‘পটল নাম শুনলেই রাগ ওঠে’, ছোট্ট হিয়া থেকে ‘পটল কুমার গানওয়ালা’ হয়ে ওঠার গল্প এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল নিয়ে অকপট হিয়া

সালটা ছিল ২০১৬। সেই সময় বাংলা টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক ছিল পটল কুমার গানওয়ালা। ২০১৭- এর ১০ সেপ্টেম্বর ছিল এই ধারাবাহিক সম্প্রচারের শেষ দিন। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন হিয়া দে। শিশুশিল্পী হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন। একটি ধারাবাহিক কাজ করেই ১৩ থেকে ৮৩-এর ঘরের মেয়ে হয়ে উঠেছিলেন পটল। যে কোনও পরিস্থিতিতে পটলের গান বাধার যে অসীম ক্ষমতা তাই ছিল ওই ধারাবাহিকের ইউএসপি।

মাঝে এতগুলো বছর কেটে গেলেও আজও সকলের বড্ড প্রিয় হিয়া। কিন্তু, মিষ্টি মেয়ে পটলের ‘পাকামি’ মোটেই ভালোভাবে নেন না নেট নাগরিকরা। লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশন থেকে দূরে থাকলেও সোশ্যালে খুবই সক্রিয় হিয়া। কখনও এই বাচ্চা মেয়ের বোল্ড ডান্স মুভস তো কখনও আবার মদের গ্লাস হাতে পোজ দিতেই একেবারে রেগে কাঁই নেটপাড়া। এবার এসব নিয়েই মুখ খুললেন অভিনেত্রী হিয়া দে।

এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী কে জিজ্ঞাসা করা হয় সে যে ফটো এবং ভিডিও পোস্ট করে সেগুলোতে প্রচুর আজেবাজে কমেন্ট আসে। সেগুলোকে কিভাবে সামলান অভিনেত্রী? হিয়া বলেন, “এই কথাটা বললে হয়তো কেউ আমাকে বিশ্বাস করবে না কিন্তু সত্যি করেই আমি কমেন্ট বক্স খুলেই দেখি না। শুধু আমার চেনা দাদা দিদিরা কমেন্ট করলে তখনই দেখি নয়তো আমি কারোর কমান্ট দেখি না।”

বড় হওয়ার পর এই পজিটিভ আর নেগেটিভ দুটো দিকের মুখোমুখি হওয়াটাকে কিভাবে নিচ্ছেন অভিনেত্রী? হিয়া জানান, “আমি সব সময় পজিটিভ থাকার চেষ্টা করি। মানুষ আমাকে ছোটবেলায় পটল কুমার হিসেবে খুব ভালবাসতেন আমি জানি এটা আমার অনেক বড় পাওয়া। গুগল খুললেই আমি আমার নাম প্রথমে দেখতে পাই। হিয়া কি পড়ে নাচলেন দেখুন এমন সব জিনিসপত্র থাকে। কিন্তু তাতে আমি খুশি। আমার জন্য যে তারা দু মিনিট খরচা করে লিখছে এটাই আমার কাছে অনেক।”

পটল তো এখন আর সেই ছোট নেই। দর্শকরাও হারিয়ে ফেলেছে সেই ছোট্ট বাচ্চাটাকে। এই নিয়ে দর্শকদের নিরাশারও শেষ নেই। সেই নিয়ে কি বললেন তিনি? হিয়ার মতে, “পটল যে আর ছোট নেই সে যে আর পটল নেই হিয়া হয়ে গিয়েছে, সেটা দর্শকরা মানতে চান না। এখানে বেশ খারাপ লাগে। আমি এখন কিছু একটা আমার পছন্দের করতেই পারি এটা কোনোভাবেই মানতে পারেন না দর্শকরা।”

Back to top button