“পাগলরা তো উলঙ্গ হয়েই ঘুরে বেড়ায়”- সাক্ষাৎকারে ট্রোল নিয়ে বিস্ফোরক মমতা শঙ্কর!

সোশ্যাল মিডিয়াতে (Social Media) মাঝেমধ্যেই চর্চায় উঠে আসে জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী (Dancer) তথা অভিনেত্রী মমতা শঙ্করের (Mamata Shankar) নাম। অভিনেত্রী মাঝেমধ্যেই এমন কিছু মন্তব্য করেন যা অনেক সময় সমালোচনা দিকে ঠেলে দেয় তাকে। মেট্রোতে চুমু থেকে শুরু করে, নারীদের পোশাক নিয়েও বিভিন্ন মন্তব্য করে সমালোচনা এবং ট্রোলের শিকার হয়েছেন নৃত্যশিল্পী। বরাবরই খবরের শিরোনামে থাকেন তিনি। যদিও এই ট্রোল নিয়ে কখনোই মাথা ঘামাইনি মমতা শঙ্কর।

শেষ কয়েক মাস ধরে তো কলকাতায় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেই সমালোচনার মুখে পড়েছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই ট্রোল নিয়ে নিজের মতামত জানালেন অভিনেত্রী। যা নিয়ে ফের শুরু হয়েছে সমালোচনা। কি এমন বললেন অভিনেত্রী যার জন্য নেটিজেনরা সবাই ক্ষেপে উঠেছেন।

মমতাশঙ্করের দাবি,প্রকাশ্যে ধূমপান করে বা শাড়িকে অন্যরকম করে পরলেই মডার্ন বলা যায় না। নিজের চলা-ফেরা, শিক্ষা-দীক্ষাতেই প্রমাণ মেলে কে কতটা প্রগতিশীল। অর্থাৎ অভিনেত্রীর দাবি বর্তমান সময়ের অভিনেত্রীরা যে সমস্ত পোশাক পরেন সেগুলো পড়ে সমাজে চলা যায় না। এছাড়াও ধূমপান করাকে তিনি একেবারেই সমর্থন করেন না।

সম্প্রতি এক সাক্ষাত্‍কারে চাঁচাছোলা ভাষায় জানিয়ে দিলেন নিজের মতামত। তিনি বলেন, “আমি কাটাকাটা ভাষায় কথা বলেছি বলে আমায় নিয়ে ট্রোল হচ্ছে। আমি তো কারও উপর চাপিয়ে দিচ্ছি না যে এমন পোশাক পরতে হবে। অন্যদের মতো আমারও কথা বলার স্বাধীনতা আছে। নিজের স্বার্থে কিছু বলছি না।”

মর্ডান ভাবে শাড়ি পরা এবং সিগারেট খাওয়া নিয়ে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, “রাস্তায় অস্বাভাবিক কিছু দেখলে আমাদের চোখ আপনা থেকেই চলে যায়। ভুল জিনিসগুলো দিয়ে নিজেকে প্রগতিশীল প্রমাণ করা যায় না। খোলামেলা পোশাক পরলে আমাদের মেয়েদেরই চো। চলে যায়। আরে পাগলরা তো জামাকাপড় খুলেই রাস্তায় ঘুরছে। তাহলে সেই মানুষটার সঙ্গে সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের মধ্য়ে কী পার্থক্য রইল!মেয়ে হিসাবে নিজেদের একটা মান-সম্মান বোধ থাকা প্রয়োজন। প্রতিটি নারীর তা ধরে রাখার প্রয়োজন।”

আরও পড়ুনঃ ফুলকি কা’না, শ্যামলী ল্যাং’ড়া আর রাই স্মৃতিহারা! নায়িকাদের একইসাথে একই হাল করলো জি বাংলা!

সম্প্রতি চুমু বিতর্কের সময় মন্তব্য করেছিলেন “আমি বিষয়টাকে মোটেই ভালো চোখে দেখছি না। আমি এর বিরুদ্ধে। কারণ এরপর তো সমস্ত কিছু করার সাহস হয়ে যাবে। স্থান, কাল, পাত্রের কোনও জ্ঞান থাকবে না? জন্তুরাও বোধহয় আমাদের থেকে অনেক ভালো। এই জন্যই তো আজকাল এসব হচ্ছে, এত রেপ হচ্ছে। বাচ্চাদের হাতে ফোন যাচ্ছে, ছোট থেকেই ওরা এসব দেখছে। ওদের মূল্যবোধ কোথায় যাবে!”

Back to top button