‘ঋতুর প্রবল যৌ’ন চাহিদা ছিল, আ’ত্মহত্যা করেছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ’, বিস্ফোরক দাবি অভিনেতা দীপঙ্কর দে’র!

টলিউড (Tollywood) ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির (Film industry) এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ (Rituporno Ghosh)। নিজের অল্প বয়সে তিনি যে সমস্ত ছবি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন সত্যি সেই ধরনের ছবি হয়তো এখনকার সময় দাঁড়িয়ে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কেউই আর বানাতে পারবেন না। ঋতুপর্ণ ছিলেন এক এবং অদ্বিতীয়। নিজের ব্যক্তিগত জীবন, চালচলন, চলচ্চিত্র সব কিছুর জন্যই খবরের শিরোনামে থাকতেন তিনি।

বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে সমকামের মুখ ঋতুপর্ণ। মাত্র ৪৯ বছর বয়সে তাঁর মৃ’ত্যু বাংলা ইন্ডাস্ট্রির কাছে ছিল বড় ধাক্কা। সেদিনের ক্ষতিপূরণ আজও কেউ করতে পারেনি। তবে ঋতুপর্ণর মৃ’ত্যু কি আদৌ স্বাভাবিক মৃ’ত্যু ছিল, নাকি তার পেছনে রয়েছে অন্য রহস্য? এবারে সেই জল্পনা আরো একটু উস্কে দিলেন অভিনেতা দীপঙ্কর দে।

২০১৩ সালের ৩০শে মে… বাঙালির ঘুম ভেঙেছিল ঋতুপর্ণ ঘোষের মৃত্যুর খবর শুনে। মাত্র ৪৯ বছর সকলকে ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে যান পরিচালক। তাঁর মৃ’ত্যু নিয়ে কম বিতর্ক হয়নি। ঘুমের মধ্যেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃ’ত্যু হয়েছে পরিচালকের। এমনটাই জানিয়েছিলেন চিকিৎসক। কিন্তু দর্শকেরা অনেকেই এই মৃ’ত্যু স্বাভাবিক ভাবে ভাবতে পারিনি। অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন ঘোরাফেরা করতো সেই সময়। আদতেই কি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃ’ত্যু হয়েছিল পরিচালকের? নাকি এর পেছনে ছিল অনেক বড় কোন সত্যি?

নিজেকে পুরোপুরি ভাবে অন্য রূপে রূপান্তর করতে চেয়েছিলেন তিনি। যার কারণে হরমোন থেরাপির প্রয়োগ করা হত শরীরে। সেই সব কারণে নাকি কড়া ডোজের কোনও ওষুধই নাকি অবসাদ? এই সব প্রশ্ন ঘুরে ফিরে এসেছে বারবার। পরিচালকের মৃত্যুর ১২ বছর পর তাঁকে নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন অভিনেতা দীপঙ্কর দে।

আরও পড়ুনঃ বিরাট দুঃসংবাদ! খাদে পড়ে মৃত্যু হয়েছে নোরা ফতেহির! দুর্ঘটনা সম্পর্কে ঠিক কী জানাল অভিনেত্রীর সহযোগী দল?

সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে দীপঙ্কর দে-র জীবনী ‘দীপঙ্করের কথা’। যা লিখেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক বাল্মিকী চট্টোপাধ্যায়। সেই বই-তেই দীপঙ্কর দে-র দাবি সুইসাইড করেছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। ওই বইতেই লেখা ছিল ‘আসলে, ঋতু সাধারণ মানুষ ছিল না। এই ধরনের মানুষ খুব ট্যালেন্টেড হয়। একটু ভিন্ন ধরনের তো, তাই ওই নারী সত্ত্বাটা নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াইটা খুব প্রবল হয়। ঋতু জীবনটা ওর মতো করে উপভোগ করতে চেয়েছিল। ওর শরীরের তাগিদগুলো ওর মনটাকে চালিয়েছে। ঋতুর প্রবল যৌন চাহিদা ছিল। আকাঙ্খা ছিল। নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারত না। টালিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রির কম লোক তার (ঋতুপর্ণ ঘোষ) সঙ্গে যৌনজীবন কাটিয়েছে! প্রয়োজন ফুরোলে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। নির্মম ভাবে। কম কষ্ট দিয়েছে তারা! অত বড় একটা ট্যালেন্ট আত্মহনন বেছে নিল।’

Back to top button