে সেটা হাস্যকর ছাড়া কিছু নয়। এমন সমস্যায় পড়বেন না, ইকোনমি ক্লাস ছেড়ে বিজনেস ক্লাসে ট্রাভেল করুন।’
আরও পড়ুনঃ কথা রাখলো পারুল! সসম্মানে মুক্তি পেলো রায়ান! পারুলকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলল দাদুর লাতি!
পালটা জবাব আসে ইমনের থেকে। বিরক্তি নিয়েই দেন কড়া জবাব, লেখেন, ‘আপনাদের মতো ফ্রাস্ট্রেটেড লোকজন খালি এসবই ভাবে। একদম অসহ্য ও বিরক্তিকর। আমার ব্যক্তিগত সমস্যা আমি শেয়ার করেছি, আপনার অসুবিধা হলে আমার প্রোফাইল বা পেজে আসবেন না। আর আসলেও ফালতু ফুটেজ খাওয়া বন্ধ করুন।’

