মায়ের আংটি বিক্রির টাকায় অডিশন দিয়ে আজ প্রতিষ্ঠিত নায়িকা! মিঠিঝোরার রাইয়ের জীবন যুদ্ধের কথা শুনলে চোখে জল আসবে আপনার

Aratrika Maity: অনেক দর্শকরাই (Audience) হয়তো মনে করেন প্রতিষ্ঠিত তারকা মানেই তারা এক বিরাট প্রতিপত্তির অধিকারী। শুরু থেকেই হয়তো সব দিক থেকে সুযোগ সুবিধা পেয়েছেন তারা। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই এর চরম ব্যতিক্রম দেখা যায় যা রীতিমতো রোমহর্ষক এক অনুভূতি দেয় দর্শকদের। কারণ সবাই সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মায় না। এই টলি জগতে এমন অনেক অভিনেতা অভিনেত্রীরা রয়েছেন যারা চরম প্রতিকুলোতাকে সঙ্গী করে আজ সফলতার শীর্ষে পৌঁছেছেন। তেমনই একজন হলে বর্তমানের জনপ্রিয় টেলি অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতি (Aratrika Maity)

মাঝে মধ্যেই টেলি তারকাদের টেলিভিশনের বিভিন্ন মঞ্চে এসে তাদের এতদূর অবধি পৌঁছনোর সংগ্রাম ভাগ করে নিতে দেখা যায়। এর আগে রুবেল দাস, সৈয়দ আরেফিন প্রত্যেকেই নিজেদের জীবন সংগ্রাম শুনিয়ে ভক্তদের এবং অনেক সদ্যজাত তারকাদের উদ্দীপিত করেছেন। এই প্রতিবেদনে এমন এক অভিনেত্রীর জীবন সংগ্রামের কথা তুলে ধরা হবে যে একসময় এক চরম সাংসারিক টানাটানির মধ্যে দিয়ে দিন অতিবাহিত করেছে। কিন্তু লড়াই থামায়নি।

Mithi Jhora, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali television, মিঠি ঝোড়া, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, Aratrika Maity, আরাত্রিকা মাইতি

এমনই এক টেলি অভিনেত্রী রয়েছেন যার জীবন কাহিনী শুনলে চোখে জল আসতে বাধ্য দর্শকদের। এই মুহূর্তে জি বাংলার পর্দায় একটি বেশ জনপ্রিয় ধারাবাহিক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে মিঠি ঝোড়া। এই ধারাবাহিকের নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতিকে (Aratrika Maity)। এই মুহূর্তে তিনি হয়ে উঠেছেন দর্শকদের মধ্যমণি। কিন্তু এই আজকের দিনটায় পৌঁছানোর জন্য তাকে জীবনে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে।

তার বাস্তব জীবন সংগ্রামে ভরা। অভিনেত্রী আরাত্রিকা মাইতির বাড়ি মেদনীপুরের ঝাড়গ্রামে। অত্যন্ত নিম্নবিত্ত এক পরিবারেই বেড়ে উঠেছেন তিনি। অভিনয় জগতে তার প্রথম পথ চলা শুরু হয় রানী রাসমণি ধারাবাহিকের হাত ধরে। কিন্তু এর পরেই লকডাউনের জন্য তার সব কাজ বন্ধ হয়ে যায়। সেই সময় সংসার কীভাবে চলবে সে কথা ভেবে ভেবে অনেক কান্নাকাটি করতে হয়েছিল অভিনেত্রীকে।

aratrika maity

আরও পড়ুনঃ “বাংলা ছবির স্টারদের অধঃপতন হয়েছে!” হঠাৎ বাংলা ছবির প্রতি ক্ষোভ উগরে দিলেন অরিত্র!

আরাত্রিকা জানান, লকডাউনের সময় অডিশন চলছিল ঠিকই কিন্তু ঝাড়গ্রাম থেকে কলকাতা আসার সব ট্রেন তখন বন্ধ। সেই সময় আরাত্রিকা যাতে কলকাতায় এসে অডিশন দিতে পারেন তার জন্য মায়ের আংটি বিক্রি করে অভিনেত্রীকে টাকা দিয়েছিলেন তাঁর বাবা। কাজ না পেলে লকডাউনে কীভাবে সংসার চালাবেন তিনি সেটাই সবথেকে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তবে মা বাবার এই আত্মত্যাগের দাম দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে এত অল্প বয়সেই নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে নিজের পরিবারের শিরদাঁড়া হয়ে উঠেছেন তিনি।

Back to top button