‘চিরসখা’ বন্ধে আবেগে ভাসলেন ঐশী ভট্টাচার্য! ‘এভাবে শেষ হয়ে যাবে জানলে হয়তো…’ সমাজ মাধ্যমে কিছু বিশেষ মুহূর্ত ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী!

একটা সময় বাংলা ধারাবাহিক অনায়াসে দুই থেকে তিন বছর চলত, কিন্তু এখনকার বাস্তবতায় কয়েক মাস টিকে থাকাই বড় সাফল্য হিসেবে ধরা হয়। টিআরপি তালিকায় পিছিয়ে পড়লেই ধারাবাহিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। তবে ‘চিরসখা’ ধারাবাহিকের ক্ষেত্রে কারণ ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন, যা শিল্পীদের মানসিকভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে। হঠাৎ করে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ায় অনেকের পক্ষেই এই বাস্তবতা মেনে নেওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।
দুই প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ভালোবাসার গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছিল ‘চিরসখা’, যা দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিল। এই ধারাবাহিকে ‘মিঠি’ চরিত্রে অভিনয় করে নজর কাড়েন অভিনেত্রী ঐশী ভট্টাচার্য। তাঁর অভিনয় এবং চরিত্রের সরলতা দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল। সহশিল্পীদের সঙ্গে কাজ করতে করতেই গড়ে উঠেছিল এক গভীর সম্পর্ক, যা আজ তাঁর কাছে সবচেয়ে মূল্যবান স্মৃতি হয়ে উঠেছে।
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় সহশিল্পীদের সঙ্গে কিছু ছবি পোস্ট করে নিজের অনুভূতি ভাগ করে নেন ঐশী। তিনি লেখেন, তিনি লেখিকা নন, তাই নিজের অনুভূতিকে হয়তো ঠিকভাবে প্রকাশ করতে পারছেন না। তবে তিনি আগে থেকেই জানতেন, এই ধারাবাহিক শেষ হলে তাঁর খুব কষ্ট হবে। অন্য কাজ শেষ হলেও খারাপ লাগে, কিন্তু এইবারের কষ্টটা যেন আরও গভীর এবং তীব্র।
স্মৃতির ঝাঁপি খুলে অভিনেত্রী আরও জানান, এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে অনেকের সঙ্গে প্রথম কাজ করেছিলেন তিনি। শুরুতে কথা কম হলেও ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছিল বন্ধুত্ব। আর সেই বন্ধুত্বই আজ সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিচ্ছে তাঁকে। তিনি বলেন, যদি আগে থেকে জানতেন শেষ দিনটা কবে, তাহলে হয়তো আরও বেশি করে সেই মুহূর্তগুলোকে অনুভব করতেন এবং সেটের প্রতিটি জিনিস নিজের হাতে গুছিয়ে রাখতেন।
আরও পড়ুনঃ ষ’ড়যন্ত্রের জালে গোরা! গোরার মুখে কালি মাখাতে গিয়ে ব্যর্থ রক্তিম! ঢাল হয়ে সামনে দাঁড়িয়ে কড়া জবাব দিল দিতি! দুর্ধর্ষ আজকের আর
উল্লেখ্য, রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর ম্যাজিক মোমেন্টস প্রযোজনা সংস্থাকে নিষিদ্ধ করা হয়, যার ফলে বন্ধ হয়ে যায় ‘ভোলে বাবা পার কারেগা’ এবং ‘চিরসখা’ ধারাবাহিক। অন্যদিকে ‘কনে দেখা আলো’ ধারাবাহিকের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদিও সাম্প্রতিক বৈঠকের পর আশার আলো দেখা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে চিত্রনাট্যের দায়িত্বে পরিবর্তন এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
