‘সব কাজ মিটিয়ে একসঙ্গে সু’ইসাইড করব!’- ঘিরে ধরেছে মানসিক অবসাদ! একসঙ্গে আ’ত্মহত্যার সিদ্ধান্তে ঐন্দ্রিলা-অঙ্কুশ!

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনেতা অভিনেত্রীদের মধ্যে প্রেম নতুন কিছু নয়। এইরকম নানান ঘটনা ঘটে আসছে কয়েক বছর আগে থেকেই। সেরকমই টলিউডের একটি জনপ্রিয় জুটি হল অঙ্কুশ ঐন্দ্রিলার (Ankush-Oindrila) জুটি। দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে দুজনে। একসঙ্গে ছবিতে অভিনয়ও করেছেন তারা। নিজেদের প্রেম নিয়ে কখনোই লুকোছাপা করেনি অঙ্কুশ (Ankush Hazra) বা ঐন্দ্রিলা (Oindrila Sen) কেউ। তাদের প্রেমের সম্পর্ক বহুদিনের কিন্তু বিয়েটা কবে তাই নিয়ে দর্শকমহলে একাধিক প্রশ্ন ওঠে মাঝেমধ্যে।

ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে করতে ঐন্দ্রিলার আলাপ হয় অঙ্কুশের সঙ্গে। অঙ্কুশ ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক পরে আসলেও তার সঙ্গে ঐন্দ্রিলার কেমিস্ট্রি কিন্তু একেবারে জমজমাট হয়ে উঠেছে অল্প সময়ের মধ্যেই। দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে একে অপরের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বহুবার তাদের খুনসুঁটি মাখা প্রেম ধরা পড়েছে। অঙ্কুশ ঐন্দ্রিলার ভক্তরা কিন্তু অধীর আগ্রহে সেই দিনটার জন্যই অপেক্ষা করছেন যেই দিনটা দুজনকে একসঙ্গে ছাদনা তলায় দেখবেন তারা।

তবে সম্প্রতি অঙ্কুশ ঐন্দ্রিলা এক সাক্ষাৎকারে ধরা দিয়েছেন। সেখানেই একসঙ্গে সুইসাইড করার কথা ফাঁস করেছেন ঐন্দ্রিলা। তবে হঠাৎ করে কেন আত্মহত্যার কথা উঠে অভিনেত্রীর কথায়? অঙ্কুশ ঐন্দ্রিলা একসঙ্গে জুটি বেঁধে কাজ করেছেন বেশ কিছু ছবিতে। তাদের জুটি বাস্তবে যেমন দর্শক ভালবাসেন তেমনই এই জুটিকে পর্দায়ও ভালোবাসা দিয়েছে দর্শক।

তবে তাদের কাজের সংখ্যা খুবই কম? বাকি অভিনেতা অভিনেত্রীরা যেমন পরপর ছবিতে কাজ করছেন। সেই তুলনায় অঙ্কুশের হাতে কাজের সংখ্যা অনেকটাই কম। একটি সাক্ষাৎকার ঐন্দ্রিলা দাবি করেছিলেন অঙ্কুশের পরে স্টাবলিশ হিরো কেউ নেই। সেই নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল। তবে অঙ্কুশের হাতে ছবির সংখ্যা নেহাতে অনেক কম। সেরকমই ঐন্দ্রিলাও খুব বাছাই করে ছবি করেন। তবে কি হাতে ছবির কাজ কম থাকার কারণে আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলেন দুজনে?

আরও পড়ুনঃ আবারও শীর্ষে পরশুরাম! হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে প্রথম পাঁচে এগিয়ে জি! এগিয়ে রইলো কোন কোন মেগা? দেখে নিন এই সপ্তাহের টিআরপি তালিকা

আসলে না ঘটনাটা তা একেবারেই তা নয়, এই কথাটা ঐন্দ্রিলা ভেবেছিলেন তার বাবার মৃত্যুর পরে। ঐন্দ্রিলা বাবাই ছিল তার এবং তার মায়ের গোটা জগত। বাবা ছাড়া কিছুই বুঝতেন না তারা। তাই বাবার মৃত্যুর পরে ঐন্দ্রিলা এবং তার মা শশ্মানে বসে ভেবেছিলেন বাড়ি ফিরে এসে দুজন মিলে একসঙ্গে আত্মহত্যা করবেন। সে কথাই সাক্ষাৎকারে জানান ঐন্দ্রিলা। ঐন্দ্রিলা বলেন, ‘আমি এবং আমার মা আমার বাবার উপর এতটাই নির্ভরশীল ছিলাম যে বাবার মৃত্যুর পরে আমাদের বাঁচার ইচ্ছে ছিল না। আমরা দুজনে শ্মশানে বসে ভেবে নিয়েছিলাম বাড়ি ফিরে আত্মহত্যা করব তখন অঙ্কুশ ও কাজে সূত্রে লন্ডন ছিল।’ যদিও ঐন্দ্রিলার বাবার মৃত্যুর পরে অঙ্কুশ তাকে বাবার মতই আগলে রেখেছে। যতই মজা খুনসুটি করুক না কেন ঐন্দ্রিলাকে সব সময় আগলে রেখেছেন অঙ্কুশ।

Back to top button