ভয়ংকর দুর্ঘটনার কবলে অহনা দত্ত! সজোরে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে মুচড়ে গেল গাড়ি! এখন কেমন আছেন অভিনেত্রী?

মাত্র এক মাস আগেই নতুন গাড়ি কিনে ভীষণ খুশি ছিলেন অহনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই বিশেষ মুহূর্তের ভিডিও ভাগ করে নিয়েছিলেন তিনি। বহু স্মৃতি জড়িয়ে থাকা পুরনো গাড়িকে সন্তানসম ভালোবেসে বিদায় জানানো সহজ ছিল না তারকা দম্পতির কাছে। তবুও নতুন যাত্রার আনন্দে সেই কষ্ট কিছুটা হলেও চাপা পড়েছিল। কিন্তু নতুন গাড়ি কেনার আনন্দ যে এত তাড়াতাড়ি দুঃখে বদলে যাবে, তা ভাবতেও পারেননি তাঁরা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা এক ভিডিওতে অহনা জানান, তিনি ও তাঁর স্বামী দীপঙ্কর রাস্তার এক পাশে গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই সময় হঠাৎ করেই অন্য একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাঁদের গাড়িতে এসে সজোরে ধাক্কা মারে। দীপঙ্কর বারবার ফোন করে সতর্ক করার চেষ্টা করলেও অভিযুক্তরা মদ্যপ অবস্থায় থাকায় কিছুই বুঝতে পারেননি। উলটে গাড়ি ব্যাক করতে গিয়েই আরও জোরে ধাক্কা লাগে নতুন গাড়িতে, মুহূর্তে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নেয়।

ভিডিওতে অহনা স্পষ্টভাবে বলেন, দুর্ঘটনা যে কোনও সময় ঘটতেই পারে এবং সেটাকে তিনি স্বাভাবিক বলেই মানেন। কিন্তু ধাক্কার পর যে ব্যবহার তাঁরা পেয়েছেন, তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। শুধু অভিযুক্তরাই নন, আশপাশের এলাকার কিছু লোক এসে উলটে তাঁদের পক্ষ নিয়ে দাঁড়ান। অহনার কথায়, তিনি সঙ্গে ছিলেন বলেই পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যায়নি, নাহলে হয়তো বিষয়টি অন্য রকম হতে পারত।

এই প্রসঙ্গে দীপঙ্করও ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন, অহনা সঙ্গে না থাকলে হয়তো ব্যাপারটা মারামারিতে গড়াত। অভিযুক্তদের আচরণ এতটাই আক্রমণাত্মক ছিল যে যে কোনও মুহূর্তে বড় অঘটন ঘটতে পারত। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন সাহস এরা কোথা থেকে পায় এবং কার জোরেই এইভাবে রাস্তায় দাদাগিরি দেখায়। তাঁর মতে, এরা একেবারেই হুলিগানদের দল এবং এমন ঘটনা আজকাল প্রায়শই ঘটছে।

আরও পড়ুনঃ ‘একটু বেশি পাত্তা দিয়ে ফেলেছি…’ চিরদিনই তুমি যে আমার-এর সেটে ফের বিতর্ক! সহকর্মীর সঙ্গে জিতুর বন্ধুত্বে ফাটল?

শেষে অহনা জানান, অভিযুক্তরা নাকি তাঁদের অফিসে গিয়ে ক্ষতিপূরণের টাকা নিতে বলেছে। তবে দীপঙ্কর সেটাকে ভাঁওতা বলেই উড়িয়ে দেন। সব মিলিয়ে গাড়ির অবস্থা খুব খারাপ হলেও সবচেয়ে বড় স্বস্তি, অহনা ও দীপঙ্কর দুজনেই নিরাপদ আছেন। সঙ্গে তাঁদের মেয়ে না থাকায় ঈশ্বরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন তাঁরা। নতুন গাড়ি নষ্ট হওয়ার যন্ত্রণা থাকলেও প্রাণে বেঁচে ফেরাটাই এখন তাঁদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

Back to top button